ইসলামি নিয়ম অনুযায়ী এইটি কি জায়েয সন্তান হবে?
1 Answers
'জ্বিনা' বা 'জ্বেনা' শব্দটির অর্থ পুরুষ ও নারীর মধ্যে অবৈধ যৌন সঙ্গম। যখন বিবাহিত পুরুষ বা মহিলা বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে বা অবিবাহিত পুরুষ ও মহিলা অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে, এদের সকলকেই জ্বেনা শব্দটির দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ইসলামে বিবাহ ও তালাকের আইনকে অত্যন্ত সহজ করা হয়। যেনো মানব সম্প্রদায় বিবাহ বহির্ভূত অসংযত যৌন সম্পর্ক স্থাপনে প্রলোভিত না হয়। আর সে কারণেই জ্বেনার শাস্তিকে অত্যন্ত কঠোর করা হয়েছে। যেন জীবনের কোনও অবস্থায়ই পুরুষ বা মহিলা কেহ বিবাহ বহির্ভূত যৌন সর্ম্পক স্থাপনে আগ্রহী না হয়।
এ ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন:
الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِئَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।
[সূরা: আন-নুর | আয়াত: ০২]
হাদিস শরীফে আছে:
''রসূলুল্লাহ্ (সঃ) বলেছেন, "নিশ্চয়ই তোমাদের কারো মাথায় লোহার পেরেক ঠুকে দেয়া ঐ মহিলাকে স্পর্শ করা থেকে অনেক ভাল, যে তার জন্য হালাল নয়।"
[ত্বাবারানী ২০/২১২, ছহীহুল জামে হাদীছ নং-৪৯২১]
তাহলে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন, যেখানে 'অবৈধ সম্পর্ক' এর ব্যাপারে কঠোর হুশিয়ারী উচ্চারন করা হয়েছে, সেখানে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে জন্ম নেয় সন্তান বৈধ হয় কি করে? সন্তানটি অবশ্যই 'জারজ সন্তান' হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy