উইন্ডোস ফোন সম্পর্কে জানতে চাই?
2 Answers
না কম্পিউটারের সফটওয়্যার গুলো চালানো যায় না। এছাড়া windows ফোনের কিছু সুবিধাঃ- ১. নোকিয়া এর হার্ডওয়্যারঃ নকিয়ার হার্ডওয়্যার নিয়ে বদনাম করবে এমন সাহসী মানুষ কম। আর সেই নোকিয়া থেকেই আসছে সব উইন্ডোজ ফোন। যদিও নতুন ৫৩৫ মাইক্রোসফট ব্র্যান্ডিং এর প্রথম ফোন, সাথে আপকামিং ৬৪০ ও মাইক্রোসফট এর নিজস্ব। তবে বেশির ভাগ উইন্ডোজ ফোনই নোকিয়ার যার বিল্ড কুয়ালিটি নোকিয়া ১১০০ এর মত না হলেও তার থেকে কম না। তাই এ নিয়ে আলোচনা করার আর কোন মানে হয় না। সাথে নোকিয়ার ক্যামেরা নিয়েও কিছু বলার মানে হয় না। ১০২০, ১৫২০, ৯৩০ এর মত হাইএন্ড মোবাইল গুলোর ক্যামেরা থেকে আপনারা অনেক কিছু আশা করতে পারেন। এমন কি একটু কম দামি ৫২০ থেকেও আপনারা খারাপ আশা করতে পারেন না। ২. Cortana: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ফোন ৮.১ এর সাথে বিল্ট ইন এই পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্টটি আইএস অথবা গুগল নাও কে পিছনে ফেলে দিয়েছে অনায়েশে। আপনার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম এই অ্যাপটি হতে পারে আপনার কিছু সময়ের অংশীদার। আর কেও যদি এক্স-বক্স এর হ্যালো গেমটি খেলে থাকেন তবে করটানা ক্যামন হতে পারে তা নিয়ে আর কোন সন্দেহ থাকবে না। ৩. লাইভ টাইলসঃ সবাই এ সম্পর্কে জানে। উইন্ডোজ ফোন এর হোম স্ক্রীনটি একটু অন্য রকম, বিভিন্ন অ্যাপ থেকে আগত তথ্য দিয়ে পরিপূর্ণ এটি। ৪. কম্পিউটারের সাথে সামঞ্জস্যঃ আশা করি আপনাদের ভেতরে ৯৮% উইন্ডোজ ব্যবহার করেন। এদিক থেকে উইন্ডোজ ফোন আপনাকে দেবে কিছু সুবিধা। আপনার কম্পিউটার অথবা মোবাইল এর থাকা ফটো গুলো অটো সিঙ্ক এর মাধ্যমে আপনি অন্য ডিভাইস এও তা দেখতে পারবেন। কোন ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল কম্পিউটারএ অর্ধেক লিখে বাকিটা মোবাইল দিয়ে শেষ করতে পারবেন। ৫. উইন্ডোজ ১০ উইন্ডোজ ১০ এর ফোন গুলো হবে আরও ফ্রেন্ডলি। হোম স্ক্রীন থেকেই কোন অ্যাপ এ না ঢুকে সামান্য কাজ সম্পন্ন করা। নোটিফিকেশন প্যানেল থেকে যেকোনো মেসেজ এর রিপ্লাই দেয়া। এছারাও সেটিংস এর ইন্টারফেস এ পাবেন নতুন ভিউ। সব উইন্ডোজ ফোনই ফ্রী উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করা যাবে।
না, উইন্ডোজ মোবাইল বা ট্যাবে কম্পিউটারের সফটওয়্যার চলে না। এগুলির সফটওয়্যার আলাদা। আর কম্পিউটারের ফাইল (যেমন: MS Word, MS Excel, MS Powerpoint, PDF, Audio, Video ইত্যাদি) সবগুলিই উইন্ডোজ মোবাইল বা ট্যাবে চালানো যায়। এর জন্য ওই ফাইলের উপযুক্ত এ্যাপ ইনষ্টল করতে হয়। ইন্টারনেট থেকে পাওয়া তথ্যে উইন্ডোজ মোবাইলের সুবিধা সমুহ: ১. ব্যতিক্রমধর্মী নকশা ২. আকর্শনীয় এপস ৩. ইমেইল এবং সামাজিক যোগাযোগের সুবিধা ৪. মাইক্রোসফট ইন্টিগ্রেশন এবং সহায়তা ৫. সকল উইন্ডোজ ডিভাইসের মধ্যে সমন্বয় ৬. কাস্টমাইজেশন লকস্ক্রিন ও নেভিগেশন ৭. উইন্ডোজ ফোনে এক্সবক্স গেম খেলার সুবিধা ৮. অফলাইন মানচিত্র ৯. অতিরিক্ত স্টোরেজ আর অসুবিধা: ১. মাত্র কিছু কিছু ফোনেই ১/২ জি:বি র্যাম দেয়া থাকে ২. Windows Phone Store গুগলের Play Store অথবা এ্যাপলের iOS Store সাথে পেরে উঠেনি ৩. উইন্ডোজ ফোনের বেশিরভাগ ভাল গেম চালাতে ১ জি:বি বা তার বেশি র্যাম লাগে ৪. উইন্ডোজ ফোনে সীমিত সংখ্যক ভিডিও কোডেক সাপোর্ট করে ৫. উইন্ডোজ ফোনে প্যাটার্ন লক সুবিধা নেই ৬. উইন্ডোজ ফোনে ব্লুটুথের মাধ্যমে ভিডিও শেয়ারিং সুবিধা নেই ৭. উইন্ডোজ ফোনের জন্য কোন এন্টিভাইরাস এ্যাপ নেই ৮. উইন্ডোজ ফোনের জন্য কোন ফাইল ম্যানেজার এ্যাপ নেই ৯. উইন্ডোজ ফোনের ব্রাউজারে ফ্লাশ প্লেয়ার সাপোর্ট নেই তথ্যসূত্র: ১. http://www.hongkiat.com/blog/windows-phone-better-than-android ২. http://www.windowappreviews.com/main-advantages-and-disadvantages-of-windows-phone-8
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy