3 Answers
পীর ধরা এবং মুরীদ হওয়া সম্পূর্ণ নাজায়েয কাজ। এটি না ছিল রাসূল (ছাঃ)-এর যুগে, না ছিল ছাহাবী, তাবেঈ ও তাবে তাবেঈদের যুগে। পরবর্তীকালে কিছু লোক অমুসলিমদের অনুকরণে নিজেরা পীর সেজে মূর্খ লোকদের মুরীদ বানিয়ে বিনা পুঁজির ব্যবসা করছে। যদিও তাতে কোন মূলধন বিনিয়োগের প্রয়োজন হয় না এবং এই বিশাল ব্যবসায় কোন আয়করও দিতে হয় না। মহান আল্লাহ তার ‘অসীলা’ অর্থাৎ নৈকট্য অন্বেষণ করতে বলেছেন (মায়েদাহ ৩৫) । এর অর্থ ‘পীর’ বা কোন মাধ্যম ধরা নয়। বরং এর অর্থ ‘তাঁর আনুগত্য ও সন্তুষ্টির মাধ্যমে’ তাঁর নৈকট্য সন্ধান করা (ইবনে কাছীর, উক্ত আয়াতের তাফসীর দ্রঃ) । রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) পীর ধরতে বলেননি। বরং তাঁর এবং তাঁর খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত অাঁকড়ে ধরতে বলেছেন (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/১৬৫) ।
পির ধরা যায়েয আছে তবে পিরকে দেখে ধরটে হবে পির ধরা মানে হল তার কাছে দ্নীনি জ্ঞান স্মপর্খে জানা,পিরকে ঠিক মত নামায পরতে হবে তার কথা ইসলাম ভিক্তিক হতে হবে। তাহলে তাকে পির মানা যাবে
পির কি? পীর হল কিছুটা শিক্ষকের মত। তবে সেই পীর যদি ধর্ম পরিপন্থি কোন কাজ করতে বলে , তা হলে সেই পীর বর্জনীয়। তবে কেউ যদি বলে আমার পীর এর দরকার নাই । ভাল কথা। পিরের মুরিদ যে হতেই হবে এমন কোন মানে নেই। অনেক আগে পীর ছিল না। তো মানুষ কি ধার্মিক ছিল না। আবার পিরের মুরিদ যে হতেই হবে এমন কোন মানে নেই। তবে মুরিদ হতেও পারেন। হলে যে গুনাহ হবে তা নয়। তবে সেই পিরের নির্দেশনা খারাপ হলে বাতিল করতে হবে। কোন পীর কি আমাকে ভাল জ্ঞান, ধর্মীও জ্ঞান দিতে পারে না? এটা কি অন্যায়? এটা যদি অন্যায় হয় তাহলে অনেক মউলানা, মুফতি এমনকি আমাদের বাবা -মাও ধর্মীও দিক নির্দেশনা দেয়।