3 Answers

আমাদের নাকে অনেক স্পর্শকাতর নার্ভ থাকে।প্রধান কিছু নার্ভ যা মস্তিষ্কের সাথে সরাসরি যুক্ত। তাই আমাদের নাকে সাধারন কোন জীবানু ঢুকলে সে তথ্য মস্তিষ্কে খুব তাড়াতাড়ি চলে যায়। তাই এগুলোকে তাড়াতাড়ি বের করার জন্য হাচির নির্দেশ দেয়।এতে জিবানুটি বেরিয়ে যায়।

2961 views

হাঁচি হল আমাদের respiratory tract (শ্বাস যন্ত্রের)এর অনেক গুলো প্রতিরক্ষা কবচের একটি,আমাদের শরিরের জন্য অনাকাংক্ষিত কোন বস্তু কনা বা জৈব কনা, যখন আমাদের শ্বাস যন্ত্রের উপরিভাগে ডুকে পড়ে,তখন তা বের করে দেবার জন্য,আমাদের শ্বাসযন্ত্র খুবি স্বমন্নিত প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমানে বাতাস ফুসফুসে ঢুকিয়ে তা প্রবল বেগে বের করে দেয়, যেন এই প্রবল বেগে বাতাস বেরিয়ে যাবার সময় ঐ অনাকাংক্ষিত কনাটি সহ বারিয়ে যায়। হাঁচির মাধ্যমে নাক দিয়ে ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বের হয়ে আসে। যদি হাঁচিকে বন্ধ করা হয় তাহলে চাপটা ডাইভারট হয়ে অন্য অঙ্গ যেমন- কানে যায় ফলে কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে এবং শোনার সমস্যা হতে পারে।যদি হাঁচি বন্ধ করা হয় তাহলে তা ডাইভারট হয়ে কান, ব্রেইন, ঘাড়, ডায়াফ্রাম ইত্যাদি অঙ্গের অনেক ক্ষতি করে।

2961 views

হাচির মাধ্যমে শরীরে থাকা জীবাণুর হ্রাস হয়

2961 views

Related Questions