3 Answers
এটি মহাজাগতিক বর্ষপন্জিকা।এতে মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ধ্বংসের দিনকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়।
মহাবিশ্বের বয়সের তুলনায় মানুষের বয়স অতি নগণ্য। আমাদের জীবনের কোন ঘটনার সময় বছর দিয়ে হিসাব করা হয়, বয়স হিসাব করা হয় কয়েক যুগ দিয়ে, বংশ পরম্পরার ইতিহাস শতাব্দী দিয়ে আর সমগ্র মানব জাতির ইতিহাস পরিমাপ করা হয় কয়েক লক্ষ বছরের হিসাবে। কিন্তু, আমাদের তথা মানুষের জন্মের আগের সময়টা ছিল এর তুলনায় অনেক বেশী। সেই সময়ের হিসাব নিতে গিয়ে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই, কিন্তু হিসাব আর শেষ হয় না। এ সম্বন্ধে আমরা খুবই কম জানি। আর কম জানাটাই স্বাভাবিক। কারণ সে সময়ের কোন লিখিত ইতিহাস নেই এবং এ ধরণের সময়ের কল্পনা করাও আমাদের পক্ষ কষ্টকর। তারপরও সুদূর অতীতের সময়কে ছকে ফেলতে শুরু করেছি আমরা। তেজস্ক্রিয় ডেটিং এর মাধ্যমে প্রত্নতাত্ত্বিক বয়স নির্ধারণ করা যাচ্ছে। জীবাশ্মের বয়স নির্ণয় করা যাচ্ছে। আর বিশাল স্কেলে ভূতাত্ত্বিক সময় ভাগ করার কাজও শুরু হয়ে গেছে। এর পাশাপাশি জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানের আশির্বাদে গ্রহের ভূত্বক, তারা, আকাশগঙ্গা এবং অন্যান্য ছায়াপথের বয়স নির্ণয় করা গেছে। পরিশেষে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের মাধ্যমে মহাবিশ্বের জন্মের সময়টিও জেনে গেছি আমরা। অংকের প্যাঁচে পড়ে জন্মের ইতিহাস ফাঁস করতে বাধ্য হচ্ছে মহাবিশ্ব। আমরা নিশ্চিত, একটি মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে বর্তমান মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু এর মাধমেই মহাবিশ্বের প্রথম জন্ম হয়েছে, নাকি মহা বিস্ফোরণ এমন এক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে আগের সব তথ্য ধ্বংস হয়ে নতুন স্থান-কালের সৃষ্টি হয় সেটা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
কসমিক কালেন্ড্যার কথাটি Cosmos a space time odyssey এর প্রথম পর্বে ব্যাখা করা হয়। এর মাধ্যমে বিগ ব্যাং থেকে আজ পর্যন্ত ঘটা সব কিছু ১বছরের মধ্যে কল্পনা করে ব্যাখা করা হয়।s