6 Answers
সবসময় মাথা ব্যাথা এটি মোটেও ভালো লক্ষন না। দেরী করে ঘুম থেকে উঠা অথবা অতিরিক্ত কফি পানই সবসময় মাথা ব্যাথার মূল কারণ। এছাড়া দুশ্চিন্তা ও মাইগ্রেন শতকরা ৯০ ভাগ মাথা ব্যথার জন্য দায়ী। তাই দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
আপনি নিচের নিয়ম দুটি ট্রাই করে দেখুন উপকার পাবেন।তবে এ বিষয়ে অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে একটি লেবু বা অর্ধেক মাল্টা চিপে আধা চামচ লবণ মিশিয়ে খুব ধীরে ধীরে পান করলে উপকার পাবে। আর আপনি যখন কিছু খাবেন না, মানে যখন মুখে কিছু থাকবে না তখন একটা লবঙ্গ চুষতে থাকুন মাথা ধরা কমবে।
কিছু প্রাকৃতিক উপায় পানি আপনার মাথা ব্যথা যদি হয়ে থাকে পানিশূন্যতার জন্য তাহলে সহজেই আপনি মাথা ব্যথা সারিয়ে তুলতে পারবেন। ১। একগ্লাস পানি পান করে নিন যখন আপনার মাথা ব্যথা সাধারণ পর্যায়ে থাকবে। এরপর ধীরে ধীরে অল্প করে পানি পান করুন। ২। যখন আপনার মাথা ব্যথা করবে তখন যেকোন কোমল পানীয় খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। লেবু মাথা ব্যথার জন্য লেবু খুব উপকারী এবং লেবু দেহের এসিড-এলকালাইন (acid-alkaline ) এর মাত্রা ঠিক রাখে। ১। মাথা ব্যথার সময় কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নিন। পেটে গ্যাসের সমস্যা হলেও অনেক সময় মাথা ব্যথা করে থাকে। ২। লেবুর খোসা গ্রেট করে পেস্ট বানিয়ে নিন ও ব্যথার আক্রান্ত স্থানে দিন দেখবেন কিছুক্ষণ পরেই ব্যথা কমে যাবে। পুদিনা পাতা মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতা ব্যবহার করেই দেখুন খুব দ্রুত মাথা ব্যথা কমে যাবে। ১। পুদিনা পাতা দিয়ে চা তৈরি করুন। পানি বয়েল হয়ে গেলে নামিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। তারপর মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। ২। মাথা ব্যথা সারাতে আপনি পুদিনার পাতার তেল ব্যবহার করতে পারেন। ঘাড়ে, মাথায় ম্যাসাজ করুন ব্যথা কমে যাবে। ৩। মাথা ব্যথার সময় যে বমি বমি ভাব বা বমি হয় তখন পুদিনা পাতা খেতে পারেন।
*** চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় মাথাব্যথা বলতে আমাদের মাথা, গলা এবং মেনিঞ্জেস-এর বিভিন্ন স্নায়ু এবং পেশীতে অনুভূত ব্যথাকে বোঝায়। মাথাব্যথাকে আবার চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ দুই ভাগে ভাগ করেছেন- প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারী।Primary Headache: এই শ্রেণীর মাথাব্যথার মূলত তিনটি কারণ রয়েছেঃ(১) মাইগ্রেনঃ ‘মাইগ্রেন’ ।(২) দুশ্চিন্তা জাতিয় (৩) ক্লাস্টারঃ এ ধরণের মাথাব্যথাগুলো সাধারণত কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস ধরে নিজেদের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে চলে। এদের উৎপত্তিও মাথার যেকোন এক পাশেই হয়ে থাকেএছাড়া আমাদের মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহের ফলেও প্রাইমারী টাইপের মাথাব্যথা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে ক্যাফেইন আমাদের মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এখন কারো যদি নিয়মিত ক্যাফেইন নেবার অভ্যাস থাকে আর সে হঠাৎ করেই সেটা বন্ধ করে দেয় তবে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত প্রবাহের ফলে তার মাথাব্যথা হয়ে থাকে।Secondary Headche: এই শ্রেণীর মাথাব্যথাগুলো মূলত ইনফেকশন,জ্বর, মাথায় আঘাত, হাইপোগ্লাইকেমিয়া, টিউমার ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।মাথাব্যথা যে শ্রেণীরই হোক না কেন তা যদি মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে তবে আমাদের উচিতকোন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া। কারণ অনেক সময় দেখা যায় খুব ছোট কোন রোগও আসলেবড় কোন রোগকে ডেকে নিয়ে আসে।( সাম্প্রতিককালে মেডিকেল গবেষকরা বিশ্বাস করেন, যে সকল মাথা ব্যাথা হয় মানসিক চিন্তা/টেনশান থেকে সে সকল মাথা ব্যাথার কারণ হল- মাথা ও ঘাড়ের পেশিগুলো পরস্পরের সংস্পর্শে চলে আসে এবং মস্তিষ্ক ও কপালের সম্মুখভাগ এর রক্তনালী গুলোরপ্রসারণ ঘটে, যার ফলাফল স্বরূপ এই প্রচণ্ড মাথা ব্যাথা হয়। ধারণা করা হত যে রক্তনালীর সংকোচন, যার কারনে মাথায় ও চোখে রক্ত সরবরাহ কমিয়ে দেয়, ফলে মাথা-ব্যথা হয়। এসকল মতবাদ চিকিৎসক ও রোগী উভয় এরই নিকট আগে প্রচলিত ছিলে এবং এটাই মনে করা হত মাথা ব্যাথার কারন নির্নয় এর উপায়. এই নালীসম্বন্ধীয় তত্ত্ব আরো অনেক মাথা-ব্যাথা সম্পর্কিত বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। যেমন- মাথা ব্যাথার আগে ও পরে মানসিক অবস্থার ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায় এবং মাথা ব্যাথার সময় যে বিতৃষ্ণাবোধ জাগে ও বমি হয়।– কি ভাবে শুরু ঃ আমাদের ব্রেইন, স্নায়ুর সাথে কিছু রাসায়নিক বস্তুর মাধ্যমে যোগাযোগ করে যেগুলোকে বলা হয় নিউরোট্রান্সমিটার। স্নায়বিক সিস্টেম এর কার্যাবলীর জন্য এইসব নিউরোট্রান্সমিটার অত্যাবশ্যক। যেমন- পেশী সংকোচন, ইন্দ্রিয়সমূহের উপলব্ধির ক্ষমতা, চিন্তা-ভাবনা, মানসিক অবস্থা, এবং সচেতনতা ইত্যাদি।কিন্তু কোন একক নিউরোট্রান্সমিটার এইসব কার্যাবলী নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা. অধিকন্তু প্রতিটি নিউরোট্রান্সমিটার মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বহু-সংখ্যক বৈশিষ্টপূর্ন কার্যাবলীতে ভূমিকা পালন করে- যেমন মাথা ব্যাথার জন্য স্বতন্ত্র একটি নিউরোট্রান্সমিটার , ‘’সেরোটিন’’ এর পরিবর্তন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। সেরোটিন সাধারণত ঘুম, মনমর্জি/মানসিক অবস্থা,রক্তকনিকার সংকোচন ও প্রসারন ক্ষমতা এবং মাংসপেশীগুলোর সংকোচন (যেমন অন্ত্র) এর ক্ষতি করার জন্য পরিচিত। অধিকন্তু এটা অন্য আরেকটি নিউরোট্রান্সমিটার ‘’সাবস্ট্যান্স-পি’’ এর পরিবর্তন নিয়ন্ত্রন করে।এর ফলে আমাদের শরীর ফুলে যায় তরল জমা হওয়ার কারনে।জ্বালাপোড়া ও দাহজনক রাসায়নিক পদার্থ যেমন-ব্রাডিকাইনিন এর মুক্তির জন্য ব্যাথা পরিবাহী স্নায়ুগুলোকে জেগে উঠে। একই সময়,সাবস্ট্যান্স-পি হল ব্যাথা প্রশমনকারী জিনিসগুলোর মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী ব্যাথা প্রশমনকারী। এর উপস্থিতিতে ব্যাথা পরিবাহী স্নায়ুগুলোকে সংবেদনশীল করে তোলে। এটা ধারণা দেয় যে দু’ধরনের তত্ত্ব আছে মাথা-ব্যাথার-যাইহোক সাবস্ট্যান্স-পি এবং ব্রাডিকাইনিন এর কার্যকরী ভূমিকায় ব্যাথার সংবেদনশীলতা খুব বেড়ে যায়। )মাথাব্যথাকে আবার চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ দুই ভাগে ভাগ করেছেন- প্রাইমারী এবং সেকেন্ডারী।Primary Headache: এই শ্রেণীর মাথাব্যথার মূলত তিনটি কারণ রয়েছেঃ(১) মাইগ্রেনঃ ‘মাইগ্রেন’ নামক শব্দটির সাথে পরিচয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। যার হয় সেই কেবল বোঝে এই ব্যথার তীব্রতা কতটুকু। আমাদের সেরেব্রাল কর্টেক্সের বিভিন্ন অংশে রক্ত প্রবাহ কমে যাওয়াই মূলত এর জন্য দায়ী। মাইগ্রেনের উপসর্গের মধ্যে রয়েছে আলো ও গোলমালের প্রতি সংবেদনশীলতা, বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি বিতৃষ্ণাবোধ, বমি হওয়া এবং মাথার কোনো এক পাশে তীব্র ব্যথা অনুভূত হওয়া।(২) দুশ্চিন্তাঃ আমাদের মাথা এবং গলার বিভিন্ন পেশীতে অতিরিক্ত স্ট্রেসের ফলে অথবা আবেগিক নানা কারণে দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা হয়ে থাকে। এই ধরণের মাথাব্যথাগুলোর সময় মাথায় এক ধরণের ঝিম ধরা অনুভূতি হয় এবং সেই সাথে মাথার দু’পাশেই তীব্র ব্যথা হতে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ মনে করে থাকেন যে এর সাথে হয়তো মাইগ্রেনের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।(৩) ক্লাস্টারঃ এ ধরণের মাথাব্যথাগুলো সাধারণত কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস ধরে নিজেদের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে চলে। এদের উৎপত্তিও মাথার যেকোন এক পাশেই হয়ে থাকে। ক্লাস্টার টাইপের মাথাব্যথার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা না গেলেও ধারণা করা হয়ে থাকে রক্ত প্রবাহের পরিবর্তনের ফলেই এর উৎপত্তি। কারণ অ্যালকোহলের মতো যেসব উপাদান রক্ত প্রবাহকে প্রভাবিত করে তারা এই ধরণের মাথাব্যথার ক্ষেত্রে আরোউত্তেজক ভূমিকা পালন করে থাকে।এছাড়া আমাদের মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহের ফলেও প্রাইমারী টাইপের মাথাব্যথা হয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে ক্যাফেইন আমাদের মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এখন কারো যদি নিয়মিত ক্যাফেইন নেবার অভ্যাস থাকে আর সে হঠাৎ করেই সেটা বন্ধ করে দেয় তবে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত প্রবাহের ফলে তার মাথাব্যথা হয়ে থাকে।Secondary Headche: এই শ্রেণীর মাথাব্যথাগুলো মূলত ইনফেকশন,জ্বর, মাথায় আঘাত, হাইপোগ্লাইকেমিয়া, টিউমার ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে।টেনশনাল হেডেক বা দুশ্চিন্তা জনিত মাথাব্যথা ( Tension Headaches )আমাদের মাথা এবং গলার বিভিন্ন পেশীতে অতিরিক্ত স্ট্রেসের ফলে অথবা আবেগিক জনিত নানা কারণে দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা হয়ে থাকে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীগণ মনে করে থাকেন যে এর সাথে হয়তো মাইগ্রেনের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।লক্ষণ ও উপসর্গ১–মাথা ব্যাথা এবং মাথার পিছনেব্যাথা আরম্ভ হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে ছড়িয়ে পরে –২– নিস্তেজ চাপ বা ঠেসে ধরার মত ব্যথা, প্রায়ই মাথার চারপাশে একটা সংকুচিত ব্যান্ড হিসাবে বর্ণনা৩– ঘাড়, কাঁধ, এবং চোয়াল মধ্যে পেশী টাইট অনুভব সহ পীড়া বা যন্ত্রণাদায়ক ব্যাতা বোধ করবে৪–এই ধরণের মাথাব্যথাগুলোর সময় মাথায় এক ধরণের ঝিম ধরা অনুভূতি হয় এবং সেইসাথে মাথার দু’পাশেই তীব্র ব্যথা অনুভুত হতে পারে –৫–ঘুম এবং আহারে ভিন্ন ধরনের অসুবিধা দেখা দিতে পারে৬–মাথা ব্যথা সপ্তাহব্যাপী বা মাসব্যাপী স্থায়ী হতে পারে বা ব্যথার তীব্রতা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তবে জ্বর আসবেনা –৭–মানসিক চাপে ব্যথা বাড়তে পারে। পুরুষ, মহিলা সমানভাবে আক্রান্ত হয় বর্তমানে কিছুটা মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায় তা ও অঞ্চল ও সমাজের উপর নির্ভর করে –কারণ :-গবেষকরা এখন ও পরিষ্কার ভাবে বলতে পারছেন না কেন টেন্সনাল হেডেক হয় . তারপর ও বিজ্ঞানীদের ধারনা , যখন কাঁধ, গলা, মাথার খুলি, এবং চোয়াল মধ্যে পেশী সমুহ সংকোচিত হয়ে সৃষ্টি হয়ে নিউরোট্র্রান্সমিটার (সেরোটোনিন সহ) নামক মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন, দ্বারা ঘটিত হয় . টাইট পেশী নিউরোট্র্রান্সমিটার পরিবর্তন ট্রিগার সাহায্য করতে পারে, অথবা টাইটনেসে কারনে মস্তিষ্ক রাসায়নিকের মাত্রা পরিবর্তন ফলে মাথা বেথার সৃষ্টি বলে অনেকের ধারনা( Researchers aren’t clear on exactly what causes a tension headache. For years, scientists thought that it was caused by tightening the muscles in your shoulders, neck, scalp, and jaw when you are tense. But new tests that measure muscle tension show that the muscles of people with tension headaches aren’t any tighter.Newer theories suggest tension headaches are caused by changes in brain chemicals called neurotransmitters (including serotonin), similar to what happens with a migraine. Scientists don’t know why the levels of neurotransmitters go up and down, but they think it activates pain pathways in the brain. Tightmuscles may help trigger the changes in neurotransmitters, or muscle tightness may be a result of changing levels of brainchemicals. )টেন্সনাল হেডেক যে যে কারনে বাড়তে পারে -Risk Factorsস্ট্রেস ( Stress ) – বিষণ্নতা ( Depression ) — উদ্বেগ (Anxiety ) (একটি কম্পিউটার ব্যবহার মত) একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য এক অবস্থানে আপনার মাথা কে স্থির বা চিন্তা যোক্ত করে রাখা — অস্বস্তিকর চাপ অবস্থান এবং / অথবা খারাপ অঙ্গবিন্যাস– শরিরের অনুপজোজগি অবস্থানে বা ঠান্ডা জায়গায় ঘুমানুর কারনে–চক্ষু রেটিনা প্রসারিত হলে ( Eye strain ) — ক্লান্তি ( Fatigue ) — কোন কিছুতে অতিরিক্ত মাতা খাটানো (Overexertion ) — কোন প্রিয় খাবার হটাত পরিত্যাগ করায় — আঘাতের পর ( মাথা বা ঘাড় আঘাত ) — চোয়াল clenching বা দাঁতের মাড়ির যে কোন অসুবিধায় (bruxism)–মাথাব্যাথার কাজ করে এমন কিছু কিছু ঔষধ ছেড়ে দিলে — বাত–কিছু কিছু খাবার বা খাদ্য additives এছাড়াও (পুষ্টি এবং খাদ্যতালিকাগত খাবার বাদ পড়লে ) কিছু কিছু মানুষের জন্য একটি ট্রিগার হতে পারে– সাইনাস অন্যান্য অঞ্চল থেকে উত্পন্ন অসুখের কারনে — ( sainusaitis ) — মহিলাদের মাসিকের সময়কালে বা মেনোপজ এ ইস্ট্রজেন মাত্রা পরিবর্তন হলে — Premenstrual সিন্ড্রোমে — পুরাতন অধিককাজের জামেলা–ঘুম খুব বেশী বা খুব সামান্য ঘুম হলে– এলকোহল বা ড্রাগ ব্যবহার– ইত্যাদি —ডায়াগনোসিস ঃ– অবশ্যই আপনার ডাক্তার migraines অন্যান্য মাথাব্যথা, থেকে দুশ্চিন্তা জনিত মাথাব্যাথা পার্থক্য করার জন্য একটি বিস্তারিত ইতিহাস নিতে পারেন-. এ সময় আপনার ডাক্তার আপনার মাথাব্যাথা ঘটলে এ সম্পর্কে যে যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন ,সময় কতদিন, তারা শেষ, তারা আসা কিভাবে, ঘন ঘন কি না, ব্যথা অবস্থান, এবং মাথাব্যাথা সহগমন যে কোনো উপসর্গ. আবার ইউ কে তে এর জন্য ডাক্তার রা – মাথাব্যাথা সম্পর্কে একটি দিনলিপি কর এনালাইসিস করেন কারন হটাত করে অনেক সময় কনফার্ম হওয়া যায় না টেন্সনাল হেডেক কি না – যেহেতু মেডিক্যাল সাইন্স একটি বাস্তব সম্মত বিজ্ঞান সে জন্য অনুরোধ থাকবে যে সকল দেশে ডায়েরি সিস্টেম করা হয়না করা হয়না সে সব দেশে নিজে নিজে করে নেওার জন্য – তখন আপনার কোন ধরনের মাথা বেথা তা বুজতে অনেক সুবিধা হবে সকলের জন্য — এর পর আপনার চিকিৎসক , মাথা, গলা, চোখ, সাইনাস এবং স্নায়ু ইত্যাদি এক এক করে পরীক্ষা অরে দেখতে পারেন এবং তখন ঘাড় এবং মাথা স্বীকৃত যে কোন প্রস্ন আসলে আপনি মনে করে অবশ্যই বলা উচিৎ –প্যাথলজিক্যাল কিছু পরিক্ষার দরকার হতে পারে যদি রোগের কারন পরিষ্কার না হয় –সিটি স্ক্যান -এমআরআই- Electroencephalogram (EEG), X-ray of the neck to look for arthritisor spinal problems; x-ray of the sinuses tolook for sinusitisচিকিৎসা ও লাইফস্টাইল পদ্ধতি ঃ–শুরুতেই বলে নেই — বিনোদন , ব্যায়াম এবং অন্যান্য জীবনধারা পরিবর্তন , এবং অনিয়মিত ওষুধ সহ ব্যাপক চিকিৎসার ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন করলে এ জাতিয় মাথাব্যাথার তীব্রতা কমানোর জন্য খুবই কার্যকরী হতে পারে – অনুরোধ থাকবে অভ্যাস গত মাতা বেতার ঔষধ না খাওয়ার জন্য এবং চেস্টা করবেন নেচারেলি যাতে মাথারবেথা কমে সেই বেবস্তা করার –অথবা Mind-Body Medicine বা বায়োফিডব্যাক-মেডিটেশন গভীরভাবে শ্বাস ফেলা, অথবা যেমন যোগব্যায়াম বা হিপনোথেরাপি অন্যান্য শিথিলকরণ ব্যায়াম, চেষ্টা করতে শিখুন. মাথা, ঘাড়, এর পেশির উপর এবং আপনার অঙ্গবিন্যাস বেশ ভাল ফল দায়ক – বিশেষ করে নিয়মিত ব্যায়াম, খুব সাহায্য করে.লাইফস্টাইলঃ-যেমন –এই অসুখের জন্য ডায়েরি করে রাখা খুভি ভাল । অবশ্যই নিজে নিজে অথবা আপনার ঘনিস্ট প্রিয়জনকে দিয়ে করাতে পারেন – যেমন = আপনার দুশ্চিন্তা জনিত মাথাব্যাথা উৎস এবং কিভাবে আপনি তাদের এড়াতে আপনার পরিবেশ ও অভ্যাসের পরিবর্তন করতে পারেন তা সনাক্ত করতে সাহায্য করে . মাথা ব্যাথা আরম্ভ হলে, এটি শুরু তারিখ এবং সময় লিখুন. আপনি আগে রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন কিভাবে বা কতদিন থেকে , আপনি পূর্ববর্তী 24 ঘন্টার জন্য কি উল্লেখ্য , আপনআর মাথা ব্যাথার আগে কী করছিলেন, আপনার জীবনে কোন অস্বাভাবিক চাপ, মাথা ব্যাথা চলেছিল, এবং আপনি কি এটিকে থামাতে চেস্টা করেছেন বা কিভাবে ইত্যাদি তার পর মোট ২১ দিনেরহিসাব মিলয়ে দেখলে কারন বাহির হয়ে আসআর কথা .নিম্নে বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ সংযোক্ত করে দিলাম ঃ-দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা, টেনশন এসব মনের ওপরে চাপ ফেলে। সারাক্ষণ মানসিক অস্থিরতার মাঝে থাকলে মাথা ব্যথা হবেই, এটা স্বাভাবিক। দুশ্চিন্তা কমাতে হবে, পেশাগত মানসিক চাপ ঘরে বয়ে আনা যাবে না। মনকে বিশ্রাম দিন, ঘরে ফিরে মাথা থেকেকাজের কথা বাদ দিয়ে একান্ত কিছু সময় কাটান।বিশ্রাম নিন পর্যাপ্ত। গবেষকেরা দেখেছেন ঠিকমতো ঘুম না হলে অনেকেরই মাথায় ব্যথা হতে পারে। কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা ঘুম দরকার পূর্ণবয়স্ক মানুষের। কম ঘুমানো, ঘুমের মাঝে বাধা, সাউন্ড স্লিপ না হওয়া থেকে বাঁচতে কিছু ব্যবস্থা নিন। ঘুমের আগে ভারি কাজ করবেন না, ঠাণ্ডা পানিতে শরীর ধুয়ে ফেলুন, স্নিগ্ধ মনে বিছানায় যান। অন্ধকার শব্দহীন ঘরে একটা আরামের ঘুম দিন, পরের দিন মাথা ধরা থাকবে না।কিছু খাবারের বদনাম রয়েছে মাথাব্যথার প্রভাবক হিসেবে। এসব খাবারের মাঝে চা, কফি, অ্যালকোহল উল্লেখযোগ্য। চা কফিতে অভ্যস্ত থাকলেও মাত্রাতিরিক্ত পান করবেন না। দিনে এক বা দুই কাপই যথেষ্ট।মাথা মালিশে আরাম পান সকলেই। দেখা গিয়েছে মাথাব্যথায় কোমল হাতে কপালে, মাথায়, ঘাড়ে হাল্কা মালিশ দারুন কাজ করে। আপনার সঙ্গীকে বলুন মাথা টিপে দিতে।দেখবেন অনেকটা ভালো লাগবে।অনেকের উচ্চ শব্দ, যানবাহনের তীব্র হর্ন, ভিড়বাট্টা, উজ্জ্বল আলো, দীর্ঘ ভ্রমণেমাথায় ব্যথা হয় । সাধারনত মাইগ্রেনের সমস্যায় এমন হয়। একটু সাবধান থাকলেই এসব সমস্যা এড়িয়ে চলতে পারেন। জোরে গান শোনা বাদ দিন। চেস্টা করুন কষ্টকর ভ্রমণ থেকে দূরে থাকতে তবে ঢাকা শহরের মতো কোলাহল মুখর শহরে চাইলেও শব্দ, ট্রাফিক জ্যামের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া কস্টকর।সিগারেটের ব্যাপক ভূমিকা পেয়েছেন গবেষকেরা মাইগ্রেনের ব্যাথার পেছনে। যারা নিয়মিত ধুমপানে আসক্ত ও তাদের আশে পাশে যারা থাকেন তাদের মাথাব্যাথা বেশি হয়।তাই ধূমপান ও ধূমপায়ী থেকে দূরে থাকুন।কেউ কেউ মাথা ব্যথা আরম্ভ হলে ঘাড়ের পেছনে ঠাণ্ডা পানি বা বরফের টুকরা লাগান। এটা অনেক সময় কাজ করে। অজু করুন। অজু করলে মাথা ও ঘাড় ঠাণ্ডা পানির স্পর্শে ব্যথা উপশমে সাহায্য করবে।পছন্দের গান শুনতে পারেন যা মনকে শান্ত করবে। ক্লাসিকাল মিউজিক যেমন রাগপ্রধান গান বা যন্ত্রসঙ্গীত শুনতে পারেন-তবে চোখকে বিশ্রাম দিন। চোখ বন্ধ করে উপভোগ করুন বিটোভেন, মোজার্টের মতো কম্পোসারের সৃষ্টিগুলো।যোগব্যায়াম অনেক ভালো কাজে দেয় এ ব্যাপারে। যারা নিয়মিত যোগ ব্যায়ামের মাঝেথাকেন তারা ব্যথায় আক্রান্ত হন কম। লম্বা করে গভীর শ্বাস নিন, আস্তে করে ছেড়েদিন। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নিন, ছেড়ে দিন। ধীরে ধীরে এমন শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে সাথে মন শান্ত হয়ে আসে, সাথে মাথাব্যথাও কমতে থাকে। চাইনিজ পদ্ধতি আকুপ্রেশার বা আকুপাংচার করেন কেউ কেউ, এটা অনেকের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।যারা সবসময় কম্পিউটারের মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকেন বা অনেক সময় ধরে টিভি দেখেন তাদের মাথাব্যাথা হতেই পারে বার বার। চশমা ব্যবহার করে থাকেন যদি তাহলে এন্টিগ্লার গ্লাস বা রিফ্লেক্টিভ গ্লাস নিন। এটা সাধারণ চশমা থেকে অধিক পরিমাণেআলো চোখে পড়তে বাধা দেয়, ফলে চোখ আরামে থাকে, আপনিও আরামে থাকেন। টানা একনাগাড়ে মনিটর, টিভির দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। মাঝ মাঝে বিরতি নিন, উঠে পড়ুন,চোখে পানির ঝাপটা দিয়ে আসুন। যারা টানা বই পড়ে তাদের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য।খাবার খেতে যারা অনিয়ম করে তাদের মাইগ্রেনের সমস্যা বেশি হয়। প্রধান তিনবেলারআহার বাদ দেয়া ঠিক হবে না। পেটে ক্ষুধা নিয়ে কাজ করলে সহজেই মাথাব্যথা হয়। খাবারে পাবেন কাজ করার শক্তি। শক্তি না পেলে মস্তিস্ক দুর্বল হয়ে ব্যথার উদ্রেক করে। তাই খাবারে অবহেলা চলবে না। ইত্যাদিনতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে নিচের কিছু খাবার ও অনেকের মস্তিষ্কের সেরোটেনিন বাড়িয়ে দেয় , তাই কিছু কিছু কেত্রে টেনশনাল হেডেক বাড়তে পারে বলে অনেকের ধারনা -যেমন, চকলেট,পনির,রেড ওয়াইন, পনির বয়স, , মুরগির livers, ডুমুর, এবং কিছুমটরশুটি, ধূমপান,বাদাম,চিনাবাদাম মাখন,আভাকাডো, ও লেবু জাতীয় কিছু ফল,পেঁয়াজ, দুগ্ধজাত ও নাইট্রেট ধারণকারী meats – বেকন, Fermented বা জরা খাবার এবং ক্যাফিন ধারণকারী পানীয় জাতিয় ড্রিঙ্ক )বর্তমানে মেডিকেশন হিসাবে যে সকল ঔষধ ব্যাবহার করা হয় ঃ-মেডিকেশন হিসাবে ব্যথাউপশম করা এবং যদি দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যাথা থাকে তাহলে মাথাব্যাথা প্রতিরোধ করতেদু ধরনের ঔষধ ব্যবহার করেন চিকিৎসকরা –১- To relieve pain ( ব্যথা উপশম করার জন্য ) ডাক্তার রা যে সকল ঔষধ ব্যাবহার করেন Acetaminophen (Tylenol) — ( সাইড এপেক্ট কি হতে পারে can cause liver damage if used in high doses or over a long period of time–)Aspirin — ( সাইড এপেক্ট কি হতে পারে- can cause stomach upset and bleeding )Ibuprofen (Advil, Motrin) — ( সাইড এপেক্ট কি হতে পারে – can cause stomach upset and bleeding,and raise risk of heart problems )Naproxen (Aleve) — ( সাইড এপেক্ট কি হতে পারে , can cause stomach upset and bleeding, and raise risk of heart problems )কোন কোন সময় কম্বিনিসেশন হিসাবে ব্যাবহার করে থাকেন তবে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের উপদেশ ছাড়া কোন অবস্তাতেই দীর্ঘ দিন ব্যাবহার সম্পূর্ণ নিষেধ – A combination of acetaminophen, aspirin, and caffeine (Excedrin, other brands) — can cause liver damage if use in high doses or over a long period of time; may increase the risk of bleeding২- ডাক্তার রা প্রেসক্রিপশন analgesics – হিসাবে ব্যাবহার করে থাকেন যদি মাথাব্যাথা OTC ঔষধ সাড়া না মিললে তখন যা সংযোগক্ত করতে হতে পারে . তাদের মধ্যে রয়েছে– Naproxen (Naprosyn) — ( সাইড এপেক্ট যা হতে পারে –can cause stomach upset and bleeding, and raise risk of heart problems )Indomethacin (Indocin) — সাইড এপেক্ট যা হতে পারে – can cause stomach upset and bleeding, and raise risk of heart problems)Piroxicam (Feldene) — সাইড এপেক্ট যা হতে পারে can cause stomach upset and bleeding, and raise risk of heart problems )এরপর ও যদি ভাল রিজাল্ড না মিলে তখন চিকিৎসকরা সাথে ঃ Tricyclic অ্যন্টিডিপ্রেসেন্টস – Tricyclic অ্যন্টিডিপ্রেসেন্টস migraines এবং দুশ্চিন্তা জনিত মাথাব্যাথআর জন্য , সব ধরণের প্রতিরোধ সহায়ক হয়. -তবে মনে রাখবেন এগুলি স্নায়ুকে নিস্তেজ করে রাখার ঔষধ যার ভবিষ্যৎ পরিনিতি মস্তিষ্কের সৃতি শক্তির জন্য খুভি খারাপ – Tricyclic অ্যন্টিডিপ্রেসেন্টস মধ্যে রয়েছে Amitriptyline (Elavil)–Nortriptyline (Pamelor)–Doxepin (Sinequan)–Imipramine (Tofranil) ইত্যাদিসিলেক্টিভ সেরোটোনিন ইনহিবিটারস (SSRIs) reuptake – মাথাব্যাথাপ্রতিরোধ tricyclics হিসেবে কাজ নাও করতে পারে যে তখন ডায়রেক্ট কিছু antidepressant ড্রাগস ব্যাবহার করে থাকেন , এবং ে গুলো কম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যোক্ত . তাদের মধ্যে রয়েছে:Fluoxetine (Prozac)–Paroxetine (Paxil)–Citalopram (Celexa)–সারট্রালিন (Zoloft) ইত্যাদিনতুন নতুন কিছু ঔষধ ( Anticonvulsant ) বাজারে এসেছে যদিও, কিন্তু গবেষকরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত নন – তারপর ও migraines এবং এনেগসিটি জাতিয় মাথাব্যাথায় ভাল ফল দিতেছে যা –Divalproex সোডিয়াম (Depakote)–Gabapentin (Neurontin)– টোপিরামেট (টোপাম্যাক্স) ইত্যাদি ( উপরে এনালজেসিক ঔষধ ছাড়া অন্যান্য ঔষধ আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যাবহার করলে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্বাভনাই বেশি – তাই নিজের ইছছায় ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে এনে খাবেন না )Investigational Drugs নতুন ভাবে অনোমুদিত — ( আপনার চিকিৎসক কে বলে দেখতে পারেন আপনার জন্য ঠিক কি না )Tizanidine. Tizanidine (Zanaflex) is a muscle relaxant that is being studied as a possible preventive drug for chronic tension-type headaches.Botulinum Toxin. Botulinum toxin A (Botox) injections are now widely used to relax muscles and reduce skin wrinkles. Botox is also becoming popular as a treatment for chronic daily headaches, which include tension-type headache. However, at present there is little scientific evidence to support its use. Botox is not approved for headache treatment.Nitric Oxide Synthase Inhibitors. Nitric oxide synthase inhibitors block nitric oxide, which may play a role in increasing nerve activity that leads to headache. Drugs are currently being investigated in clinical trials for migraine treatment, and may also be studied for tensionhttp://health.nytimes.com/health/guides/disease/tension-headache/print.html5 hydroxytryptophan (5 HTP, 400 – প্রতিদিন 600 মিলিগ্রাম) – শরীরের অ্যামিনো অ্যাসিড 5 HTP সেরোটোনিন কে কনভার্ট করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে বিধায় . গবেষকরা মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তনের মাথাব্যথা, এবং সেরোটোনিন প্রভাবিত দ্বারা মাথাব্যাথা কাজচিকিত্সা ব্যবহৃত ওষুধের কিছু সাথে সম্পর্কিত হতে পারে মনে হয়. সে জন্য ইহা ব্যাবহার করতে পারেন আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারেহারবাল ( Herbal ) :-Peppermint (Mentha x piperita) — ( নতুন গবেষণায় ১০% টাইনেডল ঔষধের সমপরিমাণ কাজ করে ইহা নিশ্চিত বলা সম্বভ ) Peppermint oil, applied topically to the forehead, has shown some promise in very early studies. In onestudy, applying a 10% peppermint oil solution to the temples relieved pain about as well as acetaminophen (Tylenol).But more research needed to know for sure if peppermint oil is effective. Be careful not to get peppermint oil or any essential oil into the eyes. বা টাইগার Balm (কর্পূর,মেন্থল, Cassia তেল ও লবঙ্গ তেল সহ বিভিন্ন তেল রয়েছে) এ সব কিছুটা কাজ করে – এ ছাড়া ওয়েস্টার্ন হারবালিস্ট্রা প্রথা অনুসারে যদি ও Feverfew(Tanacetum parthenium, 50 – 80 mg per day) — বা Butterbur (Petasites hybridus, 50– 75 mg of a standardized extract 2 timesper day ব্যাবহার করিতেছেন কিন্তু পরিক্কা মুলক বা গবেশনা মুলক তেমন ফল নেই – এ ছাড়া কিছু নতুন হারবাল ঔষধ বাজারে বাহির হয়েছে, যেমন Adrenal stress cap 60 বা ঐ জাতিয় – ৩৮% ফল ভাল দেখা যাইতেছে –৭ টি ভাল সাজেশন দেখাইতেছেন টেন্সনাল হেডেকের জন্য ঃhttp://m.wikihow.com/Relieve-a-Tension-Headacheসবচেয়ে খুশির খবর আকুপাংচার টেনশনাল হেডেকের জন্য ভাল ফল দিতেছে, ইহা সবাই নিশ্চিত – তাই যদি মনে করেন আকুপাংচার করাবেন তা হলে অবশ্যই ধক্ষ বা অভিজ্ঞ চিকিৎসকের ধারা করানু উচিৎ বলে মনে করি —
এজন্য আপনাকে কয়েকটি কাজ করতে হবে- ১-একটানা কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কাজ করবেন না। মাঝে মাঝে চোখকে বিশ্রাম দিন। ২-প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। ৩-চিন্তা মুক্ত থাকুন। ৪-প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠার সময় একই রাখুন। ৫-হালকা ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত চলাচল ভাল হবে, ফলে মাথাব্যথা দূর হবে। ৬-কফি কিংবা চা পান করতে পারেন। চা ও কফিতে বিদ্যমান ক্যাফেইন মাথাব্যথার অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। ৭-লবঙ্গ গুঁড়ো করে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে নিয়ে ঘ্রাণ নিন। এতে মাথাব্যথা কমে যাবে। ৮-মাথা, কপাল ও ঘাড় ভালমতো ম্যাসাজ করুন। এতেও মাথাব্যথা দূর হবে। ৯. হালকা গরম পানিতে হাত-পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে। ফলে মাথাব্যথা কমে যাবে। ১০. প্রাণ খুলে হাসুন। ---কালেক্টেড!
সারিয়ে তুলুন অসহ্য মাথাব্যাথা ১) পালংশাক পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রিবোফ্লাভিন, এক ধরণের ভিটামিন বি যা মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যাথায় কাজে দেয়। ২) তৈলাক্ত মাছ তৈলাক্ত মাছ এবং সামুদ্রিক মাছে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড শরীরের জন্য ভীষণ উপকারি। এদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যের কারণে ব্যাথা কমে আসে।[wp_ad_camp_2] ৩) তরমুজ অনেক ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার কারণে মাথাব্যাথা বাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে পানি পান করা যেমন উপকারি, তেমনি শসা বা তরমুজের মতো পানিযুক্ত ফল ও সবজিও উপকারে আসে। শুধু তাই নয়, শরীরের জন্য দরকারি ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম সরবরাহ করে তরমুজ। দশ মিনিটে মাথাব্যাথা দূর ৪) আলু মাথাব্যাথার জন্য পটাসিয়াম বেশ উপকারি। কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকে আমরা জানি, কিন্তু আলুও এক্ষেত্রে কম যায় না। মাঝারী আকৃতির একটি সেদ্ধ আলুতে থাকে ৯২৬ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, যা একটি কলায় থাকা পটাসিয়ামের প্রায় দ্বিগুণ। ৫) ক্যাফেইন কফি বা চায়ের ক্যাফেইনে আসক্তি হয়ে যাবার ভয় থাকলেও, পরিমিত পরিমাণে ক্যাফেইন মাথাব্যাথা কমাতে কার্যকরী। অনেক মাথাব্যাথার ওষুধেই অল্প পরিমাণে ক্যাফেইন থাকে। তবে ক্যাফেইনের ওপর বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়লে সমস্যা, তখন ক্যাফেইন গ্রহণ ছেড়ে দিলে দেখা দিতে পারে মাথাব্যাথা। ৬) কাঠবাদাম কিছু কিছু গবেষণায় বলা হয় ম্যাগনেসিয়াম মাথাব্যাথার জন্য ভালো, যদিও এ ব্যাপারে শক্ত প্রমান নেই। ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উৎস হতে পারে কাঠবাদাম। মাথা ব্যথার সমস্যা অনেকেরই আছে, কারো মাইগ্রেন আবার কারো এমনিতেই। এই ব্যথা হুট করে শুরু হয়ে যায় এবং এতোটাই তীব্র যে কোনো কাজই ঠিক মত করা যায় না। মাথা ব্যথা কখনো মাথার এক পাশে আবার কখনো উভয় পাশেই প্রচন্ড চাপ অনুভূত হয়ে ব্যথা হয়। অনেকে দুচোখে ঝাপসা দেখে থাকেন এই সময়। মাথা ব্যথার, বিশেষ করে মাইগ্রেনের ব্যথার কোনো স্থায়ী উপশম নেই। তবে ব্যথা শুরু হওয়ার পর তা দ্রুত দূর করার জন্য করতে পারেন বিশেষ কিছু কাজ। আদা চিবোন এবং আদা চা পান করুন আদায় রয়েছে ‘প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন সিনথেসিস’ যা অ্যাসপিরিন এবং ব্যথানাশক ঔষধে ব্যবহার করা হয়। তাই মাথা ব্যথা শুরু হওয়া মাত্র আদা ছিলে নিয়ে চিবনো শুরু করুন। এতে ব্যথা উপশম হবে দ্রুত। এছাড়া এক কাপ পানিতে আদা সামান্য ছেঁচে নিয়ে ফুটিয়ে সামান্য মধু দিয়ে পান করতে পারেন আদা চা। এতেও দূর হবে মাথা ব্যথা দ্রুত। পিপারমিন্ট অয়েল ম্যাসাজ করুন বাজারে পিপারমিন্ট অয়েল কিনতে পাওয়া যায়। যারা মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা পিপারমিন্ট অয়েল হাতের নাগালে রাখতে পারেন। এছাড়া বাসায় তৈরি করতে পারেন পিপারমিন্ট অয়েল। কিছু তাজা পুদিনা পাতা ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে সামান্য পিষে নিন। এরপর এতে ১ কাপ অলিভ অয়েল কিংবা অ্যালমন্ড অয়েল দিয়ে রেখে দিন ২৪ ঘণ্টা। এরপর পুদিনা পাতা ছেঁকে তেল আলাদা করুন। এভাবে একই তেলে আবার একই ভাবে পুদিনা পাতা পিষে ২/৩ দিন একই পদ্ধতি পালন করুন। তৈরি হয়ে যাবে পিপারমিন্ট অয়েল। এই তেল দিয়ে মাথা ম্যাসাজ করলে মাথা ব্যথা দ্রুত দূর হয়। কাঠবাদাম বাদাম খান অনেকে মাথা ব্যথা শুরু হতেই ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে ফেলেন যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাই ঔষধ না খেলে বাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন। অনেক সময় মানসিক চাপের কারণে মাথা ব্যথা শুরু হয়ে যায়। তখন ব্যথা কমানোর জন্য একমুঠো বা দুইমুঠো কাঠবাদাম খান। কাঠবাদামে রয়েছে ‘স্যালিসিন’ যা ব্যথা উপশমে কাজ করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy