3 Answers

প্রচুর ক্যালরী সমৃদ্দ খাবার গ্রহন করুন নিয়মিত। সেই সাথে হাতের ব্যায়াম করার জন্য ডাম্বেল ব্যবহার করতে পারেন। সকালে খালি পেটে কাচাছোলা খাবেন প্রতিদিন। দেহে পরিমিত খাদ্য গ্রহনের পাশাপাশি নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের ব্যায়ামে অভ্যস্ত হওয়ার চেষ্টা করুন। ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল রাখুন। পুষ্টিকর খাদ্য, সঠিক নিয়মে প্রতিদিন ব্যায়াম, পরিমিত ঘুম এই তিনটি বিষয় ঠিকমতো মেইনটেইন করতে পারলে দেহকে যেকোন শেপে গড়ে তোলা সম্ভব। আরো ভালো হয় কোন অভিজ্ঞ জিম ইন্সট্রাক্টর থেকে পরামর্শ নিয়ে সে মোতাবেক কাজ করলে। এই ব্যায়ামগুলো করুন=> http://www.ebanglahealth.com/wp-content/uploads/2012/02/Push_up.jpg http://www.ebanglahealth.com/wp-content/uploads/2012/02/pull-up.jpg http://www.ebanglahealth.com/wp-content/uploads/2012/02/Bar-Dips.jpg http://www.ebanglahealth.com/wp-content/uploads/2012/02/Squats.png

27503 views Answered

শুধু বাহুর জন্য যাঁরা হাতের পেশি বাড়াতে চান, তাঁদের জন্য দরকার হাতের নানা ব্যায়াম। এর ভেতর থাকছে নিয়মিত এক ঘণ্টা করে ডাম্বেল নিয়ে সাত-আট ধরনের কৌশল চর্চা করা। এতে সুন্দর হবে আপনার বাহু বা হাতের পেশির গঠন। পেশি তৈরি করতে শুরুতেই যোগব্যায়াম করতে হয়। এরপর রয়েছে আরও ব্যায়াম। ডলফিন এক্সারসাইজ নামে পরিচিত একধরনের বিশেষ ব্যায়াম করতে হয়। খাদ্যাভ্যাস যাঁরা মোটা অবস্থায় জিমে গিয়ে পেশি গঠন করতে চান, তাঁদের জন্য থাকে একধরনের খাবার তালিকা। আবার ওজন কম হলেও থাকে আলাদা খাবার তালিকা। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষক আপনাকে পরীক্ষা করে নানা ধরনের ব্যায়াম ও খাবারের তালিকা দেবেন। এটি মেনে চলতে হবে। তবে যাঁদের উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি, তাঁরা অবশ্যই লাল মাংস, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, তেল বা চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলবেন। এ ছাড়া সকালে চিরতা ভেজানো পানি, বিকেলে পানির সঙ্গে লেবু চিবিয়ে এবং বেশি করে শসা খেতে পারেন। ডিম খেলে কুসুম ছাড়া খেতে হবে।

27503 views Answered

ডাম্বেল উইন্ডমিল: দু’হাতে দু’টো ডাম্বেল নিন। দু’টো পা কোমরের থেকে একটু বেশি দৈর্ঘ্য নিয়ে ফাঁক করে দাঁড়ান। এবার একটা হাত হাঁটুর কাছে রেখে অন্য হাতটা কনুই সোজা রেখে মাথার ওপর তুলে ধরুন। এখন চোখ উপরের হাতের দিকে রেখে নীচের হাতটা মাটির দিকে সাধ্যমতো নেবার চেষ্টা করুন। ১০ বার মাটির দিকে নেওয়া হলে হাত পাল্টে উল্টো দিকটাও করুন। দেখবেন পেটের পাশের পেশিতে কেমন টান পড়ছে। এলিভেটেড সাইড প্ল্যাঙ্ক: কনুই আর পায়ের পাতায় ভর রেখে পাশাপাশি শরীরটা শূন্যে ধরে রাখা হল সাইড প্ল্যাঙ্ক। এক্ষেত্রে একটা স্টেপ বক্স বা জলচৌকিতে পা দু’টো রাখুন। কনুই থাকুক মাটিতে। এবার শরীরটা পাশাপাশি শূন্যে তুলুন আর নামান মোট ১২ বার। খুব ভাল হয় যদি উপরের হাতে একটা ৩-৪ কেজির ডাম্বেল ধরে থাকেন। পেটের অবলিক পেশি এতে দৃঢ় হয়। আড়াআড়ি উডচপ: ৪-৫ কেজির একটা মেডিসিন বল বা ডাম্বেল দু’হাতে ধরুন। সামান্য হাঁটু ভেঙে দাঁড়ান। এবার কুড়ুল দিয়ে কাঠ কাটার ভঙ্গিতে মেডিসিন বল বা ডাম্বেলটা কাঁধের ওপর থেকে শরীরের আড়াআড়ি হাঁটু পর্যন্ত জোরে নামান আর ওপরে তুলুন। আড়াআড়ি কুড়ুল চালানোর ভঙ্গিতে। দু’দিকেই করুন ১০ বার। এই তিনটে ব্যায়াম মূলত কোমরের ওপরের পেশিকে সুগঠিত করে। এ বার বুকের অংশকে টানটান করতে করুন নীচের ব্যায়ামগুলো সুইস বল চেস্ট প্রেস: বড় মাপের সুইস বল সব জিমেই থাকে। সুইসবলে কাঁধ আর পিঠে ভর দিয়ে দু’হাঁটু ৯০ ডিগ্রি কোণে ভাঁজ করে শরীরটা মাটির সমান্তরাল রাখুন। আপনার মুখ থাকবে সিলিংয়ের দিকে। দু’হাতে দু’টো ৫-৭ কেজির ডাম্বেল নিয়ে হাত দু’টো কাঁধের কাছ থেকে সোজা ওপরে তুলুন আর কনুই ভেঙে নামান মোট ১০ বার। চেস্ট প্রেস করলে বুকের পেশি টানটান হয়। সুইস বলে করলে শরীরকে ব্যালান্স করতে হয়। ফলে পেটের গভীরের পেশিও কার্যক্ষম হয়। মেডিসিন বল চেস্ট প্রেস: একটা ৩-৪ কেজির মেডিসিন বল (ভারী সিন্থেটিক বল) নিন। দু’হাঁটুর উপর ভর রেখে দেওয়াল থেকে ২ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। এবার দু’হাতে বলটা বুকের সামনে থেকে জোরে দেওয়ালে মারুন যাতে আপনার কাছে ফেরত আসে। মোট ১০ বার মারতে হবে। এর সঙ্গে জুড়ে নিতে পারেন পুশ আপ- ও। পায়ের পাতায় ভর রেখে পুশ আপ না পারলে হাঁটু মাটিতে রেখে ওতে ভর দিয়ে পুশ আপ দিন। এখানে আলোচনা করা মোট ৬-টা ব্যায়াম একদিন অন্তর একদিন করুন চার সেট করে।

27503 views Answered

Related Questions

Next steps