7 Answers
১. বরফ ব্যাবহারঃ মুখে উপর বরফ ঘষুন ১০ মিনিটের মত । এতে ব্রন কম বের হবে এবং ইতিমধ্যে যদি ব্রন বেরিয়েও থাকে, কমে যাবে । ২. টুথপেস্ট ব্যবহারঃ ব্রনের উপর সামান্য করে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন সারারাত । সকালে ধুয়ে ফেলুন । এতে ব্রন আকারে কমে যাবে । এবং শুকিয়েও যাবে । ৩. রসুন ব্যবহারঃ ব্রনের উপরে এবং চারপাশে কাচা রসুন ঘষে দিন । এতে খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এবং দাগ ও অনেক কমে যাবে । ৪. কমলার খোসা ব্যবহারঃ কমলার খোসা বেটে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন । ব্রন কমে যাবে । ৫. মধু ব্যবহারঃ ব্রন ওঠার সাথে সাথে এর উপরে মধু লাগিয়ে দিন । এটা আর বাড়তে পারবে না । ৬. কাগজি লেবু ব্যবহারঃ ঘুমানোর আগে মুখে কাগজি লেবুর রস মাখুন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন । মুখ ব্রন মুক্ত থাকবে । ৭. ভিনেগার ব্যবহারঃ সামান্য পানি এবং ভিনেগার প্রথমে গরম করুন একসাথে । তারপর ঠাণ্ডা করে এই মিশ্রন মুখে ব্যবহার করুন । ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন । ৮. আলু ব্যবহারঃ আলু স্লাইস করে কেটে ব্রনের উপর ঘষুন ৫-৭ মিনিট । ব্রনের আকার অনেক কমে যাবে । ৯. শশা ব্যবহারঃ শশা থেতো করে সামান্য লেবুর রস একসাথে করে মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগান । আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন । ব্রন হবে না । থাক্লেও অনেক কমে যাবে । ১০. মুখের পরিচ্ছন্নতাঃ ভাল ফেস ওয়াশ দিয়ে দিনে অন্তত ২ বার মুখ ভাল করে পরিস্কার করবেন । মুখে কখনই সাবান ব্যবহার করবেন না । নোংরা কাজ করার পর এবং প্রতিবার বাইরে থেকে এসে ভাল করে মুখ ধোবেন । ১১. চোখের ড্রপ ব্যবহারঃ খুবই কার্যকরী পদ্ধতি । ব্রনের উপর ১ ফোটা করে ইউজ করলেই অনেক কমে যাবে ।
ব্রণের দাগ থেকে চিরতরে মুক্তির জন্য আমাদের নিচের বিষয়গুলি অনুসরণ করতে হবেঃ ১।প্রথমে দুধের সাথে চালের আটা মিক্সড করে দাগের উপর দিয়ে রাখতে হবে।আধা ঘণ্টা ধরে এভাবে থাকতে হবে। ২।এরপর আইস কিউব দিয়ে ঘষে ঘষে আগের মিশ্রণটি উঠাতে হবে। ৩।নিমের পাতা ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে।এভাবে ৩০ মিঃ রাখতে হবে। ৪।চন্দনের গুড়া,কাচা দুধ ও মধু একসাথে মিশিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে।এভাবে ৩০ মিঃ রাখতে হবে। ৫।আনারস থেতলা করে মুখের উপর লাগিয়ে রাখতে হবে। ৬। fem bleach মুখে করালে আরও ভাল হয়। উপ রের নিয়ম গুলি অনুসরণ করলে মাত্র ৭ দিনে মুখে আর কোনো দাগই থাকবে
বেটনিলান ট্যাবলেট কিছুদিন খেলে ব্রণ কমে যাবে । সাথে রেমি স্পট ক্রীম ব্যবহার করবেন তাহলে ভালো ফল পাবেন।
আপনি প্রাকৃতিক পন্থা অবলম্বন করার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক "ব্রণ কিউর" নামের ক্রিমটি মাখতে পারেন।
তরুণ-তরুণী ও কিশোর- কিশোরীদের একটি খুব সাধারণ সমস্যা হল ব্রণ।কেউ কেউ এই সমস্যার কারণে মানসিকভাবে দুষ্চিন্তাগ্রস্থ থাকে। অনেক কারণেই ব্রণ হতে পারে। তবে শরীরে হরমোন পরিবর্তনের সময় ব্রণের খুব প্রকোপ দেখা দেয় ।ব্রণেরকারণ:১.অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক ।২.হোয়াইট হেডস । ৩.ব্ল্যাক হেডস ।৪.বংশগত কারণ বা হেরডিটারি ফ্যাক্টর।৫.অতিরিক্ত এন্ড্রোজেন(androgen ) হরমোনের কারণে ।৬. ৭টি খাবার যা ব্রণ তৈরিতে সাহায্য করেকিছু কিছু খাবারও ব্রণ তৈরিতে সাহায্য করে ।যদি আপনার ত্বকে ব্রণের প্রকোপ হয় ,তাহলে নিচে বর্ণিত ৭টি খাবার এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।১.অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার :বর্তমান সময়ে ফাস্ট ফুড খাবার খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে । কিন্তু এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যসম্মত নয় ।এগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে তেল ।যা ত্বকে ব্রণ তৈরি করতে সাহায্য করে ।তাই এসব খাবার বাদ দেয়া উচিত্ ।ভাজা খাবার যদি খেতেই হয় তবে স্বল্প পরিমাণে প্রাকৃতিক তেলে ভাজা খাবার খাওয়া যেতে পারে ।২.অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার :একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে চিনি আমাদের শরীরে দরকার ।তবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার যেমন চকলেট,ক্যান্ডি,মিষ্টি বিস্কুট ,এমনকি জুস (আরো)ব্রণের সাতকাহন।
বেশ বিস্ময়কর ও জটিল, যা সমস্ত শরীরকে ঢেকে রাখে। ত্বক মূলত তিনটি কাজ করে থাকে। যেমন দেহের অভ্যন্তরীণ গঠনকে রক্ষা করে। শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষের অব্যবহূত জিনিস বর্জন করে। ব্রণ একটি সাধারণ অথচ দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের সমস্যা। এটিকে যত্নের সঙ্গে সারিয়ে না তুললে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক অবস্থায় এসে দাঁড়ায়। ব্রণ দেহের চর্বিযুক্ত গ্লান্ড সেবাকাস টিস্যুতে বেশি দেখা যায়। যেমন মুখ, ঘাড়, বুক ও কাঁধে। সাধারণত ১২-১৪ বছরের ছেলেমেয়েরা এই রোগে বেশি ভোগে। তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণ বেশি হতে দেখা যায়। এদিকে ২০-৩০ বছরের পর এর প্রভাব কমে গিয়ে ভালো হয়ে যায়। ব্রণের ফলে মুখ ও ঘাড়ের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় ও মুখে ব্ল্যাকহেড, ছোট গুটি এবং ছোট ছোট ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। সবচেয়ে বেশি দেখা যায় ব্ল্যাকহেড বা কালো তিল। এতে আক্রান্ত হয় কপাল, কপালের পাশে, গলা, চিবুক, বুক ও পিঠ। এই ব্ল্যাকহেডগুলো সংক্রামক এবং দ্রুত বিস্তার লাভ করে। ব্রণ বেশি দিন স্থায়ী হলে মুখে বিশ্রী দাগ দেখা যায়। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এই রোগে বেশি ভোগে। এর সঠিক কারণ অবশ্য নির্ণয় করা যায়নি। তবে মেয়েদের ত্বকের নিচে চর্বির পরিমাণ বেশি এবং হরমোনের পরিবর্তনগুলোও ছেলেদের চেয়ে বেশ প্রকট হওয়ায় ব্রণ দেখা যায় বলে ধারণা করা হয়।ভুল খাদ্যাভাস, অনিয়মিত আহার গ্রহণ, অনুপযোগী খাবার, অত্যধিক শর্করা, অত্যধিক চর্বিযুক্ত খাবার ইত্যাদির জন্য ব্রণ দেখা দিতে পারে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। অত্যধিক চা কফি অ্যালকোহল পান, তামাক সেবন ইত্যাদিও এর কারণ। আবার বয়ঃসন্ধিক্ষণে রাত জেগে পড়াশোনা ও বসে থাকার ফলে বদহজম সৃষ্টি হওয়া, সাধারণ দুর্বলতা ও দুশ্চিন্তা থেকেও ব্রণ হতে পারে। দিনে ৮-১০ গ্লাস পর্যন্ত পানি এবং তেল-ঝাল-মসলাবিহীন খাবার খাওয়া উচিত। অত্যধিক গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। চিনি ছাড়া লেবুর পানি, তাজা ফলের রস, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, আনারস খেতে পারলে ভালো হয়। কাঁচা সবজি অঙ্কুরিত ছোলা, ডাল, কাঁচা বাদাম, যব ও লাল চাল খুবই উত্তম। অধিক শর্করা, অধিক মিষ্টি, অধিক চর্বি সবই পরিহার করা উচিত। ব্রণ সারাতে খনিজ লবণের মধ্যে জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি৬ ভালো কাজ করে। এ জন্য খেতে হবে শস্যজাতীয় খাবার, মাছ, গরুর কলিজা, মসুর ডাল, বরবটি, রাজমা, পনির, গরুর দুধ, কর্নফ্লেকস, ডিম, তেল, মুলাজাতীয় সবজি, তৈলবীজ, বাদাম, সবুজ সবজি ইত্যাদি।
Retin-A আপনি এই ক্রীম ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। এটি নিরাপদ রাতে শোবার আগে শুধু ব্রনের উপর লাগাতে হবে। ত্বকে এলার্জি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy