1 Answers

ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলাদেশিদের মুখে মুখে। ভিসা চালুর বিষয়টি এখন আমিরাতের সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে আমিরাতে বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের ভিসা, ট্রান্সফার ভিসা এবং ভিজিট ভিসা বন্ধ। অবশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে যেমন ইনভেস্টর, ড্রাইভার ও তাব্বাক বা পাচকের ভিসা সীমিত আকারে চালু আছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্রমবাজার। দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক দিয়ে সৌদি আরবের পরই সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থান। গত অর্থবছরে আরব আমিরাত থেকে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানো হয় ২৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। বর্তমানে আরব আমিরাতে প্রায় ১০ লাখের মতো বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করছে। ট্রান্সফার ভিসা চালু না থাকায় এবং কিছু বড় বড় কোম্পানি বাংলাদেশিদের ভিসা নবায়ন না করাতে হাজার হাজার শ্রমিককে দেশে ফেরত যেতে হয়েছে এবং হচ্ছে। ২০১২ সালের আগে যে হারে আমিরাতে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক আসা শুরু হয়েছিল এবং যদি ট্রান্সফার ভিসা বন্ধ না হতো তাহলে আমিরাতে এখন বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যেত। দেশে রেমিট্যান্সও যেত প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি। এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ২১ ডিসেম্বর ঢাকায় চালু করে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কনস্যুলার সেন্টার। এ সেন্টার চালুর ফলে বাংলাদেশিদের মনে ভিসা পাওয়ার আশা জেগে উঠেছে। অনেকেই মনে করেন এবার হয়তো আমিরাতের ভিসা চালু করা হবে, চালু হবে ট্রান্সফার ভিসাও। বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি শ্রমিকের যথেষ্ট চাহিদা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ লেবার এবং ক্লিনারের চাহিদা বেশি। বাংলাদেশের ভিসা চালু না থাকায় বড় বড় কনস্ট্রাকশন ও ক্লিনার কোম্পানিগুলো নেপাল, ইন্ডিয়া ও পাকিস্তান থেকে এ ধরনের হাজার হাজার শ্রমিক নিয়ে আসছে। বিশেষ করে নেপালের সাধারণ শ্রমিকের ওপর নির্ভর হয়ে পড়েছে বড় বড় ক্লিনার ও কনস্ট্রাকশন

2967 views Answered

Related Questions

Next steps