৬মাসের শিশুদের কি খাওয়ানো যায়?

৬মাসের শিশুদের কি খাওয়ানো যায়
3258 views

3 Answers

৬ মাস বয়স থেকে শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি উপযুক্ত ও সহজপাচ্য বাড়তি খাবার খাওয়াতে হবে। মায়ের দুধ খাওয়ানো দুই বছর পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে। এই সময়টাতে মাকেও পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। # ৬ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর খাবারঃ ৬ মাসের পর থেকে শুধু মায়ের দুধ শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে পারে না। শিশুর ওজন প্রথম ৬ মাসে জন্ম ওজনের দ্বিগুণ হয়, ১ বছরে তিনগুণ এবং ২ বছরে প্রায় চারগুণ হয়। শিশুকে কোনো নতুন খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হলে অন্তত ২ মাসসময় প্রয়োজন। এ সময়ে খুব সহজেই পরিবারের খাবার থেকে তার পুষ্টি চাহিদা মেটে। পরিবারের খাবার অর্থাৎ চাল, ডাল, বিভিন্ন ধরনের সবজি, মাছ, মাংস, সয়াবিন, ফলমূল থেকে শিশুর উপযোগী করে খাবার তৈরি করা যায়। প্রথমে শিশুকে ফলের রস যেমন_ কমলা, আনার, মালটার রস দিয়ে বাইরের খাবার শুরু করতে হয়। এতে অভ্যস্ত হলে শিশুকে সুজি/চালের গুঁড়ার হালুয়া খাওয়াতে হবে। তারপর আস্তে আস্তে খিচুড়ি শুরু করতে হবে।

3258 views Answered

বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ান বন্ধ করবেনা। যদি বাচ্চা বুকের দুধ না পায় সে ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুসারে ভালো কোন ফর্মুলা দুধ খাওাতে পারেন। দুধের পাশাপাশি তাকে চাল, ডাল, বিভিন্ন শব্জি যেমন পেঁপে, আলু, ঢেঁড়স ইত্যাদি দিয়ে পাতলা খিচুড়ি রান্না করে খাওয়ান। মসলা পরিহার করবেন। স্বাদের জন্য অল্প লবন দিতে পারেন। প্রথমে শুরু করবেন ১ টেবিল চামচ খাবার নিয়ে। খেয়াল রাখবেন খাবার যেন পাতলা হয় তবে জুসের মতন যেন না হয়ে যায়। বাচ্চা খিচুড়ি খেতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে ধীরে ধীরে পরিমান বাড়াবেন। এক টেবিল চামচের জায়গায় তখন ২ টেবিল চামচ দিতে পারেন। এবং সেই সাথে খিচুরিটাও ধীরে ধীরে ঘন করে তৈরি করে দিতে হবে। খিচুড়ির সাথে সাথে বাচ্চাদের অনেকেই সেরিলাক দিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে প্যাকেটের গায়ে পরিমাপ দেয়াই থাকে, সেভাবে বানিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু বাজারের জিনিস না দেয়াটাই ভালো হয়। যদি সে খেতে পছন্দ করে তবে শুধু সুজি বা সুজির সাথে বিভিন্ন ফলের টুকরা মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে খাওাতে পারেন। অল্প চিনিও দিতে পারেন স্বাদের জন্য।

3258 views Answered

ছয় মাসের পর থেকে শিশুর প্রথম খাবার অবশ্যই শর্করা দিয়ে শুরু করা উচিত। যেমন নরম ভাত, আলু সেদ্ধ, হজমে সমস্যা না হলে ধীরে ধীরে ফল সেদ্ধ করে দেওয়াটা ভালো। যেমন: আপেল, গাজর, আঙুর, পাকা কলা, পাকা পেঁপে, সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়া, সুজি ইত্যাদি। শিশুর খাবার ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে বারডেম হাসপাতালের শিশুরোগ বিভাগের প্রধান তাহমিনা বেগম বলেন, ‘শিশুকে প্রতিদিন নতুন রান্না করা খাবার খাওয়াতে হবে। ফ্রিজে রাখা বা বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না। শিশুর খাবার খাওয়ানোর বাটি, চামচ ও যিনি খাওয়াবেন তাঁর হাত অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।’ শিশুকে ছয়-নয় মাস পর্যন্ত অন্য খাবার দিনে তিনবার খাওয়াতে হবে। শিশুকে নতুন খাবার দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, শরীরের কোথাও র‌্যাশ, বমি বা ঢেকুরের পরিমাণ বেশি হচ্ছে কি না। বাচ্চার কান্নার পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে গেছে বা পেট ফুলেছে, প্রস্রাব-পায়খানায় পরিবর্তন অনুভব করলে সেই খাবার বন্ধ করতে হবে। অবস্থা বেগতিক মনে হলে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

3258 views Answered

Related Questions

কিং রোট দিয়ে?
1 Answers 2631 Views

Next steps