আল্লাহ ছাড়া কারো উপর ভরষা করা যায় না ।
2933 views

1 Answers

জীবন বীমা (Life Insurance, ﺗﺎﻣﻴﻦ ﺍﻟﺤﻴﺎﺓ) : মানুষের স্বাভাবিক বা আকষ্মিক মৃত্যুতে পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নিশ্চয়তা প্রদানে প্রতিষ্ঠিত জীবন বীমা। এতে ব্যক্তি একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য বীমা করে। এর মধ্যে কিস্তিতে সে একটি নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম পরিশোধ করে। এর দুই অবস্থা : ক. ব্যক্তি নির্দিষ্ট মেয়াদের পরও জীবিত থাকে : এ ক্ষেত্রে তার জমাকৃত সমুদয় টাকা সুদসহ ফেরত দেয়া হয়। খ. নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বেই তার মৃত্যু হয় : এ ক্ষেত্রে পূর্ণ মেয়াদে সে যত টাকা জমা করার চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল, তত টাকা তৎকর্তৃক নিযুক্ত নমিনীকে প্রদান করা হয়। বিধান : সর্বসম্মতিক্রমেই এটি জায়েজ নেই। কারণ : ক. পূর্বোল্লিখিত দ্বিতীয় অবস্থায় (নির্দিষ্ট মেয়াদের পূর্বেই তার মৃত্যু হলে) পরিশোধিত প্রিমিয়ামের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা সুদ হিসেবে গণ্য। কেননা, জমাকৃত প্রিমিয়ামের অতিরিক্ত যা দেয়া হয়, তা বিনিময় ছাড়াই অর্জিত হয়। আর কোনো প্রকার বিনিময় ছাড়া যা অর্জিত হয়, তা শরিয়তে ‘রিবা’ তথা সুদ বলে গণ্য। আল্লাহ বলেন, ﻭَﺃَﺣَﻞَّ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺍﻟْﺒَﻴْﻊَ ﻭَﺣَﺮَّﻡَ ﺍﻟﺮِّﺑَﺎ ۚ “অথচ আল্লাহ তাআলা ক্রয়-বিক্রয় বৈধ করেছেন এবং সুদ হারাম করেছেন।” (২:২৭৫) খ. এই প্রকার বীমায় জুয়া বিদ্যমান। কেননা, ব্যক্তি কখন মৃত্যুবরণ করবে আর কত টাকা পাবে, তা অনিশ্চিত। এ ক্ষেত্রে সম্পদের মালিকানাকে অনিশ্চিত সম্ভাবনাময় বিষয়ের সাথে যুক্ত করা হয়, যা জুয়া বলে গণ্য। (ﺗﻌﻠﻴﻖ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﻣﻊ ﺍﻟﺨﻄﺮ ﺑﺎﻃﻞ) আল্লাহ বলেন, ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﺍﻟْﺨَﻤْﺮُ ﻭَﺍﻟْﻤَﻴْﺴِﺮُ ﻭَﺍﻟْﺄَﻧْﺼَﺎﺏُ ﻭَﺍﻟْﺄَﺯْﻟَﺎﻡُ ﺭِﺟْﺲٌ ﻣِﻦْ ﻋَﻤَﻞِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ﻓَﺎﺟْﺘَﻨِﺒُﻮﻩُ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ ] ٥:٩٠ [ ﺇِﻧَّﻤَﺎ ﻳُﺮِﻳﺪُ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥُ ﺃَﻥْ ﻳُﻮﻗِﻊ

2933 views

Related Questions