4 Answers
বর্তমানে ইন্টারনেট নতুন প্রজন্মের নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে,ইন্টরনেটের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক,টুইটার বিভিন্ন ওয়েবসাইট সর্বাধিক জনপ্রিয়। কিন্তু,অনেক সামাজিক যোগাযোগের এ সব মাধ্যমে নিকৃষ্টতম ব্যবহার তথা অশীল,মিথ্যা,বা মানহানিকর তথ্য প্রকাশপূর্বক অপরাধ সংগঠন করে থাকে। এক্ষেত্রে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ এর ৫৭(২) ধারা অনুযায়ী অনধিক ১০ বৎসর কারাদন্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অথর্দন্ডে দন্ডিত করার বিধান আছে।
যেহেতু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আইনগত বৈধতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্র্কে বিধান প্রণয়ন করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইলঃ- প্রথম অধ্যায় প্রারম্ভিক সংক্ষিপ্ত শিরোনাম, প্রয়োগ এবং প্রবর্তন ১৷ (১) এই আইন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ নামে অভিহিত হইবে৷ (২) সমগ্র বাংলাদেশে ইহার প্রয়োগ হইবে৷ (৩) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে৷ সংজ্ঞা ২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে- (১) “ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর” অর্থ ইলেক্ট্রনিক আকারে কোন উপাত্ত, যাহা- (ক) অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক উপাত্তের সহিত সরাসরি বা যৌক্তিক-ভাবে সংযুক্ত; এবং (খ) কোন ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষরের প্রমাণীকরণ নিম্নবর্ণিত শর্তাদি পূরণক্রমে সম্পন্ন হয়- (অ) যাহা স্বাক্ষরদাতার সহিত অনন্যরূপে সংযুক্ত হয়; (আ) যাহা স্বাক্ষরদাতাকে সনাক্তকরণে সক্ষম হয়; (ই) স্বাক্ষরদাতার নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে এমন নিরাপদ পন্থায় যাহার সৃষ্টি হয়; এবং (ঈ) সংযুক্ত উপাত্তের সহিত উহা এমনভাবে সম্পর্কিত যে, পরবর্তীতে উক্ত উপাত্তে কোন পরিবর্তন সনাক্তকরণে সক্ষম হয়; (২) “ইলেক্ট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট” অর্থ ধারা ৩৬ এর অধীন ইস্যুকৃত কোন সার্টিফিকেট; (৩) “ইলেকট্রনিক” অর্থ ইলেকট্রিক্যাল, ডিজিটাল, ম্যাগনেটিক, অয়্যারলেস, অপটিক্যাল, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বা তুলনীয় সক্ষমতা রহিয়াছে এইরূপ কোন প্রযুক্তি; (৪) “ইলেক্ট্রনিক উপাত্ত বিনিময় (electronic data inter-change)” অর্থ তথ্য সংগঠিত করিবার উদ্দেশ্যে একটি স্বীকৃত মানদণ্ড অনুসরণক্রমে কোন উপাত্ত এক কম্পিউটার হইতে অন্য কম্পিউটারে ইলেক্ট্রনিক উপায়ে স্থানান্তর; (৫) “ইলেক্ট্রনিক বিন্যাস (electronic form)” অর্থ কোন তথ্যের ক্ষেত্রে, কোন মিডিয়া, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার স্মৃতি (memory), মাইক্রোফিল্ম, কম্পিউটারের প্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিচ বা অনুরূপ অন্য কোন যন্ত্র বা কৌশলের মাধ্যমে কোন তথ্য সংরক্ষণ বা প্রস্তুত, গ্রহণ বা প্রেরণ; (৬) “ইলেক্ট্রনিক গেজেট” অর্থ সরকার কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত সরকারী গেজেটের অতিরিক্ত হিসাবে ইলেক্ট্রনিক আকারে প্রকাশিত সরকারী গেজেট; (৭) “ইলেক্ট্রনিক রেকর্ড” অর্থ কোন উপাত্ত, রেকর্ড বা উপাত্ত হইতে প্রস্তুতকৃত ছবি বা প্রতিচ্ছবি বা শব্দ, যাহা কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাস, মাইক্রোফিল্ম বা কম্পিউটারে প্রস্তুতকৃত মাইক্রোফিচে সংরক্ষিত, গৃহীত বা প্রেরিত হইয়াছে; (৮) “ইন্টারনেট” অর্থ এমন একটি আন্তর্জাতিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যাহার মাধ্যমে কম্পিউটার, সেলুলার ফোন বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহারকারীগণ বিশ্বব্যাপী একে অন্যের সহিত যোগাযোগ এবং তথ্যের আদান-প্রদান এবং ওয়েব সাইটে উপস্থাপিত তথ্যাবলী অবলোকন করিতে সক্ষম হয়; (৯) “ইলেক্ট্রনিক মেইল” অর্থ ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরিত বা প্রাপ্ত কোন মেইল এবং তত্সংশ্লিষ্ট কোন দলিলাদি; (১০) “উপাত্ত” অর্থ কোন আনুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে প্রস্তুত তথ্য, জ্ঞান, ঘটনা, ধারণা বা নির্দেশাবলী যাহা কম্পিউটার প্রিন্ট আউট, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল স্টোরেজ মিডিয়া, পাঞ্চকার্ড, পাঞ্চ টেপসহ যে কোন আকারে বা বিন্যাসে কম্পিউটার সিস্টেম অথবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রক্রিয়াজাত করা হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবে অথবা যাহা অভ্যন্তরীণভাবে কোন কম্পিউটার স্মৃতিতে সংরক্ষিত; (১১) “উপাত্ত-বার্তা (data message)” অর্থ ইলেকট্রনিক, অপটিক্যাল-সহ কোন ইলেক্ট্রনিক উপাত্ত বিনিময়, ইলেক্ট্রনিক মেইল, টেলিগ্রাম, টেলেক্স, ফ্যাক্স, টেলিকপি, সর্ট মেসিজ (SMS) বা অনুরূপ কোন পদ্ধতিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা সংরক্ষিত তথ্য; (১২) “ওয়েবসাইট” অর্থ কম্পিউটার এবং ওয়েব সার্ভারে সংরক্ষিত ডকুমেন্ট এবং তথ্যসমূহ যাহা ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্রাউজ বা অবলোকন করিতে পারে; (১৩) “কম্পিউটার” অর্থ যে কোন ইলেকট্রনিক, ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল বা দ্রুতগতির তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্র বা সিস্টেম, যাহা ইলেকট্রনিক, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল ইমপালস ব্যবহার করিয়া যৌক্তিক, গাণিতিক এবং স্মৃতি কার্যক্রম সম্পন্ন করে, এবং কোন কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সহিত সংযুক্ত এবং যাহাতে সকল ইনপুট, আউটপুট, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চিতি (storage), কম্পিউটার সফটওয়ার বা যোগাযোগ সুবিধাদিও ইহার অন্তর্ভুক্ত থাকে; (১৪) “কম্পিউটার নেটওয়ার্ক” অর্থ এমন এক ধরনের আন্তঃসংযোগ যাহা স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, টেরিস্ট্রিয়েল লাইন, অয়্যারলেস যন্ত্র, ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, ইনফ্রারেড, ওয়াই ফাই, ব্লুটূথ বা অন্য কোন যোগাযোগের মাধ্যম বা কোন প্রান্ত্রিক (terminal) যন্ত্রপাতি বা দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের আন্তঃসংযোগ রহিয়াছে এমন কোন কমপ্লেক্স, যাহাতে আন্তঃসংযোগ নিরবচ্ছিন্নভাবে সংর
"তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন" ২০০৬ সালে প্রথম পাস হয়। এরপর দুই দফায় সংশোধিত হয় ২০০৯ এবং ২০১৩ সালে।
"তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ" এর ওয়েবসাইট http://www.ictd.gov.bd এ গেলে সকল আইন সংবলিত সকল ফাইল ডাউনলোড করা যায়।
ডাউনলোড করার সুবিধার্তে নিচের ডাউনলোড লিংক দেয়া হল:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
http://ictd.portal.gov.bd/sites/default/files/files/ictd.portal.gov.bd/legislative_information/fdc456d8_9880_41d5_a4e3_3ca94e19c9a7/ICT%20act-2006.pdf
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০০৯
http://ictd.portal.gov.bd/sites/default/files/files/ictd.portal.gov.bd/legislative_information/c6bd2f49_4965_4a7b_bae3_09808bad30b5/ICT%20act-2009.pdf
"তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩"
http://ictd.portal.gov.bd/sites/default/files/files/ictd.portal.gov.bd/legislative_information/1abe85ce_b769_4dfb_a5f9_5e1d21d7bcd2/ICT_Act_Amendment_2013.pdf