1 Answers
হযরত আদম (আঃ) কে যখন রুহ্ দেওয়া হয় তিনি আস্তে আস্তে চোখ খুললেন। চোখের সামনে পড়লো মহান সৃষ্টিকর্তার আরশের দরজা। তার ওপরে লেখা ‘লা-ই লাহা ইল্লালহু মুহাম্মাদুর রসূলউল্লাহ্’। লেখাটিতে আদম (আ.) এর চোখ পড়ে গেল। তিনি জিবরাইল আমীন ফেরেস্তার কাছে জানতে চাইলেন- আল্লাহপাকের নামের সাথে যে ব্যক্তিটির নাম জুড়া লাগানো তিনি কে? জিবরাইল আমীন বললেন- তিনি আখেরি জমানার নবী, নবীদের নবী, আল্লাহপাকের খাস রহমত দ্বারা তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে তবে প্রেরিত হোননি এখনও। জিবরাইল আমীন ফেরেস্তা বলতে লাগলেন- জীবন চলার পথে যদি আপনি কখনও কোনো ভুল করে ফেলেন সেই ক্ষেত্রে এই নামের ওসিলা ধরে আল্লাহপাকের কাছে ক্ষমা চাইলে আল্লাহপাক আপনাকে তখনি ক্ষমা করে দিবেন। আদম (আ.) চিন্তা করলেন, সৃষ্টির দিক দিয়ে আমি হচ্ছি প্রথম। সেই দিক থেকে আমি পিতা। আমার পরে আসবেন তিনি। সেই হিসেবে সে আমার সন্তান। আমি পিতা হয়ে একটা ভুল করলে তাঁর নামে ওসিলা ধরে ক্ষমা চাইবো ! মাত্রই এমনি একটু ভাবনার উদ্রেক দেহের মধ্যে! সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহপাকের নির্দেশ পেলেন জিবরাইল আমীন ফেরেস্তা। এই মুহূর্তে আদমের দেহের মধ্য থেকে ঐ অহংকারের অংশটুকু বের করে আনো। পুতে রাখো বেহেস্তের ঐ কোণায়। নির্দেশ অনুযায়ী জিবরাইল আমীন আদম (আ.) এর অপারেশন করলেন। বের করে আনলেন সেই টুকরোটুকু। পুঁতে রাখলেন বেহেস্তের কোণায়। কিছুদিন পর সেই স্থান হতেই জন্ম নিল গন্ধম নামক বৃক্ষ ! তথ্যসূত্রঃচুয়াডাঙ্গার খবর /৪৯৬৮
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy