আমি ১৩ বছর বয়সে আমার এক বান্ধবিকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে প্রথম হস্তমৈথুন করি ৷ কিন্তু আমার তখন হস্তমৈথুন ও বীয সম্পকে কোন ধারণা ছিল না ৷ প্রথম হস্তমৈথুন আমার খুব মজা লাগে তাই আমি পরপর তিনদিন দিনে ২ বার করে হস্তমৈথুন করেছিলাম ৷ তারপর থেকেই আমার স্বপ্নদোষ শুরু হয় ৷ প্রথম ৩ বছর সব্বোচ্চ ৮ বার করে স্বপ্নদোষ হলেও গত ২ বছর ধরে এ স্বপ্নদোষের সংখ্যা বেরে মাসে ১২ তে দারিয়েছে ৷ আমি গত ৫ বছর ধরে স্বপ্নদোষের সমস্যায় ভুগছি ৷ এখন আমার বয়স ১৮ ৷ আমার লিঙ্গ ৫" ৷ আমার ১৩ বছর বয়সে উচ্চতা ছিল ৪.১০" আর এখন ৫.২" ৷ আমার ধারণা আমি আমার স্বপ্নদোষ সমস্যার জন্য পুরোপুরিভাবে লম্বা হতে পারি নি ৷ আমি তিন বছর যাবৎ হস্তমৈথুন ছেরে দিয়েছি ৷ আমি অনের টাকা এ রোগের পিছনে খরচ করেছি কিন্তু কোন ফল পাই নি ৷ ইদানিং আমার শরীর অনেক দুবল লাগে ৷ আমার কারো সাথে মিশতে ভালো লাগে না ৷ তাছারাও গত কিছুদিন হলো আমি কোন উত্তেজক কথা শুনলে বা দেখলে আমার লিঙ্গ থেকে বীয বেরয়ে যায় ৷ খুব সমস্যায় আছি এখন আমার আর বাচতেই ইচ্ছা করে না ৷ আমি এখন কি করবো?
4398 views

7 Answers

স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কি: ১) ঘুমাতে যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন।যদিও এটি স্বপ্নদোষের চিকিৎসা নয়।তবে এটি স্বপ্নদোষের চাপ কমাতে শরিরকে সাহায্য করে। ২) ঘুমাতে যাওয়ার আগে এককাপ ঋষি পাতা(sage leaves- Google এ search করে দেকতে পারেন। হয়ত এটি আপনার অঞ্চলে ভিন্ন নামে পরিচিত) এর চা পান করলে অতিরিক্ত হস্থমৈথুন জনিত স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ৩) অশ্বগন্ধা স্বপ্নদোষে সৃষ্ট সমস্যার উপকরণ সহ সর্বোপরি যৌন স্বাস্থ্য শুদ্ধি হরমুন ব্যালেন্স এবং হস্থমৈথুন এর ফলে দুর্বল হয়ে যাওয়া পেশিশক্তি ফিরে পাওয়া ও ছোট খাটো ইঞ্জুরি সারিয়ে তুলতে পারে। ৪) ঘুমানোর আগে অতিরিক্ত পানি পান করবেন না।যদি সামান্য পরিমাণ প্রস্রাবের লক্ষণও থাকে বিছানায় যাওয়ার আগে প্রস্রাব করে নিন। ৫) রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না।কিছুক্ষণ হাটা হাটি করুন। ৬) প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরি খাবার অভ্যাস করুন। ৭) পবিত্র কোরানের ৩০ নাম্বার পারার ” সুরা তারিক” পরে শয়ন করুন। হালকা জিকির এবং অন্যান্য দোয়া পরে ঘুমাতে গেলে আল্লাহর রহমতে স্বপ্নদোষ থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

4398 views

আপনি আগে হস্তমৈথুন করার কারণে এখন এই সমস্যাটা।হস্তমৈথুন না করলে এই সমস্যাটা হতো না। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে আপনি কোন মেয়েকে নিয়ে ভাববেন না।কোন সেক্সুয়াল বিষয় নিয়ে ভাববেন না।

4398 views

☞ দিনের বেলায় অতিরিক্ত দুচিন্তা করবেন না। ☞ অতিরিক্ত সেক্স এর বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন না। ☞ রাতের খাবার খাওয়ার পর-পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষন হাটা-হাটি করুন।পারলে ব্যায়াম করুন। ☞ প্রতিদিন সামান্য করে হলেও পুদিনা পাতা অথবা মিছরী খাবার অভ্যাস করুন। ☞ মনে মনে এমন কিছু ভাবুন যেটি আপনাকে মানসিক ভাবে শান্তি প্রদান করে। ☞ যখন ঘুম আসবে শুধু মাত্র তখনি বিছানায় যাবেন। বিছানায় গিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন অযথা কল্পনা করবেন না। ☞ নিজেকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। ☞ রাতে ঢিলাঢালা জামাকাপড় পরে ঘুমান ☞ পর্ণ দেখা বন্ধ করুন ☞ মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে আবার প্রস্রাব করুন ☞ রাতে ঘুমানোর আগে কিছু বরফ নিয়ে অণ্ডকোষের চারপাশে কিছুক্ষন মালিশ করে তারপর ঘুমান । ☞ হস্তমৈথুন এবং যৌনমিলন নিয়মিত করলে এম্নিতেই স্বপ্নদোষ কম হবে । ☞ এরপরও যদি না কমে তবে দেরি না করে ডাক্তার দেখান ।.

4398 views

কাবাবচিনি ও মকরধজ এক সাথে মিশিয়ে চিনি সহযোগে সাতদিন ব্যবহার করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। দৈনিক সকালে কবিতরের গম সমান পরিমাণ ইছবগুলের ভূষি সেবন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। সকাল বেলা এক ছটাক ধনিয়া ভালোভাবে কচলে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাতে শয়নকালে উক্ত পানি ছেকে ২ চামচ চিনি দিয়ে শরবতের মতো বানিয়ে পান করবে। এতেও স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে। আধা তোলা ধনিয়ার গুড়ো ২ চামচ মধুসহ সকালে নিয়মিত সেবন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যাবে। রাতে শয়নকালে লিঙ্গে ওলিভয়েল তৈল মালিশ করে শয়ন করলে স্বপ্নদোষ হতে মুক্তি পাওয়া যায়। চার আনা পরিমাণ অরশ্বগন্ধা চূর্ণ করে রাতে ঘুমের কিছুক্ষণ আগে, কাঁচা দুধে মিশিয়ে সেবনের পর ঘুমালে ইনশাআল্লাহ স্বপ্নদোষ হবে না। শনিবার অথবা মঙ্গলবার রাত্রি বেলা শশ্মানঘাটের ধুতরা গাছের মূল অর্থাৎ শিকড়, কোমরে বেধে রাখলে আর কোনোদিন স্বপ্নদোষ হবে না। রাতে শোয়ার সময় ভালোভাবে মুখমণ্ডল কান পর্যন্ত, হাত বগল পর্যন্ত এবং পা হাটু পর্যন্ত এমনকি গলাও উত্তমরূপে ধৌত করে ঘুমাবে। মাত্রাতিরিক্ত চা ও সিগারেট সেবন না করা। রাতে বেশি পরিমাণ খানা খাওয়া উচিৎ নয়। অধিক রাত পর্যন্ত জেগে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। নিয়মিত আহার ও নিদ্রা যাওয়া উচিৎ। জৈতুনের তেল পুরুষাঙ্গ মালিশ করে শয়ন করলে স্বপ্নদোষ হয় না। একখন্ড শিশা পুরুষাঙ্গের মূলদেশে বেধে রাখলেও শুক্রপাত হয় না। তদ্রুপভাবে দুই তোলা চিনি ভালোভাবে গুড়ো করবে। তারপর সিকি তোলা পরিমাণ আফিম ভালোভাবে মিশিয়ে দুই রত্তি পরিমাণ অর্থাৎ প্রতি তোলায় ৪৮ টি করে বড়ি তৈরি করবে। এরপর প্রতি রাতে শয়নকালে একটি করে বড়ি এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানিসহ সেবন করবে। আল্লাহ চাহে তো অচিরেই স্বপ্নদোষ হতে রক্ষা পাবে। প্রত্যেক দিন ভোর বেলা কৈতরগম কিংবা ইছবগুলের ভূষি এক গ্লাস সরবত বানিয়ে নিয়মিত সেবন করলে স্বপ্নদোষ রোগ ভালো হয়ে যাবে।

4398 views

অশ্লীল চিন্তা-ভাবনা, কু-চিন্তা ফিকির, অশ্লীলস্বপ্ন দেখা, বদ হজম ও পেট খারাপের কারণে। মূত্রথলির দুর্বলতা, বীর্যথলি ভরপুর ইত্যাদি। বীর্যথলি ভরপুর অবস্থায় নতুন বীর্য তৈরি হলে, অতিরিক্ত বীর্য বের হয়ে আসে। বীর্য অতিরিক্ত হয়ে যাওয়ার কারণ ছাড়া বাকীগুলো বীর্য পাতলা বা ধাতু দুর্বলতার কারণে হয়। যার চিকিৎসা আবশ্যক। স্বপ্নদোষ হওয়ার যতগুলো কারণ রয়েছে, তন্মধ্যে বদ নযর হল অন্যতম। মনের ইচ্ছা নিয়ে কোনো বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টিপাত করলে, অধিকাংশ সময় স্বপ্নদোষ হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলার হাজার শোকর যে, আল্লাহ তাআলা আমাকে [মূল লেখক] বিগত কয়েক বছর যাবত স্বপ্নদোষ থেকে রক্ষা করেছেন। দীর্ঘদিন স্বপ্নদোষ না হওয়াতেও আমি ঘাবরিয়ে গেলাম, না জানি আমার আবার কোন রোগ দেখা দিল। এজন্য আমার মুরব্বিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করলাম। তারা আমাকে শান্তনা দিলেন যে, দেখ! স্বপ্নদোষ বেশির ভাগ বদ নযরের কারণে হয়ে থাকে, কারো যদি স্বপ্নদোষ না হয়, তাতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। কিছুদিন পর আমি হযরত আব্দুল কাদির জিলানী (রহঃ) এর রেছালা মুতালাআ করলাম, তাতে লেখা হয়েছে যে, স্বপ্নদোষের উল্লেখযোগ্য কারণ বদ নযর ও বদ খেয়াল। এক তাফসীরে আল্লামা সুয়ুতী (রহঃ) লিখেন, নবী করীম (সাঃ) এর পূর্ণ জিবনে কখনো স্বপ্নদোষ হয় নি। হযরত শায়খ জাকারিয়া (রহঃ) লিখেন, তাঁর জীবনে কেবল একবার স্বপ্নদোষ হয়েছিল। আর তাও হয়েছিল উটের সাওয়ার অবস্থায়। নবী ও রাসূলগণের স্বপ্নদোষ না হওয়ার কারণ হল, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে বদ নযর ও বদ খেয়াল থেকে মুক্ত রেখেছেন। সকল পুরুষের স্বপ্নদোষ হতে হবে এমনটি নয়। বরং কারো সারা জীবনে স্বপ্নদোষ নাও হতে পারে। আবার কারো কারো দেখা যায় যে, মাসে দু’ একবার হয়ে থাকে। যদি কারো মাসে দু’একবার স্বপ্নদোষ হয়, তাহলে তাকে হেকিমের স্মরণাপন্ন হতে হবে না। কিন্তু যদি কারো অবস্থা এমন হয় যে, এক মাসে চার পাঁচ বার বা তাঁর চেয়েও বেশি স্বপ্নদোষ হয়, তাহলে তাকে হেকিমের স্মরণাপন্ন হতে হবে। যদি কারো এভাবে মাসকে মাস বছরকে বছর স্বপ্নদোষ হতে থাকে, তাহলে আস্তে আস্তে তাঁর শরীরে দুর্বলতা দেখা দিবে। অনেক লোক এমনও আছে যে, এক রাতেই তাঁর একাধিকবার স্বপ্নদোষ হয়। এসব লোক একেবারেই দুর্বল হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠলেই মাহা ঘুড়াবে, শরীরে দুর্বলতা অনুভব হবে, চোখে অন্ধাকার দেখবে, চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে যাবে, মন ভালো থাকবে না। অবস্থা এমন হয় যে, বীর্য পাতলা হতে হতে পানিত ন্যায় হয়। স্বপ্নদোষ কখন হয়, সে নিজেও জানে না। পেশাব পায়খানার সময়ও বীর্যপাত হয়। কোনো সুন্দরী রমনীর সাথে আলাপ করলে, কোনো যৌন বিষয়ক বই পড়লেও বীর্যপাত হয়ে যায়। যখন কারো বীর্য এমন পাতলা হয়ে যাবে, তখন তাঁর দ্বারা সন্তান জম্ম দেয়ার ক্ষমতা হ্রাস পাবে।

4398 views

খারাপ চিন্তা ও সেক্স ভিডিও দেখা বন্ধ করতে হবে।

4398 views

আপনি ঘুমানোর পূর্বে আগের দেওয়া নিয়ম গুলো মানবেন।আর শুয়ার সময় অজু করে বুকে দুহাত রেখে আসসামীয়ু ওয়ালমুমিমু এই দোয়াটি ১৫বার পাঠ করে বুকে ফু দিয়ে ঘুমাতে যান প্রতিদিন।আশা করি এসমস্যা থাকবেনা।

4398 views

Related Questions