2 Answers
ভিটামিন সি এর অভাবজনিত কারনে দাতের ক্ষয়জনিত কারনে এমনটা হয়ে থাকে। আরো কারন থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখালে ভাল করবেন।
দাঁতের শিরশির করা অবস্থাকে বলা হয় ডেন্টাল ইরেশন বা এন্ট্রিশন। এই এন্ট্রিশন বা ইরেশন হওয়ার কারণ হচ্ছে দাঁতের উপরের সবচেয়ে শক্ত আবরণ এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়া। যখনই কোনো কারণে এই এনামেল ক্ষয়প্রাপ্ত হয় তখন দাঁতের পরবর্তী অংশ ডেন্টিন বেরিয়ে আসে যেহেতু ডেন্টিনের নিচের অংশেই নার্ভ, আর্টারি, ব্রাড ভেসালস ইত্যাদি থাকে সেহেতু দাঁতটি খুবই স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে এবং তখনই ঠাণ্ডা বা গরম কিছু তরল পদার্থ লাগার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁতটি শিরশির করে। এই এনামেল ক্ষয় হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে আছে_ দাঁত ভাঙা, অতিরিক্ত দাঁত ব্রাশের ঘর্ষণে এনামেল ডেন্টিল ক্ষয় হয়ে যাওয়া, দাঁতের ক্ষয় হয়ে যাওয়া (ডেন্টাল ক্যারিজ), দাঁত থেকে মাড়ি সরে যাওয়া, নকল দাঁত বা ডেন্চারের ক্রমাগত ঘর্ষণ লাগা, ক্রাউন ব্রিজ করার ক্ষেত্রে দাঁত কেটে ফেল ইত্যাদি। যখনই দাঁতে শিরশির করবে তখনই সেই দাঁতটি পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোনো ফাটা বা ফাটল আছে কিনা এবং কোনো কারণে এনামেল ক্ষয় হয়েছে কিনা। এসব ক্ষেত্রে একটি এঙ্রের মাধ্যমে াঁতের এই শিরশির করা অবস্থাকেই বলা হয় বোঝা যাবে মাড়ি ও দাঁতের অবস্থান। চিকিৎসা : আজকাল এ ধরনের সমস্যার অতিদ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়। প্রথমত; চিকিৎসা ব্যবস্থার মধ্যে প্রথমেই মাড়ি ও দাঁতের সংযোগস্থল থেকে সমস্ত পাথর বা ডেন্টাল প্লাক পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এ ধরনের কাজে সাধারণত ডেন্টাল স্কেলিং করা হয় যেমন আলট্রাসনিক স্কেলিংয়ের মাধ্যমে সব দাঁতের গোড়া ও মাড়ি থেকে খাদ্যকণা পরিষ্কার করা। দ্বিতীয়ত; ক্ষয়ে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়া অংশটুকু আজকাল খুবই আধুনিক পদ্ধতি লাইট কিউর ফিলিং দিয়ে ভর্তি করে দেওয়া যাতে ক্ষয়ে যাওয়া এনামেল এবং ডেন্টিন আবার পূরণ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে গ্লাস আইনোমার ফিলিং দিয়েও দাঁতটি ভর্তি করা যায়। তবে অতিরিক্ত ক্ষয়ে যাওয়া বা গর্ত হয়ে যাওয়া দাঁতটিকে রুট ক্যানেল চিকিৎসার মাধ্যমে ভর্তি করে ক্রাউন বা মুকুট পরানো যায়। দাঁতের ক্ষয় যদি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত না হয় তবে ফিলিং বা রুট ক্যানেল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। সে ক্ষেত্রে শুধু দাঁত ব্রাশের সঙ্গে স্টানিয়াম ক্লোরাইড সংযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করলে ছয় মাসে দাঁতের শিরশির কমে আসতে পারে।