আমকে সাহায্য(পরামর্শ) করলে ঋনী থাকবো?
6 Answers
আপনি খয়েক দিন আপনার সবচেয়ে পছন্দের যায়গায় ঘুরতে যেতে পারেন। কারন ভ্রমনের আনন্দ ও যায়গা দেখে আপনার তাদের কথা মনে থাকবে না। আপনার সবচেয়ে পছন্দের মানুষের সাথে কয়কদিন কাটান। এদুটি কাজ করলে আমার মনে হয় আপনি এথেকে মুক্তি পেতে পারেন।
একক চিন্তা এ আপনাকে এই ধরনের আসক্তি তে নিপতিত করেছে,এর থেকে মুক্তি পেতে আপনি কোন বিষয় বা ব্যাক্তি নিয়ে চিন্তা ছেড়ে দিন,নিজেকে কাজের মাঝে রাখুন,একাধিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত রাখুন,দেখবেন ওই কাজগুলো তখন আপনার ভাবনার জগৎ এ আসবে বার বার,আর আপনার ওই বড় ভাইটিকে যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
সবসময় বন্ধু বান্ধবের সাথে থাকুন একা থাকবেন না কারন একা থাকলে আপনাা এধরনের কথা আরো বেশি করে মনে পড়বে।হাসিখুসি থাকার চেষ্টা করুন।অবসর সময়ে মোবাইলে গেইম অথবা বই পড়ুন।আর অযথা সমান্য বিষয় নিয়ে চিন্তা করবেন না।
* দুঃচিন্তাকে প্রতিরোধ করার একমাত্র ওষুধ হল,নিজেকে সর্বক্ষন ব্যস্ত রাখা। মনটিকে ফাঁকা হতে দেবেন না।কাজে মগ্নহোন ,কাজে মনোযোগ দিন , কাজ শেষ হলে দেরী না করে আরেকটা কাজ শুরু করুন।এভাবেই ব্যস্থ রাখুন। * আমরা সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করব বৈকি গবেষনা করব ,কিন্তু দুশ্চিন্তা করব না। দুশ্চিন্তা আসলে অর্থহীন গোলক ধাঁধাঁ ব্যতীত আর কিছুই নয়। কিন্তু চিন্তা গতিশীল সৃষ্টিধর্মী,সুন্দর চিন্তা প্রতিভার বিকাশ ঘটায়,জীবন আলোকিত হয়। * এক দার্শনিক বলেছেনঃ আগামীর চিন্তা ত্যাগ কর ,কারন আগামীকালই তার ভার নেবে ।আজকের দিনেই করনিয় অনেক আছে। অবশ্যই কালকের চিন্তা করবেন ,কালকের জন্য সাবধানে পরিকল্পনাও করবেন,তবে কোন দুশ্চিন্তা নয়। * এপিকটোস বলেছেন- শরীর থেকে দুষিত রক্তবের করে দেবার চেয়ে খারাপ চিন্তা বের করে দেয়া খুব বেশী জরম্নরী। * শপেনহাওয়ার বলেছেনঃ আমাদের কি আছে সে কথা আমরা খুব কম ভাবি কি নেই তা নিয়ে যত দুশ্চিন্তা করি অধিকাংশ সময়। * আমরা সব সময় দুঃখের হিসাব করি - সুখের হিসাব করি না,আনন্দের হিসাব করি না। সুখে থাকার নিয়ম নীতিও মেনে চলি না। আমাদের উচিৎ দুঃখ কি পরিমান আছে তার হিসাব বাদ দিয়ে সুখ কি পরিমান আছে, আনন্দ কি পরিমান আছে , তার হিসাব কর। * দুশ্চিন্তা মানুষের মনোনিবেশের ক্ষমতা কেড়ে নেয় , যখন আমরা দুশ্চিন্তা করি তখন কি হয়? মনটা তখন এক জায়গায় থাকে না, নানান বিষয়ের ওপর খাপছাড়া ভাবে উড়ে বেরায় মন,যার ফলে কোন সমস্যা সমাধানের কোন উপায় বের হয় না, এবং হওয়া সম্ভব নয়। * চরম ক্ষতি কি হতে পারে এটা একবার পরিস্কার জানা হয়ে গেলে এবং সেটা মেনে নিতে পারলে দুশ্চিন্তা বলে কোন জিনিসই থাকে না আর। * প্রথমত,যেন পুনরায় লোকসানটা না হয় সেজন্য সর্তক হতে হবে,দ্বিতীয়ত,মন থেকে দুঃখটা মুছে যোর উৎফুলস্ন চিত্তে কাজে নামবেন। পুনরায় ক্ষতিগ্রসত্ম না হবার একটা মন্ত্র অমত্মরে গেঁথে ক্ষতি বন্ধ করতে হবে। এজন্য একটু ভাবলেই নাত পথ আপনি খুঁজে পাবেন। * ক্রইশলার কপোরের্শনের প্রেসিডেন্ট কে,টি,কেলারক বলেছেনঃ যখন কোন কঠিন অবস্থার সামনে পড়ি তখন নিজে কিছু করার থাকলে তা করি,না থাকলে স্রেফ ভুলে যাই। আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবি না, কারন জানি যে কোন মানুষই ভবিষ্যতের ভাগ্যে কি আছে তা জানতে পারে না। বহু শক্তিই ভবিষ্যৎকে নিয়মত্মন করে। * এপিক্টেটাস বলেছিলেনঃ সুখ লাভের একটাই পথ আছে আর তা হলো আমাদের ক্ষমতার বাইরে যা আছে তা নিয়ে দুচিন্তা না করা।
চিন্তা দূর করতে আপনি, ফেসবুকে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে সময় কাটান, খেলাধুলা করুন, মোবাইলে গেমস বা ভিডিও মুভি বা গান শুনুন, কাজকর্মে ব্যস্ত রাখুন।আশা করি ধীরে ধীরে চিন্তা কেটে যাবে।
আল্লাহুর কাছে সাহায্য চান......আর আল্লাহুর যিকির করেন মন দিয়ে।দেখবেন আপনার চিন্তা সব দূর হয়ে যাবে।