ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর নারীদের কি করতে হবে?

Md Ariful Islam
বিএসসি(সিএসই), এমবিএ(মার্কেটিং)
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার Bissoy.com
2688 views

1 Answers

Dr. MD. Mamunur Rashid
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি ( গ্যাস্টোএন্টারোলজি) রেসিডেন্ট বিএমইউ, ঢাকা, মেডিকেল অফিসার (সাবেক), ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী, প্রভাষক, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ(সাবেক), জিপি (মেডিসিন) অভিজ্ঞ (মেডিসিন, লিভার এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি)

ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটার সাথে সাথে নির্ভরযোগ্য এমন কাউকে জানাতে হবে যে মানসিক সাহস যোগাতে পারবে। ধষর্ণের শিকার নারী বা শিশু তাৎক্ষণিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে যায়। কাউকে জানালে, তার সাথে কথা বললে, মানসিক সান্ত্বনা পেলে মানসিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠা সম্ভব। অন্যথায় আত্মহত্যা বা জীবননাশসহ অন্য যে কোন ধরণের ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ধর্ষণের ঘটনায় সাক্ষী হিসেবে কাজে লাগানোর জন্যও ঘটনাটি কাউকে জানানো উচিত। যে কাউকেই ধর্ষণ সম্পর্কে জানানো যায়। সে আত্মীয়, বন্ধু, ডাক্তার এমনকি পুলিশ অফিসারও হতে পারে। ধর্ষণের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মামলা দায়ের করতে হবে। কারণ ধর্ষণের পর মামলা করতে দেরি হলে ধর্ষণ প্রমাণ করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। ধর্ষণের শিকার নারী বারবার গোসল করে নিজেকে পরিস্কার করতে চায়। ফলে শরীরের বেশির ভাগ আলামত বা সাক্ষ্যপ্রমাণ ধুয়ে-মুছে যায়। সুতরাং যত খারাপই লাগুক নিজের স্বার্থেই ডাক্তারি পরীক্ষার আগে গোসল করা যাবে না। ধর্ষণের সময় পরনে যে কাপড় ছিল তা ধোয়া বা পরিস্কার করা যাবে না। কারণ কাপড়ে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণাদি থাকে। ওই কাপড় কোনোভাবেই পলিথিনের ব্যাগে রাখা যাবে না। কাগজের ব্যাগে বা কাগজ দিয়ে মুড়িয়ে রাখতে হবে এবং সেভাবেই এই কাপড় থানায় নিয়ে যেতে হবে। ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব থানায় অভিযোগ (এজাহার) দায়ের করতে হবে। এজাহার যে কেউ দায়ের করতে পারেন। যে নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন মামলার প্রধান সাক্ষী হিসেবে তাঁর জবানবন্দী পুলিশকে গ্রহণ করতে হবে। ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে পুলিশ অফিসারের অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দিতে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশু বাধ্য নন। ধর্ষণের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারি পরীক্ষা করানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৭২ ঘন্টার মধ্যেই পরীক্ষা করানো জরুরি, কেননা এরপর আর খুব বেশি সাক্ষ্যপ্রমাণ থাকে না।

2688 views Answered

Related Questions

Next steps