6 Answers
সহজ উপায় হচ্ছে পাকা কলার খোসার ভেতরের সাদা দিক দিয়ে দাতে হালকা করে কিছুদিন ঘষুন দেখবেন দাত ঝকঝকে হয়ে গেছে। যেকোন খাবার খাওয়ার পর কুলি করা অার দৈনিক দুইবার ব্রাশ করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।
১। আপনার পছন্দের কোন টুথপেস্ট নিন, সাথে যোগ করিন ১ চামচ বেকিং সোডা ও আধা চামচ পানি। সবগুলো একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। তারপর ব্রাশে পরিমাণ মত নিয়ে ব্রাশ করুন। প্রতি সপ্তাহে ২ দিন এইভাবে ব্রাশ করুন সুন্দর পরিছন্ন দাঁত পেতে। ২। অলিভ ওয়েলও দাঁত ঝকঝকে সাদা করার ক্ষেত্রে দারুণ সহযোগিতা করে। একটি পরিষ্কার কাপড় বা সামান্য তুলোতে ৩/৪ ফোঁটা অলিভ ওয়েল নিয়ে দাঁতে কিছুক্ষণ ঘষুন। তারপর ব্রাশ করে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ দিন করলেই হবে। ৩। আমাদের দেশেও এখন স্ট্রবেরি চাষ হয় এবং দামও খুব বেশি না। এই স্ট্রবেরি দিয়েও আপনি আপনার দাঁত সাদা করতে পারেন। ১ টি মিডিয়াম আকৃতির স্ট্রবেরি নিয়ে পেস্ট করুন, এর মধ্যে খুব সামান্য পরিমানে বেকিং সোডা দিন। দেখবেন পেস্ট তৈরি হয়ে গেছে। স্ট্রবেরিতে যেই এসিড থাকে তা দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে। তবে এই পেস্ট মাসে একবার ব্যবহার করুন। এর বেশী নয়। এমন না করে নিয়মিত এই ফলটি খেলেও উপকার পাবেন। দাঁত থাকবে সুন্দর।
আপনি যে পেষ্ট ব্যবহার করেন এটার সাথে কিছু বোরিং সোডা ও ১ চা চামুচ পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন এবং এই পেষ্ট দিয়ে কয়েকদিন ব্র্যাশ করুন তাহলেই ঝকঝকে দাত আপনার হয়ে যাবে।
দাঁতের নিয়মিত সুরক্ষার জন্য আমাদের কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিৎ। এগুলি মেনে চললে অনেকাংশেই আমরা আমাদের দাঁতকে রাখতে পারবো ঝকঝকে সাদা, রোগমুক্ত। প্রতিদিন সকালের নাস্তার পর, এবং রাত্রে ঘুমাবার আগে দাঁত ব্রাশ করুন দিনে মাত্র একবার দাঁতব্রাশ করলে তা অবশ্যই রাত্রে ঘুমাবার আগে দেড় থেকে দুমিনিট দাঁত ব্রাশ করা শ্রেয়, এর বেশী বা কম নয় ফ্লস দিয়ে দাঁতের ফাঁকার মধ্যে জমে থাকা ময়লা পরিস্কার করতে পারেন যে কোন মিষ্টি জাতীয় খাবার, চকলেট, চুইংগাম, কেক, ফাস্টফুড খাবার পর অবশ্যই পানি দিয়ে ভালো ভাবে কুলকুচি করবেন মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন, তবে টানা ব্যবহার করবেন না, ৪/৫ দিন ব্যবহারের পর আবার ৪/৫ দিন ব্যবহার বাদ দিন অতিরিক্ত ফ্লুরাইড ব্যবহার করে এমন টুথপেষ্ট লম্বা সময় ব্যবহার করবেন না, এতে আপনার দাঁতে সাদা দাগ পড়া সহ ভেঙ্গে যেতে পারে সঠিক পদ্ধতিতে দাঁত ব্রাশ করবার নিয়মটি আপনার দাঁতের ডাক্তারের কাছ থেকে ভালো ভাবে শিখে নিন।
দাত উজ্জল করার জন্য করনীয় হলুদ দাঁতের জন্য খুব ভালো, বিশেষ করে হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্লেমটরি, অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান দাঁতের জন্য খুব উপকারী। – বেকিং সোডা খাবার সোডা হিসেবেও পরিচিত। বেকিং সোডার উপাদান দাঁতের হলদে দাগ রোদ করে দাঁত পরিষ্কার করে, ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ রোধ করে এবং দাঁতের মাড়ির সমস্যা রোধ করে। – মুখের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের জন্য নারকেল তেল খুব উপকারী। নারকেল তেলের উপদানগুলো মুখের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, মুখ হতে বাজে গন্ধ দূর করে, মাড়ির সমস্যা রোধ করে এবং দাঁত সাদা ও উজ্জ্বল করে।
ঝকঝকে সাদা দাঁতের মুক্তো ঝরা হাসি কে না চায় বলুন? সুন্দর দাঁতের মিষ্টি হাসি যে কারো মন কেড়ে নিতে পারে নিমিষেই। দাঁত সুন্দর না হলে মানুষের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় অনেকখানি। হলদে দাঁত বের করে সহজে কেউ হাসতে চায় না। আর তাই হাসি পেলেও মুখ চেপে চেহারাটাকে কিম্ভুতকিমাকার বানিয়ে ফেলেন অনেকেই। পাছে লোকে দাঁত দেখে ফেলে তাই মুখে হাত দিয়েও হাসেন কেউ কেউ। অসুন্দর দাঁতের সমাধান তো আর দাঁত ঢাকা নয়। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। ডেন্টিস্টের কাছে না গিয়েও দাঁত সাদা ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব। ঘরেই বিশেষ যত্ন নিয়ে দাঁতের হলুদ ভাব দূর করে ফেলা যায় সহজেই। আর দাঁতের হলুদ ভাব দূর করতে সহায়তা করবে লেবুর রস। জেনে নিন দাঁতের হলদে ভাব দূর করার প্রক্রিয়াটি। *একটি কাপে লেবুর রস চিপে নিন। এরপর সেটাতে কিছু পানি মিশিয়ে নিন। *দাঁত ব্রাশ করার পর লেবুর রস মেশানো পানি দাঁতে লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে কুলি করে নিন। *এভাবে কয়েকবার করলেই মধ্যেই দাঁত হয়ে যাবে ঝকঝকে সাদা। *এছাড়াও লেবুর খোসা অথবা লেবুর খোসার শুকনো গুড়া দিয়ে দাঁত ঘষে নিতে পারেন। *কুলি করার সময় ঠান্ডা পানি দিয়ে করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। সতর্কীকরণ- লেবু দিয়ে দাঁত পরিষ্কার কিন্তু প্রতিদিন বা নিয়মিত করা যাবে না। এই প্রক্রিয়ায় চট জলদি দাঁত সাদা করা যায় ঠিকই। কিন্তু প্রতিনিয়ত করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।