1 Answers
আমাদের দেশে মৃত ব্যক্তি নামে তিন দিনের দিন কুলখানী নামে এবং চল্লিশ দিনের দিন চল্লিশা নামে যে খানার আয়োজন করা হয়, তা হিন্দুয়ানী রুসুম। তা পরিত্যাগ করা সকল মুসলমানের উপর কর্তব্য। হ্যাঁ, মৃত ব্যক্তির কবরে ঈসালে সওয়াবের নিয়তে গরীবকে খাওয়ানো বৈধ আছে। কিন্তু আমাদের দেশে যেভাবে রুসুম বানিয়ে মৃত ব্যক্তির বাড়িতে খানার আয়োজন করা হয়, ধনী দারিদ্র সবাইকে আমন্ত্রণ করে এক বিশাল হুলস্থুল করা হয়। এ পদ্ধতি গলদ এবং গর্হিত। খাইরুল কুরুন থেকে তা প্রমাণিত নয়। সাধারণতঃ লোক দেখানোর জন্য প্রতিযোগিতামূলক তা আয়োজন করা হয়ে থাকে। এরকম খানা খেতে হাদীসে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ: «إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ طَعَامِ الْمُتَبَارِيَيْنِ أَنْ يُؤْكَلَ» ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ প্রতিদ্বন্দ্বি অহংকারীর খাদ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৩৭৫৪] তাই এসব দাওয়াত পরিত্যাগ করাই উচিত। (সংগৃহীত)