মহিলা দের মাসিক হবার কারণ কী? এবং ঔই সময় কি করনিয়।
3049 views

2 Answers

কৈশোর থেকে যখন কোনো মেয়ে নারীত্বে পদার্পণ করে তখন কিছু শারীরিক-মানসিক পরিবর্তন ঘটতে থাকে। আর এর পেছনে রয়েছে পিটুইটারি গ্রন্থি। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস অন্যান্য গ্রন্থিগুলোকে সক্রিয় ও নিয়ন্ত্রিত করে। তাই কৈশোরের শেষে পিটুইটারির পরিচালনায় থাইরয়েড, ওভারি গ্রন্থিগুলোর কার্যকলাপ শুরু হয়। ওভারির অপরিণত ডিম্বকোষগুলো এ সময় পরিণত হয়ে ওঠে এবং তারা ইসট্রোজেন নামে এক প্রকার হরমোন নিঃসৃত করে। এ হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের মধ্যে নারীসুলভ লাবণ্য লক্ষণীয় হয়ে ওঠে এবং মেয়েদের যৌন অঙ্গাদি ঠিকভাবে গঠিত হয়। এর ফলেই একটা নির্দিষ্ট সময় পর মেয়েদের মাসিক শুরু হয়। এ সময় করণীয় তেমন কিছুই নেই।। মেয়ে যদি প্রাপ্ত বয়স্ক হয় তবে যৌন মিলন করা উচিত নয়।।এ সময় মিলন করলে নারী পুরুষ দুজনেরই নানা ধরণের সমস্যা হতে পারে।।

3049 views

প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই মেয়েদের মাসিক বা ঋতুচক্র বলে। 

মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার মেয়েদের মাসিক এর এই পর্বটি ঘটে। প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়। মেয়েদের মাসিক এর সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।

3049 views

Related Questions