3 Answers
হৃদয় বলতে আমরা যা বুঝি সেটা হলো হৃদযন্ত্র। আর অবশ্যই অবশ্যই হৃদয়ের নিজের কোনো চেতনাশক্তি বা স্বনিয়ন্ত্রীত অনুভূতি নেই। হৃদয় দিয়ে ভালোবাসার কথা বলা হলেও ভালোবাসার উৎপত্তিস্থল আপনার মস্তিষ্ক। মস্তিষ্ক একমাত্র পারে আপনাকে কোনো কিছুর ভালো মন্দ বিচার করে তার প্রতি আকর্ষিত করতে। যখন কাউকে ভালোবাসেন তখন তাকে নিয়ে করা কল্পনা, স্মৃতি বা যেকোনো ফিলিংস সবই মস্তিষ্কে হয়ে থকে। ভালোবাসার মানুষ কাছে এলে যে ভালো লাগার আবহ তৈরি হয় তাও কিন্তু এই মস্তিষ্কই করে। একটা সুন্দর ভালোবাসার সম্পর্ক আপনার হৃদয়কে প্রশান্ত রাখবে, কিন্তু প্রশান্ততা হৃদয় নিজে সৃষ্টি করতে পারেন। মস্তিষ্ক থেকেই প্রশান্তির সংকেত আসে। এই সংকেতের বাহক হলো অক্সিটোসিন নামক নিউরোপেপটাইড হরমোন যা মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে উৎপন্ন হয়। সুতরাং ভালোবাসার উৎপত্তিস্থল মস্তিষ্ক, হৃদয় কেবলমাত্র একটা প্রতিক।
প্রেমে পড়ার বিষয়টি মস্তিষ্কের, প্রেমে পড়ার সাথে সাথেই আপনার মস্তিষ্কের কার্যকলাপ পরিবর্তিত হয়ে যাবে। আপনার মস্তিষ্ক সব সময়ে যেভাবে চিন্তা করেছে সেভাবে চিন্তা করতে পারবে না। অনেক বিষয়ই আবেগ দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হবে তখন। প্রেমে পড়লে শরীরে হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। আর হরমোনের এই পরিবর্তনের ফলে রক্তচাপ কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে যায় হৃৎপিন্ডের গতিও। ভালোবাসা মস্তিষ্কের নিউরাল রিসেপটরের কার্যকারীতা বাড়িয়ে ব্যথার অনুভূতি কমিয়ে দেয়। তাই ভালোবাসাকে বিজ্ঞানীরা ব্যথার ওষুধ বলে আখ্যায়িত করেছেন। প্রেমে পড়লে আপনি সব কিছু ভুলে যাওয়া শুরু করবেন। আর তার জন্য দায়ী হলো অক্সিটসিন হরমোন। প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কে প্রচুর পরিমাণে অক্সিটসিন হরমোন উৎপন্ন হয় যা স্মৃতিশক্তি কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।
হ্যা অবশ্যই ভালবাসা মস্তিষ্ক হতে উৎপন্ন হয়। মস্তিষ্ক এর হাইপোথ্যালামাস অংশে হরমন নৃসৃত হবার কারনে মানুষের মনে ভালবাসার উদ্রেগ হয়।