2 Answers
পানি দিয়ে ভেসে আসা কোন জনগোষ্ঠীর নাম কিন্তু তাবলিগ নয়,যে সকল নব্য ইসলামী চিন্তাবিদ (?) ভাইয়েরা তাবলীগ জামাতের সমালোচনা শুরু করেছেন আপনারা আপনাদের চাইতে হাজার গুণ বেশী কুরআন ও হাদীসের ইলম অর্জন করেছেন এবং আপনাদের চাইতে ইসলামের জন্য হাজার গুণ বেশী খিদমত করেছেন নিরপেক্ষ মনে তাবলীগ জামাত সম্পর্কে তাদের মতামত পড়ে দেখবেন । এখনও একটি শতাব্দী পার হয়নি। অথচ এই অল্প সময়ের ব্যবধানে তাবলিগ জামাতের কার্যক্রম পৌঁছে গেছে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে। বিশ্ব মানচিত্রে এমন দেশ তো নয়ই; বরং এমন ভূখণ্ড পাওয়া দুষ্কর যেখানে ঈমানী এই নীরব আন্দোলন পৌঁছে যায়নি। এতো বিস্তৃত এবং এতে দ্রুত প্রসার লাভ করা কোনো আন্দোলনের নজির বিশ্বের ইতিহাসে দুর্লভ। এই সংক্ষিপ্ত সময়ের পথচলার এই ‘ঈমানী তাহরীক’ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিখ্যাত আলেম, মনীষীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, তাদের সোহবত-পরামর্শ লাভে ধন্য হয়েছে।
তাবলিগি আকিদা : বিশ্বব্যপী তাবলিগের দাওয়াত চলছে । তাবলিগের কল্যানে ও তাবলিগি ভাইদের চেষ্টা বা মুজাহিদের কারনে বিশ্বব্যপী মুসলিম হয়েছে ।
সঠিক আকীদা :” তোমার প্রতি যে কিতাব নাযিল করেছি তা বরকতময় – আল কুরআন” । আমার নবী(স) বরকতময় , তার কুরআনও বরকতময় । এই নবী (স) আর কুরআনের তেজ আর পাওয়ারেই বিশ্বব্যাপী ইসলামী প্রচার হয়েছে ।
প্রমান : ইলিয়াসের জন্মের আগেই ৫৭ টি মুসলিম দেশ ছিল । নবীর জীবিত থাকা অবস্থাতেই তার নিজস্ব তত্ত্বাবধানে চীন পর্যন্ত ইসলাম পৌছে যায় । আমরা তার তত্ত্বাধানেই মূলত মুসলমান হয়েছি ৯৯%। তখন জনসংখ্যা কম ছিল । মুসলিমরা সন্তান বেশী নেয় । ফলে ১৪০০ বছরের ব্যবধানে মুসলিম বেড়েছে । প্লাস মুসলিমদের আখলাক(চরিত্র) , মুসলিমদের জীবনবোধ ও আহলে বাইতের (নবীর বংশের) কুরবানি শাহজালাল ও শাহমুখদুমের মোজেজা ইত্যাদি, মুসলিম ব্যপকহারে জীবিকার উদ্দেশ্যে মাইগ্রেশন, ইত্যাদি ইত্যাদি । মুসলিম বাড়ার জন্যে দায়ী বরকতময় কুরআনের সিস্টেম । দেওবন্দের কোন আলেম নয় ।
উপসংহার: ইসলামের সিস্টেম ও আল্লাহর রহমত ও ইচ্ছাই দুনিয়াজুড়ে ইসলাম প্রচারের জন্যে দায়ী । আজকের যুগের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো সবাই ক্রেডিট নিতে শুরু করেছি ।অথচ কুরআনে বেশীরভাগ সুনাম করা হয়েছে একমাত্র নবী(স) ।কেয়ামত পর্যন্ত সারা দুনিয়ার মানুষের ইসলাম প্রচারে চেষ্টায় , মুজাহিদের কারনে মুসলিম হয়েছে ১% , নবীর তত্ত্বাবধানেই ৯৯% মুসলিম আমরা । মূল ইসলাম প্রচার করেছে নবী(স) জাকির নয় । মুহাম্মদ(স) রিসালাতের দায়িত্ব পালন করেছেন । কুরআনে আল্লাহ বারবার তারই নাম নিয়েছেন । আসুন আমরা এ বরকতের নবীর প্রতি দুরুদ প্রেরন করি ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy