5 Answers
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শীতকালে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় বেশিরভাগই ত্বক ও শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগে থাকেন। সর্দি ও ঠাণ্ডা কাশি কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়, কিন্তু শুকনো খুশখুশে কাশি সহজে সারতে চায় না। একটু সচেতন হলে এই শুকনো কাশি থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব। জেনে নিন কাশি সারানোর কিছু উপায়: আদা কাশির জন্য সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসাটা হলো আদা। এক্ষেত্রে আদার টুকরোর ওপর লবণ ছিটিয়ে ভাল করে চিবিয়ে রস খাওয়াটাই উত্তম। এছাড়া পরিমাণমতো পানিতে এক ইঞ্চি আদা কুচি করে সেটা সেদ্ধ করে পানির পরিমাণ অর্ধেক করে ফেলুন। তারপর পানিটা ছেঁকে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করুন। দিনে ৩-৪ বার এ পানীয় পান করলে কাশি সারবেই। মধু যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট স্কুল অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধু খাওয়ার পর রাতের যন্ত্রণাদায়ক কাশি বন্ধ হয়ে গেছে, ঘুমও হয়েছে ভাল। তবে রোগ ভেদে মধুর প্রয়োগও ভিন্ন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রাতভর কাশতে হবে না। এছাড়া কাশি দূর করতে আঙুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।
মধু খেলেও কিন্তু কাশ অনেক কমে আপনি ঘুমানোর আগে ২ চা চামচ মধু খেয়ে ঘুমান এভাবে ২-৩ খেলে আল্লাহর রহমতে সব ঠিক হয়ে যাবে।
গরমের সময় ঠাণ্ডা লেগে অনেকেরই মৃদু জ্বর থেকে গলা ব্যাথা আর শুষ্ক কাশি দেখা দিয়েছে। শুষ্ক কাশি বেশ ঝামেলার এবং বিরক্তির। এই খুসখুসে কাশিতে সারাদিনই কাশি লেগেই থাকে, আর একবার শুরু হলে তাকে থামান বেশ কষ্টদায়ক হয়ে পড়ে। তাই যেকোনো পরিবেশে শুষ্ক কাশি খুবই বিরক্তির সৃষ্টি করে। তাই চলুন দেখে নেই, শুষ্ক কাশি থেকে মুক্তির উপায়। * শুষ্ক কাশিতে প্রচুর পানি পান করতে হয়। এবং অবশ্যই সেই পানি হালকা গরম হতে হবে। সারাদিনই অল্প অল্প করে গরম পানি পান করলে, খুসখুসে কাশি দূর হয়ে যাবে। দিনে অন্তত ১২ গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। কাশি থেকে কিছুটা রক্ষা পাওয়া যাবে। * প্রতিদিন চারটি তুলসী পাতা নিয়ে, তার সাথে মধু মিশিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। চায়ের সাথে তুলসী পাতা মিশিয়েও খাওয়া যায়। তুলসী পাতা দ্রুত খুসখুসে কাশি নিরাময়ে সহায়ক। * প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে। * আদা চাও খুসখুসে কাশি দূর করতে সাহায্য করে। এভাবেই এই বিরক্তিকর কাশি থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই ভালো থাকুন আর নিজের শরীরের যত্ন নিন।
সাধারণ কাশি হলে আপনি লবঙ্গ+তাল মিশ্রী মিশিয়ে খেতে পারেন। চিবিয়ে ও খেতে পারেন অথবা ব্ল্যান্ড করে ও খেতে পারেন। অনেক উপকারী আমি উপকার পেয়েছি। অথবা বাসক পাতা জ্বাল করে তার রস লবণ দিয়ে সেবন করতে পারেন। আশাকরি উপকার পাবেন।
আমি আপনাকে বলছি যে, আপনি "তুসকা" সিরাপটি গ্রহন করুন। দুই-তিনদিনের মধ্যে আপনার কাশি ভালো হবেই ইনশাল্লাহ। ১০০% গ্যারান্টি এবং পরীক্ষিত।