2 Answers

আধুনিক যুগে প্রযুক্তির প্রভূত অগ্রগতির মূলে রয়েছে এই সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী। কারণ এটি দিয়েই প্রথমে ডায়োড এবং পরবর্তীতে ট্রানজিস্টর নির্মীত হয়। আর এদের হাত ধরেই যাত্রা শুরু হয় আধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগের। তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে এর বিশাল ভূমিকা রয়েছে। এজন্যই আধুনিক বিশ্বে সেমিকন্ডাক্টর খুবই গুরুত্ববহ।

3163 views

কথায় আছে খাঁটি সোনায় নাকি গয়না হয়না। এ কথাটি যেন ইলেকট্রনিক্সের প্রাণ, সেমিকন্ডাক্টরের ক্ষেত্রেও সম্পর্ণরূপে সত্য। আমরা ইলেকট্রনিক্স এর বিভিন্ন উপকরণ যেমন ডায়োড, ট্রানজিস্টর, এস.সি.আর আই.সি ইত্যাদির সাথে পরিচিত, যা তৈরি করা হয় সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে। বিশুদ্ধ সেমিকন্ডাক্টর পদার্থকে বলা হয় ইনট্রিনসিক সেমিকন্ডাক্টর। কিন্তু এই ইনট্রিনসিক সেমিকন্ডাক্টর সরাসরি ইলেকট্রনিক্স উপকরনের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যায় না। এক্ষেত্রে ইনট্রিনসিক সেমিকন্ডাক্টরের সাথে কিছু ভেজাল মিশ্রিত করতে হয়। ভেজাল হিসেবে ট্রাইভ্যালেন্ট এটম (যে সকল পরমানুর যোজনী ৩) যেমন বোরন(৫), এ্যলুমিনিয়াম(১৩), গ্যালিয়াম(৩১), ইন্ডিয়াম(৪৯), থেলিয়াম(৮১) এবং প্যান্টাভ্যালেন্ট এটম (যে সকল পরমানুর যোজনী ৫) যেমন আর্সেনিক(৩৩), এন্টিমনি (৫১), বিসমাত(৮৩) ব্যবহার করা হয়।

3163 views

Related Questions