5 Answers
সময়ের সাথে সাথে বদলে যায় মানুষের রুচিবোধ। বদলে যায় অভ্যাস। তাইতো একটা সময় ছিল যখন শুধু মেয়েরাই রুপচর্চা করতো। কিন্তু এখন যুগ বদলেছে সেই সাথে পরিবর্তন হয়েছে আমাদের ধ্যান ধারণারও। পারিপাশ্বিক সব পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে ছেলেরা এখন রূপচর্চা সম্পর্কে অনেক সচেতন। জীবিকা অর্জনের তাগিদে কমবেশি সবাইকেই বাইরে বের হতে হয়। তখনই ত্বকের উপরিভাগে মরাকোষ, ঘাম, ত্বকের তেল ও ধুলাবালি মাখামাখি হয়ে ত্বককে ঘিরে রাখে। যার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর ও নির্জীব। ব্যস্ততার মাঝেও রূপচর্চার জন্য বেছে নিন সপ্তাহের যেকোন একটি দিন। সেই দিনটিতে হালকা কাজের পাশাপাশি বেশি সময়টা রূপচর্চায় দিন। ৩-৪ ঘণ্টা সময় নিজেকে সুন্দর করতে ব্যয় করুন। আর এতে আপনি থাকবেন সজীব ও প্রফুল্ল। ছেলেরা ত্বকের ধরন অনুযায়ী মাস্ক ব্যবহার করুন। মাস্ক ব্যবহার করতে হবে মুখমণ্ডল, গলা, ঘাড় এবং হাতের অনাবৃত অংশে। ত্বককে উদ্দীপ্ত করার জন্য এটি বিশেষ কাজ দেয়। মাস্ক ১০ মিনিটের বেশি ব্যবহার করবেন না। বাইরে থেকে এসে গোলাপজল মেশানো ঠাণ্ডা পানিতে গোসল করে নিন। সব সময় ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকবে। অন্যদিকে চুলে শ্যাম্পু করার আগে তেলের সঙ্গে আমলার রস ১ চামচ, মেথি গুঁড়ো ১ চামচ, মেহেদি পাতার গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, ডিম ১টি মিলিয়ে আধা ঘণ্টা মাথায় রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে। ত্বকের পাশাপাশি নিতে হবে হাত-পায়ের যত্ন। একটি পাত্রে অল্প গরম পানিতে শ্যাম্পু বা তরল সাবান মিশিয়ে নিন। এই গরম পানিতে হাত-পা ১৫-২০ মিনিট সময় নিয়ে ডুবিয়ে রাখুন। নরম স্কাবার ও পামিস স্টোন ব্যবহার করে পায়ের তলা ঘষে পরিষ্কার করে নিন। এরপর ম্যাসাজ ক্রিম দিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন ১০ মিনিট ধরে। এবার আপনার পছন্দমতো চন্দন, নিম বা শসার প্যাক লাগান। হাতের ক্ষেত্রেও ঠিক একইভাবে যত্ন নিন। সুচালো কোনো জিনিস দিয়ে নখের অংশ পরিষ্কার করে নিন। এবার হাত ও পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে মুছে নিন। তারপর ময়েশ্চারাইজার ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন।
মানুষ সুন্দরের পুজারি । এক সময় শুধু মেয়েরা রূপ নিয়ে ভাবত । কিন্তু এখন ছেলেরাও তাদের রূপ চর্চার ব্যাপারে পিছিয়ে নেই । আর কিভাবে তারা রূপ চর্চা করবেন সে বিষয়ে কথা হল বিউটিশিয়ান ও রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন মিউনির সাথে। তিনি ছেলেদের রূপ চর্চার বিষয়ে কিছু টিপস দিয়েছেন। যা নেশন নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। তিনি জানান, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, ধুলাবালির প্রলেপে ত্বকের রং তামাটে, রুক্ষ ও ম্লান হয়ে যায়। ছেলেদের ত্বকের এ খসখসে ভাব দূর করতে নিয়মিত যত্নের প্রয়োজন। পুরুষের ত্বক মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশি পুরু। তাই মেয়েদের রুপচর্চার সঙ্গে পুরুষদের রূপচর্চার কোনো মিল নেই। ছেলেদের সবচেয়ে বেশি সমস্যার জায়গা হল ভ্রুরেখার ভাঁজ, চোখের কোলে কুঁচকে যাওয়া দাগ, ঝুলে পড়া গাল আর এবড়ো-খেবড়ো ছিদ্রযুক্ত অমসৃণ ত্বক।সেলুনে তারা শুধু চুল কাটানোর পাশাপাশি চুল সাজানো, শ্যাম্পু, মেনিকিউর, ব্লিচ, ফেইশল, ম্যাসাজও করছেন। ত্বকের গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। বাইরে গরম, আবার অফিস বা ঘরের ভেতর এসি। একবার ঠান্ডা আবার গরম এ রকম মিশ্র আবহাওয়ায় বারবার যাওয়া-আসা আর বিভিন্ন দূষণ ত্বককে করে তোলে শুষ্ক ও খসখসে। তাই প্রতিদিনই ত্বকের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। শেভ করা ছেলেদের প্রতিদিনকার কাজ। এ ছাড়াও তাদের ত্বক অনুযায়ী প্রয়োজন প্রতিদিনের যত্ন। ছেলেদের ফেইশল : ছেলেরা দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে কাটান। তাই ঘর থেকে বের হওয়ার আগে হাত-মুখ ধুয়ে সানক্রিম বা লোশন লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ব্যাগের মধ্যে একটা ফেইশল বা ফেইসওয়াশ রাখা ভালো। শহরের যানজট আর ধুলাবালির মধ্যে অফিসে পৌঁছে প্রথমেই ব্যাগে রাখা ফেইসওয়াশ দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিন। এতে ভালোভাবে কাজে মনোযোগ দেওয়া যায়। যারা সারাদিন হাত-মুখ পরিষ্কার করার সময় পান না বললেই চলে, তারা মাসে অন্তত একদিন কোনো বিউটি সেলুনে গিয়ে ফেইশল করাতে পারেন। এখন তো ছেলেদের জন্য বেশ কয়েকটি আলাদা বিউটি পার্লার আছে। এসব জায়গায় গিয়ে যাদের শুষ্ক ত্বক তারা সানবার্ন ফেইশল করাতে পারেন। এটা রোদেপোড়া ত্বকের জন্যও উপকারী। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা করাতে পারেন অ্যালোভেরা ও গোল্ড ফেইশল। ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে আয়ুর্বেদিক ফেইশল করালে উপকার পাবেন। ঘরে বসে ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে রোদেপোড়া ভাব কমাতে চন্দনের প্যাক লাগাতে পারেন। ত্বকে ব্ল্যাকহেডস থাকলে গরম পানিতে কিছু সময় ভাপ নিয়ে আস্তে আস্তে দুই আঙুলের ডগা দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস বের করতে পারেন। মধ্যবয়সীদের ত্বকের যত্ন:এই সময়ে ত্বকের প্রধান সমস্যা হল, স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ত্বক ঝুলে পড়ে। এর জন্য বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। অক্সিজেন, আল্ট্রাসনিক, হাইফ্রিকোয়েন্সি-ফেইশল এক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ দেয়। এই বয়সে চোখের নিচে ফোলা ভাবও দেখা দেয়। অল্প গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। চোখের নিচের ত্বক অনেক পাতলা। তাই ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজারযুক্ত লোশন ব্যবহার করা ঠিক নয়। প্রয়োজনে আন্ডার আইক্রিম লাগাতে পারেন। চুলের যত্ন: ত্বকের পুষ্টি থেকেই চুল পুষ্টি পায়। কারণ চুলের নিজস্ব কোনো রক্তনালি নেই। তাই সুন্দর চুলের অধিকারী হওয়ার জন্য পুরুষদেরও খানিকটা কষ্ট করতে হয়। চুলে নিয়মিত তেল দেওয়া, শ্যাম্পু করা, কন্ডিশনিং করা খুবই জরুরি কাজ। সম্ভব হলে সপ্তাহে অন্তত একদিন চুলে মেহেদি ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। খুশকি: যদিও সাধারণ সমস্যা। তবে যদি কারও অনেকদিনের পুরনো খুশকি থাকে সেখান থেকে মুখে ব্রণ হওয়া, চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। চুলে হালকা তেল ম্যাসাজ অনেক ক্ষেত্রেই এ সমস্যার সমাধান করে। মেহেদি খুশকির সমস্যা সমাধানে সহায়ক। এর সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ, দই বা কফি অল্প গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করে মাথায় লাগান। আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। একজন সুদর্শন পুরুষ মানেই সুন্দর ত্বক, সুন্দর চুল, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী। আর এসব কিছুর জন্য প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ব্যালেন্স ডায়েট ও ভালো একটা ঘুম।
ছেলেদের রূপচর্চার কিছু উপায়- ১. ছেলেরা দিনের বেশিরভাগ সময় বাইরে কাটান। তাই ঘর থেকে বের হওয়ার আগে হাত-মুখ ধুয়ে সানক্রিম বা লোশন লাগিয়ে নেওয়া উচিত। ব্যাগের মধ্যে একটা ফেসিয়াল বা ফেসওয়াশ রাখা ভালো। শহরের যানজট আর ধুলাবালির মধ্যে অফিসে পৌঁছে প্রথমেই ব্যাগে রাখা ফেসওয়াশ দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিন। এতে ভালোভাবে কাজে মনোযোগ দেওয়া যায়। ২. যারা সারাদিন হাত-মুখ পরিষ্কার করার সময় পান না বললেই চলে, তারা মাসে অন্তত একদিন কোনো বিউটি স্যালোনে গিয়ে ফেসিয়াল করাতে পারেন। এখন তো ছেলেদের জন্য বেশ কয়েকটি আলাদা বিউটি পার্লার আছে। ৩. যাদের শুষ্ক ত্বক তারা সানবার্ন ফেসিয়াল করাতে পারেন। এটা রোদেপোড়া ত্বকের জন্যও উপকারী। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা করাতে পারেন অ্যালোভেরা ও গোল্ড ফেসিয়াল। ৪. ত্বকে ব্রণের সমস্যা থাকলে আয়ুর্বেদিক ফেসিয়াল করালে উপকার পাবেন। ঘরে বসে ত্বকের যত্ন নিতে চাইলে রোদেপোড়া ভাব কমাতে চন্দনের প্যাক লাগাতে পারেন। ৫. ত্বকে ব্ল্যাকহেডস থাকলে গরম পানিতে কিছু সময় ভাপ নিয়ে আস্তে আস্তে দুই আঙুলের ডগা দিয়ে চেপে ব্ল্যাকহেডস বের করতে পারেন।
কর্মক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন-মেয়েরা এখন
ছেলেদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। তাই রূপচর্চায়
ছেলেরা কেন পিছিয়ে থাকবেন? তাছাড়া সুস্থ ও
সুন্দর ত্বকের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সৌন্দর্যের
মুল কথা। তাই হতাশ হবার কোন কারণ নেই।
আপনাদেরই জন্য রয়েছে আমার কিছু বিউটি
টিপসঃ
১। গরমের দিনে ত্বকের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার
জন্য বেশি যত্ন নিতে হয়। তাছাড়া ত্বক
তৈলাক্ত হলে ব্রণ হবার প্রবনতা থাকে আরও
বেশি। নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখলে এই ব্রন
হবার ভয় আর থাকেনা। তাই প্রতিদিন
ফেসওআশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করা উচিত।
২। ত্বকের খসখসে ভাব দূর করতে ও বলিরেখার
হাত থেকে রেহাই পেতে হলে সব সময় ক্রিম
ব্যবহার করুন। তবে গরমের দিনে ক্রিম হতে হবে
তেলহীন। চাইলে ক্রিমের বদলে বেবি লোশনও
বাবহার করতে পারেন।
৩। রোদ থেকে রেহাই পেতে, বাইরে বের হবার
আগে অবশ্যই ত্বকের ধরন অনুযায়ী সানস্ক্রিন
ব্যবহার করুন আর চোখে দিন ভালো ব্র্যান্ড
এর সানগ্লাস।
৪। ত্বক ও চুল পড়া বন্ধের জন্য আমলকীর
তুলনা নেই। তাছাড়া আমলকী রুচি বাড়ায় আর
ত্বককে করে আরও উজ্জ্বল।
৫। অতিরিক্ত খুশকির হাত থেকে রক্ষা পেতে
মাথায় কিছুদিন তেল দেয়া বন্ধ রাখুন।
অ্যান্টিডেনড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার
করুন এক দিন পর পর।
ছেলেদেরকে যেহেতু দিনের বেশিভাগ সময় ঘরের বাহিরে কাটাতে হয় তাই বাহিরে যাওয়ার আগে ভালভাবে ত্বক পরিস্কার করে সানক্রিম লাগানো উচিৎ। প্রয়োজনে আপনি আপনার ব্যাগে ফেইসওয়াস রাখতে পারেন। সময় ও সুযোগ পেলে যাতে আপনি ভালভাবে ত্বককে পরিস্কার করতে পারেন। আর যারা একদমেই সময় পাননা তারা মাশে অন্তত একবারের জন্য হলেও ছেলুনে গিয়ে ফেসিয়াল করাবেন। তাতে করে আপনার ত্বকের উপর ময়লার যে প্রলেপ পড়বে তা দূর হয়ে যাবে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য সানবার্ন ফেসিয়াল বিশেষ উপযোগী। আর যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা অ্যালোভেরা ও গোল্ড ফেসিয়াল করতে পারেন। এছাড়াও আয়ুর্বেদিক ফেসিয়াল ও চন্দনের ব্যাবহারে আপনার ত্বক থাকবে ব্রণ মুক্ত এবং আরও উজ্জ্বল হবে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনার ত্বক ঝুলে যেতে পারে এবং চোখের নিচের অংশ ফোলার মত হতে পারে। অক্সিজেন, আলট্রাসনিক ও হাইফ্রিকোয়েন্সি ফেইশল আপনার ত্বকের ঝুলা ভাব দূর করতে খুব ভালো কাজ করবে। চোখের নিচের ত্বক অনেক পাতলা হওয়ার কারনে এখানে ক্রিম বা ময়েসচারাইজার ব্যাবহার না করে আপনি প্রয়োজনে আন্ডার আইক্রিম ব্যাবহার করতে পারেন। চুলের যত্নের জন্য আপনি শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, মেহেদী এবং ডিমের সাদা অংশের সাথে দই বা কফি হালকা গরম পানি দিয়ে পেস্ট করে মাথায় লাগাতে পারেন। এতে আপনার চুল যেমন শক্ত হবে ঠিক তেমনি খুসকির হাত থেকেও আপনি রক্ষা পাবেন। প্রতিদিন কিছু নিয়ম মানলেই আপনি আপনার ত্বককে অনেক ভালো রাখতে পারেন। এতে আপনি হয়ে উঠতে পারেন আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী ও সুদর্শন।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy