এখন আমি কি করব?
8 Answers
আপনাকে ওই মেয়েকে প্রথমত এই ব্যাপারটা বুঝাতে হবে যে অতিত নিয়ে কেউ বাঁচতে পারে না, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করতে হবে। আর সব ছেলে এক নয়। পূর্বের ব্রেকআপের কারনে সে যদি কষ্টে থাকে তাহলে তাকে সান্তনা দিন, তার পাশে দাড়ান। তার মধ্যে এই ফিলিং টা নিয়ে আসুন যে আপনি তার অনেক যত্ন নেন। আপনি সত্যিই তাকে ভালোবাসেন। আশা করি এটুকুই যথেষ্ট ওই মেয়ের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য। শুভকামনা রইলো।
নুতন কাউকে খুজে নাও | যার মন একবার ভেঙ্গে গেছে তাকে ভালবাসতে যেওনা | কারন সে তোমাকে প্রথম জনের মত ভালবাসতে পারবে না | উঠতে বসতে তার কথা মনে পড়বে | কারন প্রথম প্রেম মানুষ ভুলতে পারে না | তাই জেনে শুনে একাজ করোনা |
এমতবস্থায় ঐ মেয়েকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আপনি মেয়েটিকে ভালবাসেন। কিন্তু মেয়েটি কি আপনাকে ভালবাসে? না। আপনি লিখেছেন "ভালবাসতে পারছে না"। আপনি আশেপাশে দেখুন। অন্য কাউকে পছন্দ হলে, তাকে প্রস্তাব দিতে পারেন। যে আপনাকে ভালবাসতে চায় না, তার পিছনে মূল্যবান সময় নষ্ট না করাটা বুদ্ধিমানের লক্ষন।
আসলে প্রথম ভালবাসা সহজে ভুলা যাইনা| ভাইয়া ভালোবাসা হচ্ছে বৃষ্টির পানির মত, বৃষ্টির পানি যেমন একবার মাটিতে পরলে আর উপরে তোলা যায় না|আর ভালবাসাও ঠীক তাই, যাকে একবার মন থেকে ভালোবাসা যায় তাকে কোনদিনও ভূলা যায় না|আপনাকে আগের মতও ভালবাসতে পারবে না,তার মন যে আগে আরেক জনকে দিয়ে দিছে, আর তাই আপনি আরেক জনকে খুঁজুন|
এটা তেমন কিছু না আসে পাসে যাদের কে আপনার ফ্রেমিলি বিশ্বাস করে বা যাদের কথা মানে তাদের কাছে আপনি গিয়ে সব কিছু খুলে বলেন তার ভুজায়া বললে ভুজে আসবে আপনে একা কোনো সিদন্তাতো নিবেনা তা হলে সমস্যা আরও বেরে যাবে যায় কিছু করবেন বড় দের নিয়ে করবেন ভালো হবে
আসলে ব্যপারটা বেশ জটিল। আপনি হয়ত নিজের ইচ্ছায় জোর করে বিয়ে করতে পারেন। কিন্তু আপনার পরিবার আপনার প্রতি নারাজ হয়ে ত্যাজ্য করতে পারে। এর সমাধান হিসেবে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হচ্ছে আপনি আপনার এলাকার মেম্বার এবং চেয়ারম্যানকে বিষয়টা খুলে বলেন। আগের সব ঘটনা খুলে বলবেন এবং আপনাদের সম্পর্কের কথাও বলবেন। আপনি তাকে ছাড়া বাঁচতে পারবেন না। এমন কথা চেয়ারম্যানকে বলেন। চেয়ারম্যান বিষয়টা দেখবেন। আর পারলে আপনারা দুইজনে একসাথে যাবেন এবং চেয়ারম্যান এর হাতে পায়ে ধরে অনুরোধ করবেন। তাহলে চেয়ারম্যান দুই পরিবারকে ডেকে ব্যাপারটা সমাধান করবে। আপনার বাবা মা রাজী না হলে ও চেয়ারম্যান বাধ্য করে রাজী করাবে। কিংবা নিজেই জিম্মা হয়ে বিয়ের ব্যবস্থা করবে।
আপনি আর কটাদিন সময় নিয়ে আপনার পরিবারককে বোঝান। আর আপনার পরিবার সম্পর্কে যদি আরো কিছু তথ্য জানা থাকতো তাহলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যেমন ধরেন , আপনার বাবারা যদি 2 ভাইয়ের বেশি হয় তাহলে আপনি আপনার বাবা ও কাজিনের বাবা ছাড়া আপনার বাকি চাচাদের সাহায্য নিতে পারেন। তাদের রাজি করিয়ে যদি তাদের মাধ্যমে আপনার বাবাকে বুঝাতে পারেন তাহলে কাজ হতে পারে। আবার যদি আপনার নিকট আত্মিয়দের মধ্যে এমন কেউ থাকে যে আপনার বাবার থেকে বড় এবং আপনার বাবা উনাকে যথেষ্ট সম্মান করেন, তাহলে উনার মাধ্যমে বোঝালে আপনার পরিবার রাজি হতে পারে।
এখানে আমি মনে করি ব্যাপারটা আপনার নাগালের বাইরে। যেহেতু এখানে আপনি একজন নীরব দর্শক সেহেতু আপনার করার কিছুই নেই। আপনি আপনার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন বুঝানোর কিন্তু তবুও যখন উনারা নিজেদের জিদ ছাড়ছেন না তো আপনার উচিৎ ধৈর্যধারণ করে উপরওয়ালার প্রতি আস্থা রাখা।
ধীরে ধীরে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করুন। হাল ছাড়বেন না। নিজের পরিবার- এক না একসময় নিশ্চয়ই আপনার পক্ষ নিবে এবং জিদ ভাঙবে।
পারিবারিক ঝগড়া বাঁধার পূর্বের এমন কোন ঘটনা স্মরণ করুন যা উভয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত সেনসিটিভ এবং গোপনীয়। আর ওই ঘটনাই আপনার পরিবারের কানে আরেকবার পৌছানোর চেষ্টা করতে পারেন। হতে পারে পারিবারিক সম্মতি বা আত্মীয়তার ঠান আবার ফিরে আসতে পারে।
অথবা আরেকটা সহজ কাজ করতে পারেন। তৃতীয় পক্ষের দ্বারস্থ হতে পারেন। এমন কাউকে নির্বাচিত করুন যিনি উভয় পরিবারকে খুব সহজেই মানাতে পারে। প্রশাসনবিভাগের পরিচিত কারো সাহায্যও চাইতে পারেন।