2 Answers
জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট বা বয়স অনুযায়ী দ্রুত শ্বাস নিউমোনিয়ার লক্ষণ। আর শ্বাস নেয়ার সময় বুকের নিচের অংশ ভিতরে ঢুকে যাওয়া মারাত্মক নিউমোনিয়ার লক্ষণ। এ ছাড়া অস্থিরতা, অরুচি, বমি, বুকে বা পেটে ব্যথা, শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদিও থাকতে পারে। মারাত্মক পরিস্থিতিতে শ্বাসকষ্টের কারণে শিশুর খিঁচুনি হতে পারে বা শিশু অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।
নিউমোনিয়ার লক্ষন গুলোর মধ্যে রয়েছে-, ১।সর্দি কাশি,২। ঘন ঘন শ্বাস নেয়া,৩। বুকের ছাটনা শ্বাস- প্রশ্বাসের সময় ডেবে যাওয়া৪।কাপুনি সহ তীব্র জর ৪। বমি ৫। মাঝে মধ্যে কিছুটা খয়েরি রঙের কফ সহ কাশি ও হতে পারে ৬। মাথা ব্যাথা ৭।বুকে এবং সমস্ত শরীরে ব্যথা ৮।রুচিহীনতা যার জন্য শিশু খেতে চাইবেনা।৯। খিঁচুনি ও হতে পারে। তবে কিছু জিনিশ লক্ষ করলে আমরা নিজেরাই শিশুর নিউমোনিয়া হয়েছে কিনা সেটা আর ও ভাল করে বুঝতে পারি যেমন ১। ঘড়ি দেখে শিশুর শ্বাস পরিমাপ করলে অর্থাৎ তার বুক কয়বার উঠানামা করছে - দু মাস বয়সের নিচে যাদের বয়স তাদের শ্বাস- প্রশ্বাসের গতি মিনিটে ৬০ বার বা তার বেশি, দু মাস থেকে ১২ মাস পর্যন্ত শিশুদের ৫০ বার বা তার বেশি এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ৪০ বার বা তার বেশি হলে আমরা বলি শিশু দ্রুত নিঃশ্বাস নিচ্ছে৷ ২।দেখুন বুকের নিচের অংশ শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে দেবে যাচ্ছে কিনা বা ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে কিনা৷ কাশি বা ঠান্ডার সঙ্গে যদি বুক দেবে যায় এবং শিশু দ্রুত নিঃশ্বাস নেয় তাহলে ধরে নিতে হবে শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত৷ নিউমোনিয়া হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন কারন এমন দেবে যাওয়া মারাত্মক নিউমোনিয়া ইঙ্গিত করে। ৩। নাকের দুপাশের চামড়া শ্বাস নেয়ার সময় চেপে যাবে।৪ শ্বাস নেয়ার সময় শাই শাই শব্দ হবে। ৫। দেহের রঙ ধূসর হয়ে যাবে। এমন কোন লক্ষন দেখা দিলে অতিসত্বর ডাঃ এর সাথে যোগাযোগ করা উচিত। ধন্যবাদ।