2 Answers

মশার ঘ্রাণশক্তি খুব প্রখর। এরা মানুষের গায়ের গন্ধ ভালোভাবে শুঁকতে পারে। তা সে সুগন্ধ হোক অথবা দুর্গন্ধ। গন্ধ শুঁকেই শিকার পছন্দ করে মশা। ‘মশা পশুদের চেয়ে মানুষের গায়ে হুল ফোটাতে বেশি পছন্দ করে। এর কারণ মানুষের জিন ও গায়ের গন্ধ। মানুষের ত্বকে ‘সুলকাটন’ নামে এক ধরনের ক্যামিক্যাল থাকে, যা মশাকে আকর্ষণ করে।’ এ ছাড়া কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ ও অক্টেনল নামের এক ধরনের কেমিক্যালের কারণেও মশার আক্রমণের শিকার হয় মানুষ। যেসব মানুষ ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস ছাড়ে, যাদের ত্বকে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেশি, গর্ভবতী নারী এবং যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ তারাই মশাদের পছন্দের তালিকায় থাকে। এ ছাড়া যারা কড়া সুগন্ধী ব্যবহার করেন, বেশি ঘামেন এবং শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকে তাদেরও হুল ফোটাতে পছন্দ করে মশা।

3128 views

১) রক্তের গ্রুপ-মশা কামড় দেয় আমাদের রক্ত থেকে প্রোটিন খাবার জন্য। কারো কারো যেমন গরুর মাংসের চাইতে মুরগীর মাংস বেশি ভাল লাগে, তেমনি কিছু কিছু রক্তের টাইপকে মশা অন্য টাইপের চেয়ে বেশি পছন্দ করে।একখানি পরীক্ষায় দেখা গেছে ‘O গ্রুপ’ এর মানুষজনকে মশা ‘A গ্রুপ’ এর মানুষের চেয়ে দুইগুন বেশি পছন্দ করে।‘B গ্রুপ’ এর মানুষদেরকে মাঝামাঝি পছন্দ করে মশা সম্প্রদায়।কিন্তু ব্যাপার হল- মশা কিভাবেবোঝে কোন মানুষের কি রক্ত টাইপ? একজন কামড়িয়ে কি আরেকজনকে খবর দেয় যে-’ওই ব্যাটা জটিল জিনিস, খায়া আয়!’? হেহে, ব্যাপারটা মোটেই তেমন না। ৮৫ শতাংশ মানুষ তাদের ত্বকদিয়ে এমন রাসায়নিক নিঃসরণ করে যেটা দিয়ে বোঝা যায় রক্তের টাইপ টা কি। মশাও সেই অনুযায়ী বুঝে নেয়। আবার যেই ১৫ শতাংশ মানুষ কোন রাসায়নিক নিঃসরণ করেনা তাদের চেয়ে নিঃসরণ যারা করে তাদের কে মশা বেশি পছন্দ করে।‘টাইপ ও’ মশার পছন্দের রক্ত। ২) কার্বন ডাই অক্সাইড-আমরা যে নাক-মুখ দিয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়ি সেটা তো জানেনই। কাহিনি হল, মশারা ১৬৭ ফুট দূরত্ব থেকেও এই কার্বন ডাই অক্সাইডের গন্ধ বুঝতে পারে। এই কাজে তারা ম্যাক্সিলারি পাম্প নামক একটিঅঙ্গ ব্যবহার করে। সেইজন্য, যেইসব মানুষ বেশি পরিমান এই গ্যাস নিঃসরণ ঘটায় তারা বেশি মশা দিয়ে আকৃষ্ট হবেন। বিশেষ করে মোটা এবং আকারে বিশাল ব্যক্তিরা সাধারনের চেয়ে বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড ছাড়েন। এইজন্যই বাচ্চাদের চেয়ে বড়দেরকে মশা বেশি কামড়ায়। ছোটদের জন্য সুখবরইবটে!

3128 views

Related Questions