2 Answers

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়। অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে। ১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। ২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে। ৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।

42266 views

অনেকেরই পেট ফোলাভাব বা গ্যাসের সমস্যা হয়। কখনো কখনো সমস্যাটি বেশ অস্বস্তিতেই ফেলে দেয়। একটু ভাজাপোড়া খেলেই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন অনেকে। কিন্তু ভাজাপোড়া ছাড়াও কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার রয়েছে, যেগুলো পেট ফোলাভাবের জন্য দায়ী। কিছু পদ্ধতি মেনে চললে অবশ্য শারীরিক সমস্যা ছাড়াই এই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলো উপভোগ করা যায়। জীবানযাত্রা-বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এই খাবারগুলোর নাম। ১. মটরশুটি মটরশুটির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, আঁশ ইত্যাদি। এটি কখনো কখনো পেট ফোলাভাব বা পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে রান্নার আগে মটরশুটিকে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে মটরশুটি সহজে হজম হবে। ২. রসুন রসুন খাওয়ার পর অনেকেরই পেট ফোলাভাব বা গ্যাসের সমস্যা হয়। রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রচুর স্বাস্থ্যকর উপাদান। তাই পেটে গ্যাস হবে ভেবে একে এড়িয়ে যাবেন না। পেটের ফোলাভাব প্রতিরোধে রসুন রান্না করে খান; কাঁচা খাবেন না। গ্যাস থেকে মুক্তি পাওয়ার এটি সবচেয়ে ভালো উপায়। ৩. পেঁয়াজ কাঁচা পেঁয়াজ গ্যাসের সমস্যা তৈরি করে। এই সবজিটির মধ্যে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর উপাদান। তাই গ্যাসের সমস্যা এড়াতে একে রান্না করে খান। ৪. ব্রকোলি ও বাঁধাকপি এই খাবারগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। তবে এগুলোও কিন্তু পেটে গ্যাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে। এগুলো আঁশ, আয়রন, ভিটামিন এবং মিনারেলসমৃদ্ধ খাবার। তবে যদি খাবারগুলো আপনাকে ঝামেলা করে বিকল্প হিসেবে শসা, পালং শাক ইত্যাদি খেতে পারেন। ৫. দুগ্ধ-জাতীয় খাবার দুধ, পনির, দই, মাখন এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এ খাবারগুলো পেটে গ্যাস তৈরি করে। এ রকম সমস্যা হলে বিকল্প হিসেবে নারকেলের দুধ, কাঠবাদামের দুধ, সয়া দুধ ইত্যাদি খান। ৬. বার্লি ওজন কমানোর ডায়েটে বার্লিকে রাখা হয়। এর মধ্যে রয়েছে আঁশ, ভিটামিন এবং মিনারেল। তবে এই খাবারটিও পেট ফোলাভাব তৈরি করে। এর বদলে বাদামি ভাত, ওটস ইত্যাদি খান।

42266 views

Related Questions