তালাকের পর করণীয়?
1 Answers
সূরাতালাকের ২নং আয়াতের দিকে লক্ষ্য করি । মহান আল্লাহ এরশাদ করেন , অর্থাৎ ‘অতঃপর তারা যখন তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে, তখন তাদেরকে যথোপযুক্ত পন্থায় রেখে দেবে অথবা যথোপযুক্ত পন্থায় ছেড়ে দেবে এবং তোমাদের মধ্য থেকে দু’জন নির্ভরযোগ্য লোককে সাক্ষী রাখবে। ’ (সূরা তালাক– ২) উল্লেখিত আয়াতে দেখা যাচ্ছে যে, ইদ্দতকালে পৌছলে স্ত্রীকে রাখাও যাবে অর্থাৎ স্বামী–স্ত্রীর মিল হলে রাখা যাবে অথবা মনের অমিল হলে তালাক দিবে তালাকের ক্ষেত্রে দুই জন সাক্ষী রাখতে হবে । অর্থাৎ একা একা তালাক তালাক উচ্চারণ করলে তালাক হবে না। আবার পুনরায় সংসার করতে হলেও দুই জন সাক্ষী রাখতে হবে । যদি কেউ বলে তালাকের জন্য কোন স্বাক্ষীর দরকার নেই, পুরুষ তালাক উচ্চারণ করলেই তালাক হবে । তবে তা সম্পূর্ণ কুরআন বিরোধী অর্থাৎ কুফুরী আকিদা । এবার সূরা তালাকের ৪নং আয়াতের দিকে লক্ষ্য করি । মহান আল্লাহ এরশাদ করেন , অর্থাৎ ‘তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের ঋতুবর্তী হওয়ার আশা নেই, তাদের ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস । আর যারা এখনও ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি, তাদেরও অনুরূপ ইদ্দতকাল হবে । গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত । যে আল্লাকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন । ’ (সূরা তালাক– ৪) এক্ষেত্রে তাদের পুনরায় বিয়ে করতে হবে এবিং নিম্নোক্ত বিষয় মেনে করতে হবে তালাকপ্রাপ্তা নারী তিন মাস অপেক্ষা করে অর্থাৎ চূড়ান্ত তালাকের পরে অন্য কোথাও বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে তাৎক্ষনিক তালাক ও তাৎক্ষনিক বিবাহ সম্পুর্ণ কুরআন বিরোধী তিন মাসের মধ্যে জরায়ুতে যা সৃষ্টি হয়েছে তথা গর্ভবতী হলে তা প্রকাশ পাবে তিন মাসের মধ্যে যদি সদ্ভাব রেখে চলতে চায় তবে পুনরায় সংসার করতে পারে তালাকের ব্যাপারে পুরুষদের যেমন অধিকার আছে নারীদের ক্ষেত্রেও অধিকার আছে।