4 Answers

হাসিমুখে কথা বলুন।গাম্ভীর্য বজায় রাখুন।পরিচিত কারো সাথে দেখা হলে এমন ভাবে আলাপ চালিয়ে যান যাতে করে ব্যাটা বোঝে যে আপনি আসলেই একটা মাল।কিন্তু যে বিষয় নিয়ে কথা বলবেন অবশ্যই সে ব্যাপারে আপনার বিস্তর নলেজ থাকা চাই। কথা বলার সময় আই কন্ট্যাক্ট খুব কাজের।এটি ঠিক থাকলে আপনাকে কনফিডেন্স দেখায়।চাইলে টি এস সি তে একটা শুদ্ধ উচ্চারনের কোর্স করে নিতে পারেন।৬০০-৭০০ টাকার কোর্স টা সত্যিই কাজের। মনে রাখবেন আপনি কৌশলে যত নিজের সেলফ ব্র্যান্ডিং বা মার্কেটিং করতে পারবেন ততো আপনার দাম বাড়তে থাকবে। আপনার কিছু থাকুক বা না থাকুক কথা কিন্তু হওয়া চাই নিঃশব্দ আগুন। কথা বলা সম্মন্ধে ইতিমধ্যে অনেক কিছু লিখে ফেলেছি। এবার লিখবো পার্সোনালিটি বিল্ডিং নিয়ে।উইদ আউট মাচ এডু...চলুন সরাসরি দেখে নেয়া যাক যেটি আপনার কাজে লাগবে। • বাংলা ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয় আপনার পার্সোনালিটি হতে হবে ইস্পাত ভারী।অন্যের অবর্তমানে তার নামে অন্য ব্যক্তির নিকট কান পড়া দিয়ে সাময়িক মজা নিতে গিয়ে পার্সনালিটি হারাবেন না। • চান্স পেলেই অন্যের প্রশংসা করুন।আপনি প্রশংসা করলে আপনি একদিন না একদিন অবস্যই সেটা ফেরত পাবেন। • নারীদের সাথে যেচে কথা বলতে যাবেন না। উনারা কথা বলতে আসলে মুচকি হেসে জবাব দিন। তাদের সাথে দয়া করে সস্তা জোকস মারবেন না। নতুন পরিচয়ে পঁচানোর রিস্ক নিবেন না।তাদের সাথে ইন্টেমেসি গড়ার চেয়ে নিজের পারফর্মেন্সের দিকে জোর দিন।ধীরে ধীরে কথা বলবেন,শুদ্ধ ভাষায়।এতে আপনার স্টাইল ফুটে উঠবে। মনে রাখবেন আপনার সুরতের চেয়ে আপনার স্টাইল,কথা বলা,হাসি,চাহনী আপনাকে অধিক গুরুত্বপুর্ন করে তুলবে। • দয়া করে এক জনের কথা আর একজন কে লাগাবেন না। • নারী প্রেমী আমরা সবাই,কিন্তু ভুলেও প্রকাশ করবেন না। • সব সময় পোশাক আশাকে ফিটফাট থাকুন,ট্রেন্ড ফলো করা টা গুরূত্বপুর্ন নয়। • হাটার সময় গোড়ালি আগে ফেলুন।এতে হাটার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। • বন্ধুদের সাথে তাল মিলিয়ে অন্যদের পঁচাবেন না,কিন্তু হাসি হাসি ভাব থাকা টা ভালো। • শয়তান না হলে লিডার হওয়া যায় না।সব জায়গায় লিডার হওয়ার দরকার নাই।বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে লিডারশিপ দেখান যেখান থেকে আপনি আরো এক সিড়ি উপরে উঠার চান্স পাবেন।এখেত্রে আপনি আপনার এক্সিসটিং লিডার কে কথা,সুতিক্ষনো যুক্তি,দক্ষতা শো অফ করে চুপ করে বসিয়ে রাখেন। • মনে রাখবেন সবার সামনে আপনার পারফর্মেন্সের সাথে পার্সোনালিটি জড়িত।যদি রেসাল্ট বা কাজ খারাপ হয় তাহলে যতই ভাব মারেন কাজ হবে না।

2679 views

নিজেকে পরিপাঠী রাখুন।যেমন নিজকে শিক্ষিত করে তুলুন,শরীরের যত্ন নিন,ভাল মানের পোষাক ব্যবহার করুন,কথাবার্তায় বাচনভঙ্গি আনুন,শুদ্ধ ভাষায় কথা বলুন,পারফিউম ব্যবহার করুন।এই কাজগুলো করুন তাহলেই আপনি স্মার্ট হতে পারবেন।

2679 views

নিজেকে সর্বদা স্মার্ট রাখতে যে পাঁচটি বিষয় আপনি কখনো এড়িয়ে যেতে পারেন না। ১. ত্বক সতেজ রাখুন সৌন্দর্য ফুটে মানুষের ত্বকে। যার ত্বক যত বেশি মোহনীয় তাকে দেখতেও তত বেশি আকর্ষণীয় লাগে। তাই শুষ্ক ত্বককে আর্দ্রতাপূর্ণ করতে আপনার পছন্দমতো ফেসিয়াল ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।ত্বক থেকে তেল চিটচিটি ভাব দূর করার জন্য এয়ার ব্রাশ অথাবা বিশেষ জাতীয় ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার চেহারায় সতেজতা ভাব চলে আসবে। আপনাকে দেখতেও লাগবে আকর্ষণীয়। ২. হেয়ারস্টাইল সৌন্দর্যের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো চুল। চুল থাকলেই যে আপনাকে সুন্দর লাগবে তা কিন্তু ঠিক নয়। চাই আপনার চেহারার সঙ্গে মানাসই হেয়ারকাটিং এবং হেয়ারস্টাইল। সেই সঙ্গে গোসলের পরে ব্যবহার করতে পারেন শুকনো শ্যাম্পু। চুলকে ঝর ঝরে ও সিল্কি দেখাতে চুল স্প্রে করতে পারেন। সম্ভব হলে বাজারে প্রাপ্য বিভিন্ন হেয়ারস্টাইলিং পণ্য যেমন: হেয়ার জেল, মোম ও ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ৩. শরীরের ঘ্রাণ জন্মগতভাবে মানুষের শরীরের একটি ঘ্রাণ বা গন্ধ থাকে।নিজের কাছে সেই গন্ধ বা ঘ্রাণ কিছু মনে না হলেও অন্যের কাছে সেটি উৎকট ও বিদঘুটে অনুভূতির জন্ম দিতে পারে। যা খুবই বিব্রতকর এবং লজ্জাজনক। এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য আপনার শরীরে ও দুই বগলে সুগন্ধি বা পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন। ৪. সময়মত নখ কাটুন কথা বলার সময় কিংবা আলোচনার টেবিলে হাত নাড়ানাড়ি একটি স্বাভাবিক দৃশ্য। হাতের নখ যদি বড় থাকে এ সময় তা সবার দৃষ্টিগোচর হয় এবং তা দৃষ্টিকটু লাগে। নিজেকে ফিট ও স্মার্ট রাখতে সর্বদা হাতের নখ ছোট রাখুন। ৫. প্রাণবন্ত থাকুন সারা দিন কাজের ঝামেলায় হয়তো আপনি অবস্বাদ অনুভব করবেন, ক্লান্ত হয়ে পড়বেন। কারো সঙ্গে হয়তো ভালো করে কথা বলতে মন চাইবে না। কাজের চাপে প্রায় সব সাধারণ মানুষই এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করে থাকে।কিন্তু আপনাকে ভুলে গেলে চলবে না আপনি এই করপোরেট যুগের মানুষ। আপনাকে সর্বদা সদালাপী, সুভাষী ও প্রাণবন্ত থাকতে হবে। নিজেকে ফিট ও স্মার্ট রাখতে মুখের শ্বাস-প্রশ্বাসের দুগর্ন্ধ রোধ করুন। এজন্য নিয়মিত চুইংগাম খেতে পারেন। দ্রুত মুখের গন্ধ তাড়ানোর জন্য মাউথ ওয়াস ব্যবহার করতে পারেন। প্রাকৃতিক উপায়ে যদি এই গন্ধ দূর করতে চান তবে দারুচীনি, লং, এলাচ বা মৌরি বীজ নিয়মিত চিবুতে পারেন।

2679 views

স্মার্ট হওয়ার প্রথম শর্ত হলো আপনাকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।আমরা সবাই নিজেকে স্মার্ট হিসেবে দেখতে পছন্দ করি।কিন্তু অনেক সমই না বুঝেই অনেক কিছু করি যা আমাদের করা উচিত না।যখন আপনি নিজেকে দেখছেন ভাবুন আপনি পৃথিবীতে সবচেয় সুন্দর মানুষ।গর্বিত হউন যদি আপনার কান বড়, বা নাক ছোট হ্য় কারন এগুলো আপনাকে সব থেকে আলাদা করেছে। যখন আপনি নিজের সঙ্গে আরামদায়ক হবেন, সর্বদা এটা আপনাকে উজ্জিবীত করবে।একটি ক্যামেরার সামনে ভাল ছবি হল নিজের উপর আস্থা, তেমনি সবার সামনে স্মার্ট দেখাটাও নিজের আস্থার উপর নির্ভর করে।বাড়ীতে একটা আয়না সামনে অঙ্গবিন্যাস অভ্যাস করুন, আপনি যদি মনে করেন আপনি দেখতে ভালো, সম্ভবত তাই।যদি আপনি ভোর -সকালে উঠেন, তাহলে আপনি আপনার ঠোঁট উপরে বিশুদ্ধ গ্লিসারিন ব্যবহার করতে পারেন।পরের দিন সকালে যখন নিদ্রা হতে জাগবেন আপনার ঠোঁট এর দিকে তাকান দেখবেন কিছু পরিবর্তন, সব সময় পরিস্কার থাকতে চেষ্টা করবেন যা আপনার আস্থা কে আরো বাড়িয়ে দিবে।আপনার কোমর এক বা দুই হাত লাগান যা সবসময় বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে যে আপনার পা সামান্য লম্বা। আপনি ও তাই মনে করবেন ফলে মনে আস্থা বাড়বে। সবার সামনে মুক্ত এবং নরমাল থাকুন। নিজের মতামত গুলো অনুশীলন করুন প্রথম একটি আয়না সামনে। কখই অপ্রস্তুত বোধ না। খুব সক্রিয় থাকুন এবং প্রশ্নবাণে জর্জরিত যেন না হন সে চেষ্টা করবেন। নরমাল ভাবে নড়াচড়া করুন নাচুন, এবং মজা করুন। মুখে সব সময় হাসি রাখুন। কখনই নার্ভিস অনুভব করবেন না। আপনাকে আপনার ব্যক্তিত্ব, আপনার সহজাত দক্ষতা, আপনার কমনীয়তা, এবং আপনার শারীরিক আবেদন প্রকাশ করতে সক্ষম হতে হবে। উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং ইচ্ছা আপনার লক্ষ্য অর্জনে আপনাকে সাহায্য করবে। আপনি থেকে অঙ্গবিন্যাস জন্য আপনার স্বাস্থ্য (আকার এবং ফিটনেস), আপনার শরীরের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হতে হবে।আপনার সময়সূচী, আপনার অর্থ, আপনার কর্ম উপাদান সম্পর্কে অবগত রাখতে হবে। কোন কাজ কালকের জন্য রাখবেন না।

2679 views

Related Questions