2 Answers

সন্তানের আকিকা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তাই এ নিয়ে অবহেলা করা ঠিক নয়। রাসূলুল্লাহ (সা.) যেভাবে তা সম্পাদন করেছেন, করতে বলেছেন, আমাদেরও সেভাবে তা করতে হবে। ইসলামের পরিভাষায় সন্তান জন্মগ্রহণ করার পর আল্লাহর শুকরিয়া ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে পশু জবাই করা হয়, তাকে আকিকা বলা হয়। অধিকাংশ আলেমের মতে, সন্তানের আকিকা করা সুন্নতে মুআক্কাদাহ। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার সন্তানের আকিকা করতে চায়, সে যেন তা পালন করে।’ (আবু দাউদ)। রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘প্রতিটি সন্তানই আকিকার বিনিময়ে আটক থাকে।’ (আহমাদ, তিরমিজি)। আকিকার বিনিময়ে সন্তান আটক থাকার ব্যাপারে আলেমদের কয়েক ধরনের বক্তব্য রয়েছে। এ ব্যাপারে ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের কথাটি সবচেয়ে সুন্দর ও বিশুদ্ধ। তিনি বলেন, কথাটি শাফায়াতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ, আকিকা দেয়া হয়নি এমন শিশু সন্তান যদি মারা যায়, কেয়ামতের দিন পিতা-মাতা সে শিশুর শাফায়াত থেকে বঞ্চিত হবে। আর হাদিসে একথা প্রমাণিত। মুসলমানদের যেসব শিশু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই মৃত্যুবরণ করবে, তারা তাদের মুসলিম পিতা-মাতার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে। তাই সব পিতামাতা কে তাদের সন্তানের জন্য আকিকা করা উত্তম।

3704 views Answered

আকিকা বা আকিকাহ ( Arabic: ﻋﻘﻴﻘﺔ) একটি ইসলামি অনুষ্ঠান। শিশুর জন্ম উপলক্ষে আকিকার আয়োজন করা হয়। শিশুর জন্মের সপ্তম দিন আকিকা করানো রীতি। তবে এ দিন সম্ভব না হলে চৌদ্দতম দিন বা একুশতম দিন বা সুবিধাজনকভাবে অন্যান্য যেকোনো সময় করা যায়। শরিয়ার বাধ্যকতার নিয়ম অনুযায়ী আকিকা সুন্নত। আকিকার দিন পশু কুরবানি করা হয়। হাদিস অনুযায়ী ছেলে সন্তানের জন্য দুটি ছাগল ও মেয়ে সন্তানের জন্য একটি ছাগল কুরবানি করা নিয়ম। আকিকার আরেকটি প্রথা হল শিশুর মাথা কামানো। চুলের ওজনের সমপরিমাণ রূপা দরিদ্রদের মধ্যে সদকা করার নিয়ম রয়েছে।

3704 views Answered

Related Questions

Next steps