মাসিক বন্ধ হওয়ার কারন জানতে চাই?
1 Answers
প্রেগন্যান্সি টেস্ট মাসিক বন্ধ হওয়ার দিন থেকেই প্রেগন্যান্সি টেস্ট করা যায়। টেস্ট পজিটিভ হলে আপনার গর্ভধারণের দুই সপ্তাহ অতিবাহিত হয়েছে বুঝতে হবে। দিনের যেকোনো সময়ে এই টেস্ট করতে পারেন। প্রথমে একটি পরিষ্কার কন্টেইনারে (সাবান দিয়ে ধুয়ে থাকলে দেখুন সাবান লেগে আছে কি না) প্রস্রাব সংগ্রহ করুন। কাছের ফার্মেসি থেকে কিনে আনা স্ট্রিপ দিয়ে এবার দেখে নিন আপনি গর্ভবতী কি না। এসব স্ট্রিপের সুবিধা হল, এগুলো বাসায় বসে গোপনীয়তা বজায় রেখেই করা যায়। ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই মোড়কের নির্দেশিকা পড়ে নেবেন। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বা নির্দেশনা অনুসরণে ভুল হলে টেস্ট ভুল দেখাতে পারে। টেস্ট নেগেটিভ, কিন্তু আপনি নিজেকে সন্তানসম্ভবা বলে মনে করছেন, এমন হলে এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে দেখুন। এরপরও মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। টেস্ট স্ট্রিপ ছাড়াও কাছাকাছি থাকা হাসপাতাল, প্রসূতি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আপনার প্রস্রাব পরীক্ষা করে গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে পারেন। মহিলাদের কমন সমস্যা গুলির মধ্যে একটা হল এমেনোরিয়া, যাকে সহজ বাংলায় আমরা মাসিক না হওয়া বা মাসিক বন্ধ থাকা বুঝে থাকি। যদি ১৬ বছর বয়সেও মাসিক শুরু না হয়, তাকে প্রাথমিক মাসিক বন্ধ বলে, এবং যদি মাসিক শুরু হওয়ার পরে ৬ মাস বা তার চেয়ে বেশি সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকে, তবে তাকে দ্বিতীয় মাসিক বন্ধ বলে। শারীর বৃত্তীয় প্রক্রিয়ার একটি স্তর হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি- অভারিয়ান-ইউটেরিয়ান অক্ষের বিকৃতির কারণে মাসিক বন্ধ থাকে। প্রাথমিক মাসিক বন্ধের কারণ :- ডিম্বাশয়ের রোগ যথা- পলিসিসটিক অভারী ও অন্যান্য রোগ ক্রোমোজোমের বিকৃতি সাথে গোনাডাল ডিসজেনেসিস যোনি এবং জরায়ুর অস্বাভাবিকতা শারীর বৃত্তিক কারণে দেরিতে বয়ঃসন্ধির আগমন এন্ড্রোকাইন গ্রন্থির কারণে যথা- এডিসন’স ডিজিজ, হাইপোথাইরোদিজম, এড্রেনোজেনিটাল সিন্ড্রোম কেন্দ্রীয় বিকৃতি যথা- পিটুইটারী টিউমার, হাইড্রোসেফালাস খাদ্যে অরুচি। দ্বিতীয় মাসিক বন্ধের কারণ :- শারীরবৃত্তীক কারণ তদসঙ্গে গর্ভধারণ, পুষ্টিহীনতা, মানসিক চাপ, এবং এথলেটদের অতিরিক্ত কর্ম প্রদর্শন। জরায়ু সম্পর্কিত বিকৃতি (এবরশন অথবা ডেলিভারীর পর জরায়ুর অন্তঃত্বক অতিরিক্ত চেঁছে ফেলার কারণে অথবা ইনফেকশনের কারণে।) হাইপোথালামিক-পিটুইটারী- অভারিয়ান অক্ষ (টিউমার, অপক্ক বা সময়ের আগেই রজঃনিবৃত্তি, অভারেক্টমী ) অন্যান্য কারণসমূহ :- হাইপারথাইরয়ডিজম হাইপোথাইরয়ডিজম এড্রেনাল গ্রন্থির টিউমার ডায়াবেটিস মেলিটাস কন্ট্রাসেপ্টিভ পিল বা উপাদান সাইকোট্রফিক ড্রাগ এক্সোজেনাস এন্ড্রোজেন্স হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :- স্ত্রীরোগ সমূহের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত কার্যকরী রেমেডি রয়েছে হোমিওপ্যাথিতে। তাই যে কোন স্ত্রী রোগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করুন এবং চিকিৎসা নিন।