5 Answers
১.রুটিন মেনে পড়ুন। ২.নিয়ম মেনে পড়ুন,পড়ার সময় বাহিরের জগৎ নিয়ে কম ভাবুন। ৩.নিয়মিত স্কুলে যান। ৪.স্যারের পড়ায় মন দিন। ৫.কাউকে পিছিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বীজ জাগ্রত করুন মনে।
দেখুন পড়াশুনায় ভাল করতে হলে আপনাকে অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে। তার জন্য নিচের বিষয় অবলম্বন করতে পারেন ১,প্রথমে আপনাকে নিয়মানুবর্তী হতে হিবে।আপনি নিয়ম মেয়ে যদি প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন পরতে হবে। ২,অবশ্যই আপনাকে সময়নিষ্ঠ হতে হবে। ৩আপনি কৌশল করে পড়াশুনা করবেন। ৪,সারাদিনের একটি রুটিন বানাবেন যাতে আপবার পড়ার সময় যেন বেশি থাকে। ৫,পাঠ্যবই বেশি পরবেন এবং সাথে ভাল কোন সহায়ক বই পড়তে পারেন। ৬,পড়াশুনায় আপনি কাউকে লক্ষ্য ঠিক করুন যে আপনি তার বেশি পড়াশুনা করবেন
পড়ালেখায় ভালো করতে হলে আপনাকে প্রতিদিনের পড়া প্রতিদিন শেস করতে হবে আপনের কাছে যে গুলো কঠিন মনে হয় ঔ বই বেশি করে পরতে হবে আর প্রতিদিন ৪ ঘন্টা পরতে হবে সকালে ২ ঘন্টা বিকালে ২ ঘন্টা সকালে কিছু বই বিকালে কিছু বই আর যেটা পরবেন সেটা লিখবেন। তাহলে মনে থাকবে ভালো করতে পারবেন।
১. পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী। ২. বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন। ৩. এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে ১ ঘন্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন। ৪. একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দুঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে। ৫. মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দু ফুট হওয়া উচিৎ। ৬. পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না। ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন। ৮. টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক
প্রথমেই অাপনাকে মনোযোগ দিতে হবে পড়ার প্রতি,যা পড়বেন মন দিয়ে পড়বেন অার অানন্দ সহকারে পড়বেন।নিয়মিত ক্লাস করবেন।স্যার,ম্যাডামরা ক্লাসে যা পড়ায় সেগুলো খাতায় লিখে রাখবেন।অার রুটিন করে পড়বেন। অার অাপনাকে পড়ার সাথে সাথে লেখার অভ্যাসটা গড়ে তুলতে হবে।অার পাঠ্যবই বেশি করে পড়বেন,পাঠ্যবইয়ের বিকল্প অার কিছুই নেই।