2 Answers
বংশগত প্রভাব একটি অন্যতম গুরুত্বপুর্ণ কারণ। স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়ায় একটি ব্যাকটেরিয়া থাকে, যার নাম প্রোপাওনি ব্যাকটেরিয়াম একনি। বয়ঃসন্ধিকালে এড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে সেবাসিয়াস গ্রন্হি থেকে সেবামের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই সেবাম থেকে ফ্রি ফ্যাটি এসিড তৈরি করে লোমের গোড়ার উপস্হিত ব্যাকটেরিয়া। ফলে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এই ফ্যাটি এসিডের প্রভাবে। এর পাশাপাশি জমা হয় লোমের গোড়ায় কেরাটিন নামক পদার্থ। ফলে সেবাসিয়াস গ্রন্থিপথ বন্ধ হতে থাকে এই কেরাটিন, লিপিড আর মেলানিন পদার্থ দিয়ে, যা ব্লাক হেড বা ‘হোয়াইট হেড’ হিসেবে দেখা দিয়ে থাকে। ব্রণ হওয়ার জন্য যে খাবার বা খাদ্যাভাস দায়ি ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ ভুল খাদ্যাভাস, অনিয়মিত আহার গ্রহণ, অনুপযোগী খাবার, অত্যধিক শর্করা, অত্যধিক চর্বিযুক্ত খাবার ইত্যাদির জন্য ব্রণ দেখা দিতে পারে। 1. অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ। অত্যধিক চা কফি অ্যালকোহল পান, তামাক সেবন ইত্যাদিও এর কারণ। 2. আবার বয়ঃসন্ধিক্ষণে রাত জেগে পড়াশোনা ও বসে থাকার ফলে বদহজম সৃষ্টি হওয়া, সাধারণ দুর্বলতা ও দুশ্চিন্তা থেকেও ব্রণ হতে পারে। দিনে ৮-১০ গ্লাস পর্যন্ত পানি এবং তেল-ঝাল-মসলাবিহীন খাবার খাওয়া উচিত। 3. অত্যধিক গুরুপাক খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। 4. চিনি ছাড়া লেবুর পানি, তাজা ফলের রস, আপেল, নাশপাতি, আঙুর, আনারস খেতে পারলে ভালো হয়। 5. কাঁচা সবজি অঙ্কুরিত ছোলা, ডাল, কাঁচা বাদাম, যব ও লাল চাল খুবই উত্তম। 6. অধিক শর্করা, অধিক মিষ্টি, অধিক চর্বি সবই পরিহার করা উচিত। 7. কিছু কিছু খাবার ব্রণের সমস্যাকে বাড়িয়ে দেয়। যেমন—ডুবো তেলে ভাজা খাবার, কোমল পানীয়, সংরক্ষিত খাবার। কড়া চা ও কফি, গুরুপাক খাবার ইত্যাদি। 8. দেখা যায়, ভিটামিন এ, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি৬ ব্যবহারে ব্রণ দূর হয়। 9. যেকোনোভাবেই হোক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা প্রয়োজন। 10. চিকিৎসক এবং ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রণ হলে ত্বকের যত্ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন। মুখের ত্বকের যত্ন হলো প্রথমে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। 11. তা ছাড়া শসার রস, গাজরের রস মুখে ব্যবহার করলে উপকর পাওয়া যাবে। 12. অত্যধিক গুরুপাক খাবার না খাওয়া, অধিক রাত না জাগা, শরীরে ধুলাবালি, ঘাম জমতে না দেওয়া, অ্যাসিডিটি হতে না দেওয়া উচিত। মাঝেমধ্যে গরম জলের ভাপ নিলে ভালো হয়। 13. ব্রণ সারাতে খনিজ লবণের মধ্যে জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন বি৬ ভালো কাজ করে। এ জন্য খেতে হবে শস্যজাতীয় খাবার, মাছ, গরুর কলিজা, মসুর ডাল, বরবটি, রাজমা, পনির, গরুর দুধ, কর্নফ্লেকস, ডিম, তেল, মুলাজাতীয় সবজি, তৈলবীজ, বাদাম, সবুজ সবজি ইত্যাদি। অন্য যে সকল কারণে প্রাপ্ত বয়স্কদের ব্রণ দেখা দিতে পারে: ▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ *বংশগত কারণে * জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল ব্রণের চিকিৎসায় খুব কার্যকরী।তাই হঠাৎ পিল গ্রহন বন্ধ করে দিলে ব্রণ দেখা দিতে পারে। * মানসিক চাপে থাকলে 'র্কটিসল' নামক হরমনের নিঃসরণ বেড়ে যায় ,যা তেল তৈরি বৃদ্ধি করে,লোমকূপকে ব্লক করে দেয়। *মধ্যবয়সী অনেকেই anti-wrinkle product ব্যবহার করেন যা সাধারনত খুব তৈলাক্ত হয়, এসব ক্রীম থেকেও ব্রণ দেখা দিতে পারে। *গর্ভবতী মহিলাদের হরমনের পরিবর্তনের জন্য *অনেক মহিলার ক্ষেত্রে ঋতুচক্রের ২-৭ দিন আগে ব্রণ দেখা দিতে পারে। *ধুমপানের কারণে একেক জনের একেক কারণে ব্রণ হয়। এবং সবার জন্য চিকিৎসাও এক নয়। তাই এক্ষেত্রে ব্যক্তিগত কাউন্সেলিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে জেনে নিন কি কারণে ব্রণ হচ্ছে, এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিন।সেই সাথে একজন ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলোচোনা করে জেনে নিন কোন খাবার আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে কিনা কোন খাবার গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে (সবার জন্য প্রযোয্য নাও হতো পারে) *তৈলাক্ত খাবার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে ।তেলে ভাজা খাবার বাদ দিন। মাখন,পণির, ননীসহ দুধ, চর্বিযুক্ত মাংস নিয়ন্ত্রণ করুন। *যেসব খাবারে Refined Sugar থাকে যেমন- সাদা আটা / ময়দা দিয়ে তৈরী খাবার, বেকারী দ্রব্য, সোডা, ক্যান্ডি, চিনিযুক্ত পানীয় ইত্যাদি পরিহার করুন। *দৈনিক খাবার তালিকা থেকে Salty Foods যেমন -potato chips, French fries, popcorn, instant noodles ও canned soups বাদ দিন। যে খাবার গুলো উপকারী *উজ্জ্বল লাল রঙের ফল- তরমুজ,টমেটো,চেরি * কমলা রঙের ফল- কমলা, আম * সবজি- গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ব্রোকলি * আশ যুক্ত খাবার খুব সহজে ঘরে বসেই কীভাবে আমরা ব্রণ দূর করতে পারি,