2 Answers
খাসমনে তওবা করলে আললাহ মাপ করতে পারে কারণ তিনি খুব দয়াশীল। আপনি তওবা করুন পুনরায় ঐ কাজ থেকে বিরত থাকুন।
ব্যভিচার করা মারাত্মক গুনাহ। পাপ করা থেকে বড় অপরাধ হলো পাপ করার পর তা থেকে তাওবা না করা, ফিরে না আসা, অনুতপ্ত না হওয়া এবং বারবার পাপ করা। আল্লাহ তাআলা ব্যভিচারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন।
আল্লাহ ইরশাদ করেন, তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। তা একটি অশ্লীল কাজ এবং খারাপ পন্থা। (সুরা : বনি ইসরাঈল : ৩২)।
উক্ত গুনাহের জন্য উলামা সম্প্রদায়ের উক্তি এই যে, প্রত্যেক পাপ থেকে তওবা করা ওয়াজিব তথা অবশ্য-কর্তব্য। তওবা কবুলের জন্য তিনটি শর্ত রয়েছে।
- ১। পাপ সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে।
- ২। পাপে লিপ্ত হওয়ার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে।
- ৩। ঐ পাপ আগামীতে দ্বিতীয়বার না করার দৃঢ় সঙ্কল্প করতে হবে।
সুতরাং যদি এর মধ্যে একটি শর্তও লুপ্ত হয়, তাহলে সেই তওবা বিশুদ্ধ হবে না। তওবা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসে প্রচুর প্রমাণ রয়েছে এবং এ ব্যাপারে উম্মতের ঐকমত্যও বিদ্যমান।
আল্লাহ তাআলা বলেছেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। (সূরা নূরঃ ৩১ আয়াত)।
অর্থাৎ তোমরা নিজেদের প্রতিপালকের নিকট (পাপের জন্য) ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁর কাছে তওবা (প্রত্যাবর্তন) কর। (সূরা হূদঃ ৩)।
তিনি আরো বলেছেন, অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর বিশুদ্ধ তওবা। (সূরা তাহরীমঃ ৮)।
অতএবঃ খাস দিলে তাওবা করলে যিনার গুনাহ মাফ হবে। তবে উক্ত যিনা যদি দুজনের সম্মতিতে না হয় অর্থাৎ জোড় পূর্বক হলে সেই মেয়ের কাছ থেকেও মাফ চাইতে হবে। আপনি তওবা ইস্তেগফার করুন! আর এটাই হচ্ছে মুক্তির পথ। আল্লাহ ক্ষমা করবেন।