কোমরে ব্যাথা?
4 Answers
কোমরের ব্যাথা আস্তে আস্তে বাড়তে পারে বা হঠাৎ প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। নাড়াচড়া বা কাজকর্মে ব্যাথা তীব্র থেকে তীব্রতর হতে পারে। ব্যাথা কোমরে থাকতে পারে বা কোমর থেকে পায়ের দিকে নামতে পারে অথবা পা থেকে কোমর পর্যন্ত উঠতে পারে। অনেক সময় কোমর থেকে ব্যাথা মেরুদন্ডের পেছন দিক দিয়ে মাথা পর্যন্ত উঠতে পারে। রোগী অনেকক্ষণ বসতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। ব্যাথার সঙ্গে পায়ে শিন-শিন বা ঝিন- ঝিনজাতীয় ব্যথা নামতে বা উঠতে পারে, হাঁটতে গেলে পা খিচে আসে বা আটকে যেতে পারে, ব্যথা দুই পায়ে বা যেকোনো এক পায়ে নামতে পারে। অনেক সময় বিছানায় শুয়ে থাকলে ব্যাথা কিছুটা কমে আসে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে রোগীর কোমর ও পায়ের মাংসপেশির ক্ষমতা কমে আসে এবং শুকিয়ে যেতে পারে, সর্বোপরি রোগী চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
যদি দীর্ঘদিন মেডিসিন চিকিৎসা চালানোর পরও রোগীর অবস্থার পরিবর্তন না হয় রোগীকে অবস্থা অনুযায়ী কোমর-মেরুদন্ডের অপারেশন বা সার্জারীর প্রয়োজন হয়। এ জাতীয় সার্জারী সাধারণত নিউরো বা অর্থোসার্জন করে থাকেন। সার্জারীর পরবর্তীতে রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নির্দেশমত নির্দিষ্ট ব্যায়াম দীর্ঘ দিন চালিয়ে যেতে হয়।
তাই এটা নিয়ে হেলা না করে ভাল ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।
কোমরের ব্যথার ধরন ও কারণ দেখে-বুঝে ব্যবস্থা নিতে হয়। সাধারণত তিন ধরনের চিকিৎসা - ১. মাংসপেশীর সমস্যার জন্য ফিজিক্যাল মেডিসিন, ২. হাঁড়ের সমস্যার জন্য অর্থোপেডিক্স, এবং ৩. স্নায়বিক সমস্যার জন্য নিউরোমেডিসিন। - এক ধরনের সমস্যার জন্য অন্য ধরনের চিকিৎসা করলে ব্যথাতো সারেই না বরং বড় ধরনের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যায়। - আমাদের দেশে কোমরে ব্যথার একটি বড় ধরন হচ্ছে এরগোনমিক্স সমস্যার জন্য বা স্থানীয়ভাবে আঘাতের ফলে সৃষ্ট মাংসপেশীর ব্যথা। এ ক্ষেত্রে ছোট আঘাত বা অল্প ব্যথার জন্য অবস্থা বুঝে ঠান্ডা-গরম সেক দেওয়া ও সম্পূর্ন বিশ্রাম খুবই ফলপ্রদ, প্রয়োজনে ফিজিওথেরাপিস্ট-এর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। আর বড় আঘাত বা খুব বেশী ব্যথার ফিজিক্যাল মেডিসিন-এর চিকিৎসকের পরামর্শ জরূরী।
কোমরে নানা কারণে ব্যাথা হতে পারে, আপনার উচিত হবে আরও ভালো কোন চিকিৎসকের কাছে যান,
কোমরে বেদনা,শিরদাঁড়ায় বেদনা,হাত পা ঝিম ঝিম করা প্রভৃতি লক্ষন পাওয়া গেলে হোমিও- রাসটক্স৩,সালফার ৩০,আর্সেনিক ৬ এর যে কোন ১টি ঔষুধ ৫-৭ টি বড়ি ২-৩ বার অথবা ডাক্তারের পরামর্শ মত খাবেন।