1 Answers
দিন দিন মধ্যপ্রাচ্যের চাকুরির বাজারের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষিত তরুণরা। বাংলাদেশের তরুণরাও তার ব্যতিক্রম নয়। মধ্যপ্রাচ্যের চাকুরিদাতারা চাকুরি প্রার্থীদের ভেতর বেশ কিছু গুণাবলীর অনুসন্ধান করেন। এসব গুণাবলীর বেশীরভাগই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জন সম্ভব। এমন ১০টি গুণাবলী সম্পর্কে জেনে নিন।
১. যোগাযোগ দক্ষতা :
এ দক্ষতাটি আপনার থাকতেই হবে বিশেষ করে আরবী ও ইংরেজী ভাষায়। সেই সাথে থাকতে হবে যেকোনো বিষয়ে নিজের মতামত সাবলীলভাবে উপস্থাপন দক্ষতা।
২. বিশ্লেষণ ক্ষমতা :
প্রাপ্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
৩. জানার আগ্রহ :
আপনার কাজে নিত্য নতুন বিষয় আপনার সামনে হাজির হয় প্রতিদিন। এসব বিষয় সম্পর্কে নিজেকে হালনাগাদ রাখতে হবে। নিজের সীমাবদ্ধতা থাকলে তা এ বিষয়ে অভিজ্ঞদের সাথে আলাপের অভ্যাস রাখতে হবে। শেখার ক্ষেত্রে যে কোন অনাগ্রহ আপনাকেই সমস্যায় ফেলবে।
৪. যে কোন পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানো :
যেকোনো কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে আপনাকে এক সাথে অনেক কাজ সম্পাদন করতে হয়। সব সময় পরিবেশ-পরিস্থিতি আপনার অনুকূলে নাও হতে পারে। প্রতিকূল পরিবেশে কাঙ্খিত কার্য সমাধানের ক্ষমতা তৈরী করে নিতে হবে।
৫. সহকর্মীর সাথে ব্যবহার :
আপনার সহকর্মীর কোনো আচরণ আপনার ভাল নাও লাগতে পারে। কিন্তু সে আচরণ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করে সম্পর্ক খারাপ করলে তা আপনার কাজে ব্যাঘাত করতে পারে। অপরের আচরণ নিয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই চাকুরিদাতারা আশা করেন।
৬. নেতৃত্বদানের ক্ষমতা :
নেতৃত্ব প্রদান অর্থ সকল ক্ষেত্রেই যে আপনাকে হুকুম করতে হবে তা নয়। বরং অপরকে কোনো কাজে উদ্ভুদ্ধ করে তা আদায় করে নেবার ক্ষমতা থাকতে হবে। এ জন্য প্রথমেই দরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। ইতিবাচক দৃষ্টি ছাড়া নেতৃত্ব প্রদান সম্ভব নয়।
৭. পরিকল্পনানুসারে কাজ আদায়ের দক্ষতা :
সময়মত কার্য সমাধানের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ ও সে মোতাবেক কার্য সমাধানের সাংগঠনিক দক্ষতা আপনার থাকতে হবে। সঠিকভাবে সময় ব্যবস্থাপনা আপনার উৎপাদন ক্ষমতা অনেকখানি বৃদ্ধি করে।
৮. ভিনদেশী কৃষ্টির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব :
বৈশ্বিক এ যুগে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশের সহকর্মীর সাথে কাজ করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্য দেশের জন্য এটি আরও বড় বাস্তবতা। দেশ থেকে দেশে সংস্কৃতির পার্থক্য হওয়াটাই স্বাভাবিক। এ ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষন করুন।
৯. সমস্যা সমাধানে সৃজনশীল দক্ষতা :
করপোরেট প্রতিষ্ঠানে সব সময়ই সৃজনশীল সমস্যা সমাধানের নতুন পদ্ধতিকে উৎসাহিত করা হয়। চাকুরিদাতারা সব সময়ই এমন কর্মীর খোঁজ করেন যারা প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে চিন্তা করতে সক্ষম।
১০. দলগত ক্রিয়াশীলতা :
যে কোন দলগত কাজে আপনার সক্রিয় অংশগ্রহণ কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে গূরুত্বপূর্ণ। আপনি আপনার কাজ করার পাশাপাশি কীভাবে দলগত সহকর্মীকে সহায়তা করছেন তা চাকুরিদাতার জন্য গূরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসূত্র : bayt.com