হাতের চামড়া উঠা কিভাব রোধ করব?
10 Answers
গরম পানির মধ্যে আধা চামচ শ্যাম্পু, একটু লবণ দিয়ে হাত হাত ডুবিয়ে রাখতে পারেন ১০-১৫ মিনিট। ব্রাশ দিয়ে এরপর হাত ঘষে নিন। মরা চামড়া উঠে যাবে।
মেহেদি পাতার বেটে হাতে দিলে চামড়া উঠা বন্ধ হবে। হাতের জন্য তিলের তেল, গ্লিসারিন ও গোলাপজল সমপরিমাণে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। তিলের তেলের পরিবর্তে জলপাইয়ের তেলও ব্যবহার করতে পারেন। সয়াবিন গুঁড়া হাত ও পায়ের জন্য খুবই ভালো। বাজার থেকে সয়াবিন কিনে কড়াইয়ে তেল দিয়ে হালকা আঁচে কিছুক্ষণ নেড়ে গুঁড়া করে সেটা দিয়ে হাত ধুতে পারেন। এটা পরিষ্কারের পাশাপাশি ময়েশ্চারাইজারের ভূমিকা রাখে। এভাবে হাত পরষ্কার রাখলে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গ্লিসারিন ব্যবহার করলে চামড়া উঠা বন্ধ করা যায়।
এর প্রতিরোধে যা করবেন :হাতের জন্য তিলের তেল, গ্লিসারিন ও গোলাপজল সমপরিমাণে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। তিলের তেলের পরিবর্তে জলপাইয়ের তেলও ব্যবহার করতে পারেন।
হাতে চামড়া ওঠা তেমন বড় কিছু নয় তবে দেখতে খারাপ দেখায়,আপনি হাতে অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত হেক্সাহাইড্রেট ( ড্রাইকেয়ার) ঔষুধ টি লাগান যা একধরনের বিশেষ লোশন হাত-পায়ে লাগালে হাতে পায়ের চামড়া উঠা একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে, দাম 220 টাকা এই ওষুধ টি ziska pharmaceutical Ltd এর
মানুষের ক্ষেত্রে এটা সবসময় চলমান একটা প্রক্রিয়া। ইনফ্যাক্ট প্রতি মিনিটেই আমরা প্রায় ৩০/৪০ হাজার স্কিন সেল হারাচ্ছি। গায়ের উপর যা দেখতে পাচ্ছেন, সেটা বেশিরভাগই আসলে মৃত চামড়া। এই মরা চামড়া নিয়েই আমাদের নায়িকা আর মডেল দের এত প্যা পোঁ । শীত কালে চামড়া ওঠা, বা হাত অতিরিক্ত ঘামা, এটা আসলে হরমোনাল সমস্যা। খুব বেশি চিকিৎসার কিছু নেই, কারন বিষয়টা সাময়িক। তবে যাদের অতিরিক্ত সমস্যা, তাদের জন্য হাত ও পায়ের পাতায় নির্দিষ্ট ভোল্টেজে ইলেক্ট্রিক শক সহ বিভিন্ন চিকিৎসার সুযোগ আছে। তবে সব গুলোই সময় সাপেক্ষ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ঝক্কির চেয়ে ২ মাস সহ্য করাই ভাল। তবে আরো ভাল বলতে পারবে স্কিন বিশেষজ্ঞরা।
এটি অতিরিক্ত সাবান ডিটারজেন্ট ব্যাবহারের কারনে হয়ে থাকে। পানি যদি ক্ষারীয় হয় তাহলেও এ সমস্যা হতে পারে। এ থেকে সাবধান হলেও আপনি মুক্তি পেতে পারেন।
আপনি কয়েকটা জবা ফুল হাতে নিয়ে ভালো করে সারা হাতে ঘসতে থাকুন।ঘসা শেষ হলে আধাঘন্টার মত রেখে দিন।তারপরে ধুয়ে ফেলুন।এভাবে দুই থেকে তিনদিন দিলেি আপনার এই সমস্যার সমাধান হবে এবং আপনি এটা থেকে মুক্তি পাবেন।
সবচেয়ে ভালো হবে আপনি হাতে সরিষার তেল দিবেন, হাত কখনো শুকনা হতে দিবেন না, অথবা পেট্রলিয়াম জেলী হাতে লাগান, তাহলেই সমাধান হবে।