3 Answers
দাদ ফাঙ্গাসজনিত একটি সংক্রমণপ্রবণ রোগ। পৃথিবীর প্রায় সব দেশে এর প্রাদুর্ভাব থাকলেও আমাদের দেশের মতো গরম ও ঘামপ্রবণ দেশে বেশি দেখা দেয়। সব বয়সের মানুষই এতে আক্রান্ত হতে পারে। শরীরের সব স্থানে দেখা দিলেও হাত, পা, বগল, কুঁচকি ও কোমর আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। মাথা ও কুঁচকিতে প্রায় একই ধরনের ফাঙ্গাসের মাধ্যমে আক্রান্ত হতে পারে। এর জন্য দায়ী ডারমাটোফাইট গোত্রের ফাঙ্গাস। যে কারণে হয় : ডারমাটোফাইট গোত্রের ফাঙ্গাস ত্বকের ওপর বাস করে। পরিস্থিতি অনুকূলে পেলেই রোগের সৃষ্টি করে। যারা বেশি ঘামেন এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। ঘাম এ রোগের জন্য দায়ী ফাঙ্গাস বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। যেভাবে ছড়ায় : আক্রান্ত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শ ও তার ব্যবহার করা পোশাকের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত গৃহপালিত পশুর মাধ্যমেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্তদের পরিবারের সবাই সংক্রমণের ঝুঁঁকিতে থাকেন। দেখতে কেমন : দাদ সাধারণত লালচে আংটির মতো। মাঝে তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার অংশের চারদিকে উঁচু। আক্রান্ত স্থানে খুশকির মতো আবরণ থাকতে পারে। আক্রান্ত স্থানে চুলকানি অনুভূত হতে পারে। চিকিৎসা : রোগ নির্মূল ও পুনঃসংক্রমণের আশঙ্কা দূর করতে আক্রান্ত স্থানে লাগানোর জন্য ক্রিম দেওয়া হয়ে থাকে। তবে বেশি জায়গা আক্রান্ত হলে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের মুখে খাওয়ার ওষুধ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রতিরোধ : অন্যের ব্যবহার করা সামগ্রী এড়িয়ে চলুন। খোলামেলা, পরিষ্কার ও তুলনামূলক ঠা-া স্থানে বসবাস করুন। ঘাম তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে ফেলুন। টাইটফিট পোশাক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। পোষ্য প্রাণীর সংস্পর্শে আসার পর হাত ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন, এ রোগের চিকিৎসা খুবই সহজ ও দ্রুত আরোগ্য সম্ভব। তবে দেরি করলে অনেক সময় জটিলতা সৃষ্টি হয়ে থাকে। কাজেই যথাসম্ভব দ্রুত চিকিৎসা নিন। নিজে ভালো থাকুন ও পরিবারের সদস্যদেরও ভালো থাকতে সাহায্য করুন।
আক্রান্ত স্থানে বেনজোয়িক এসিড অয়েন্টমেন্ট মলমটি লাগান এবং প্রতি তিনদিন পর ফ্লুগাল-১৫০ ক্যাপসুল খান। খুব দ্রুত ফল পাবেন
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy