2 Answers

ভাই, আপনার এই প্রশ্নের উত্তরে সৌদিআরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের দেওয়া ফতোয়ার হুবহু আরবী থেকে সরল অনুবাদ করে দেওয়ায় যথেষ্ট মনে করছি। ﺣﻜﻢ ﺃﻛﻞ ﺍﻟﺴﻠﺤﻔﺎﺓ ﻭﺍﻟﺘﻤﺴﺎﺡ ﻭﻓﺮﺱ ﺍﻟﺒﺤﺮ ﻭﺍﻟﻘﻨﻔﺬ ﺍﻟﻔﺘﻮﻯ ﺭﻗﻢ ‏( 11126‏) ﺱ : ﻣﺎ ﺣﻜﻢ ﺃﻛﻞ ﻟﺤﻮﻡ ﺍﻟﺤﻴﻮﺍﻧﺎﺕ ﺍﻟﻤﻮﺟﻮﺩﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﺒﺤﺮ، ﻣﺜﻞ ﺍﻟﺴﻠﺤﻔﺎﺓ ﻭﺍﻟﺠﻨﺒﺮﻱ، ﻭﺃﻳﻀﺎ ﺃﻛﻞ ﻟﺤﻮﻡ ﺍﻟﺤﻴﻮﺍﻧﺎﺕ ﺍﻟﻤﻮﺟﻮﺩﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﺒﺮ ﻣﺜﻞ ﺣﻤﺎﺭ ﺍﻟﻮﺣﺶ؟ ﺝ : ﻳﺠﻮﺯ ﺃﻛﻞ ﺳﻠﺤﻔﺎﺓ ﺍﻟﺒﺤﺮ ﻭﺍﻟﺠﻨﺒﺮﻱ؛ ﻟﻤﺎ ﺛﺒﺖ ﺃﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﻓﻲ ﺍﻟﺒﺤﺮ ﻟﻤﺎ ﺳﺌﻞ ﻋﻨﻪ : ﺳﻨﻦ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﺍﻟﻄﻬﺎﺭﺓ ‏(69 ‏) ، ﺳﻨﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺋﻲ ﺍﻟﻤﻴﺎﻩ ‏(332 ‏) ، ﺳﻨﻦ ﺃﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﺍﻟﻄﻬﺎﺭﺓ ‏(83 ‏) ، ﺳﻨﻦ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﻪ ﺍﻟﻄﻬﺎﺭﺓ ﻭﺳﻨﻨﻬﺎ ‏(386 ‏) ، ﻣﺴﻨﺪ ﺃﺣﻤﺪ ﺑﻦ ﺣﻨﺒﻞ ‏( 2/361 ‏) ، ﻣﻮﻃﺄ ﻣﺎﻟﻚ ﺍﻟﻄﻬﺎﺭﺓ ‏( 43 ‏) ، ﺳﻨﻦ ﺍﻟﺪﺍﺭﻣﻲ ﺍﻟﻄﻬﺎﺭﺓ ‏(729 ‏). ﻫﻮ ﺍﻟﻄﻬﻮﺭ ﻣﺎﺅﻩ ﺍﻟﺤﻞ ﻣﻴﺘﺘﻪ. ﻭﻛﺬﻟﻚ ﻳﺠﻮﺯ ﺃﻛﻞ ﺍﻟﺤﻤﺎﺭ ﺍﻟﻮﺣﺸﻲ؛ ﻷﻥ ﺍﻟﻨﻬﻲ ﺇﻧﻤﺎ ﻭﺭﺩ ﻓﻲ ﺍﻟﺤﻤﺎﺭ ﺍﻷﻫﻠﻲ . ﻭﺑﺎﻟﻠﻪ ﺍﻟﺘﻮﻓﻴﻖ، ﻭﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻰ ﻧﺒﻴﻨﺎ ﻣﺤﻤﺪ ﻭﺁﻟﻪ ﻭﺻﺤﺒﻪ ﻭﺳﻠﻢ . ﺍﻟﻠﺠﻨﺔ ﺍﻟﺪﺍﺋﻤﺔ ﻟﻠﺒﺤﻮﺙ ﺍﻟﻌﻠﻤﻴﺔ ﻭﺍﻹﻓﺘﺎﺀ ﺍﻟﺮﺋﻴﺲ : ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻌﺰﻳﺰ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﺑﺎﺯ ﻧﺎﺋﺐ ﺍﻟﺮﺋﻴﺲ : ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺯﺍﻕ ﻋﻔﻴﻔﻲ ﻋﻀﻮ : ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﻏﺪﻳﺎﻥ . অনুবাদঃ প্রশ্নঃ কচ্চপ, কুমির, হাঙ্গর, চিংড়ি মাছ এবং স্থলে বসবাস করা গৃহপালিত গাধা প্রভৃতি ভক্ষনের ব্যাপারে ইসলামের হুকুম কি?।(ফতোয়া নং-১১১২৬)। জবাবঃ "সমুদ্রের কচ্চপ, চিংড়ি মাছ প্রভৃতি খাওয়া বৈধ। যেমন নাবী (সাঃ) থেকে প্রমানিত আছে, তাঁকে সমুদ্রের প্রানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ" এর পানি পবিত্র এবং এর মৃত প্রানী হালাল।" [ সুনান আত-তিরমিযী, ত্বাহারাত অধ্যায়, হা/৬৯। নাসাঈ, হা/৩৩২। আবু দাউদ, ত্বাহারাত অধ্যায়, হা/৮৩। ইবনু মাজাহ, হা/৩৮৬। মুয়াত্তা মালেক, হা/৪৩। আদ-দারেমী, হা/৭২৯।] অনুরুপভাবে বন্য গাধাও ভক্ষন করা বৈধ। কেননা রাসূল (সাঃ) থেকে কেবল গৃহপালিত গাধা ভক্ষনের ব্যাপারে নিষেধের হুকুম বর্নিত হয়েছে। আর আল্লাহই একমাত্র তাওফিকদাতা এবং দরূদ ও সালাম ববর্ষিত হোক আমাদের নাবী মুহাম্মাদ (সাঃ) ও তার পরিবারবর্গের উপর।" ফতোয়া প্রদান করেছেন -লাজনা আদ-দায়িমাহ লিল- বুহুছিল ইলমিয়াহ ওয়াল ইফতাহ।(এটি সৌদিআরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদ, যেখানে পৃথিবীর প্রতিটি দেশ থেকে প্রতিদিন হাজারো প্রশ্ন করা হয়) এর পক্ষেঃ ১. শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (প্রধান মুফতী) ২.আব্দুর রাযযাক আল-আফিফী(সহকারী প্রধান মুফতী) ৩. শায়খ আব্দুল্লাহ ইবনে গাদয়ান( সদস্য) আরো বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই লিংকটিতে প্রবেশ করুনঃ www.alifta.net/Search/ ResultDetails.aspx? languagename=ar&lang=ar&view=result&fatwaNum=&Fatwa NumID=&ID=8595&searchScope=3&SearchScopeLevels1=& SearchScopeLevels2=&highLight=1&SearchType=exact& SearchMoesar=false&bookID=&LeftVal=0&RightVal=0& simple=&SearchCriteria=allwords&PagePath=&siteSection=1 &searchkeyword=2161732171312171330322161 67217132216179217132216173217129216167216169# firstKeyWordFound

3326 views

খাওয়া প্রসঙ্গে তো অনেক কথা চলে আসে। অনেকে মনে করে, আমরা যেটা খাই না, সেটাই বোধ হয় হারাম। আসলে হালাল-হারামের বিধান তো আমরা দিতে পারি না। কাছিম বা কচ্ছপ খাওয়া হালাল। তবে কোনো অঞ্চলে যদি কেউ না খায়, রুচিতে না কোলায় তাহলে তারা খাবে না। তবে আলেমদের মধ্যে এ মাসয়ালা নিয়ে দ্বিমত আছে। কেউ কেউ হারামও বলেছেন। হারাম যাঁরা বলেছেন, কচ্ছপের ব্যাপারে তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে, কচ্ছপের মধ্যে হিংস্রতা রয়েছে এবং এটি খবিস বা নোংরা ধরনের। যেহেতু এর মধ্যে নোংরামি আছে, তাই তাঁরা এটাকে পছন্দ করেননি। তাই একজন প্রসিদ্ধ ইমাম কচ্ছপকে খাওয়ার ব্যাপারে বলেছেন যে, ‘এটি জায়েজ নেই।’ আবার আমরা যদি হাদিসের সাধারণ বক্তব্য দেখি, সেখানে সমুদ্রের সব প্রাণীকে রাসূল (সা.) হালাল ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ সবই হালাল। সুতরাং এর মধ্যে কচ্ছপ তো পড়বেই। যেহেতু কচ্ছপ সমুদ্র বা নদীর মধ্যেই পাওয়া যায়। তাই এটা যদি কেউ খান, এতে তিনি গুনাহ করেননি, হারাম কাজ করেননি। এটি খাওয়া জায়েজ। তবে বিষয়টি রুচির সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেমন : গুইসাপ জাতীয় একটা প্রাণী, যেটাকে কোনো কোনো এলাকায় শাণ্ডা বলা হয়ে থাকে, রাসূল (সা.)-এর সামনে কেউ খেয়েছেন। কিন্তু রাসূল (সা.) এটি খান নাই, উনার রুচিতে আসেনি। যেহেতু কিছু কিছু বিষয় রুচির সঙ্গে সম্পৃক্ত, সেহেতু যে কচ্ছপ খাচ্ছে না, তাঁকে জোর করে খাওয়ানোর কোনো দরকার নেই। এটি খেয়াল রাখতে হবে। কিন্তু কেউ খেলে সেটাকে হারাম বলতে গেলে দলিল দিতে হবে। যেহেতু এটি সহিহ বর্ণনার মধ্যে হারাম সাব্যস্ত হয়নি।

3326 views

Related Questions