২ জনের বয়স ১৮+। আইনভাবে তো বিয়ে করা পসিবল না। কোনোভাবে ইস্লামিক ভাবে বিয়ে পড়ায় রাখা যাবে?

আমাদের বয়স ১৮। আমরা হালাল হতে চাই,যাতে হাতটা হলেও ধরতে পারি হালাল ভাবে।হারাম ভাবে প্রেম করে না।৷ বিয়ে ছাড়া আর তো উপায় নেই।  প্লিস কেউ বলেন ইসলামিক ভাবে বিয়ে পড়ায় রাখবো কিভাবে?
2913 views

2 Answers

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের বিধান হলো ছেলে ও মেয়ে দুজনেরই সম্মতি থাকা ও দুজন সাক্ষী রাখা। সাক্ষী দ্বয়ের উপস্থিতিতে মেয়ে কবুল বললে ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ে হয়ে যাবে।

2913 views Answered

দুইজনের বয়স ১৮ এর বেশি বলতে কি বোজাতে চেয়েছেন?বাংলাদেশে মেয়েদের নূন্যতম বিয়ের বয়স ১৮ এবং ছেলেদের  ২১ বছর। 

সে অনুযায়ী মেয়ের ১৮ ও ছেলের ২১ বছর বয়স অবশ্যই হতে হবে।

আপনি কি পালিয়ে বিয়ে করার কথা বলছেন?


তরুণ-তরুণীদের এরূপ লুকিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে মহানবী (সা.) স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ‘যে নারী তার অভিভাবকের (বাবা-মা কিংবা বড়ভাই এক কথায় অভিভাবক) অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল’।  [হাদিসটি তিরমিযি (১০২১) ও অন্যান্য গ্রন্থকার কর্তৃক সংকলিত এবং হাদিসটি সহীহ।

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর এই ব্যাখ্যায় স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, বাবা-মা কিংবা অভিভাবকদের বিনা অনুমতিতে পালিয়ে বিয়ে করা ইসলাম সমর্থন করে না।নবীজী (সা.) এই রূপ বিয়েকে সরাসরি বাতিল বলে অ্যাখ্যায়িত করেছেন।  

সুতরাং যে কাজ আল্লাহর রাসুল করতে নিষেধ করেছেন সেই কাজ থেকে  সবাইকে বিরত থাকতে হবে।  

আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, ‘যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল, তার বিয়ে বাতিল’।  (তিরমিযি)

নারীকে তার উপযুক্ত স্বামী গ্রহণ করার অর্থ তাকে মুক্ত স্বাধীন ছেড়ে দেয়া নয় যে, যাকে ইচ্ছা সে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করবে, যার বিয়ের খারাপ প্রভাব পড়ে তার আত্মীয় ও পরিবারের ওপর।  

নারী অভিভাবকের সাথে সম্পৃক্ত, অভিভাবক তার ইচ্ছাকে দেখবে এবং তাকে সঠিক পথ বাতলাবে, তার বিবাহের দায়িত্ব নেবে, সে নিজে নিজের আকদ সম্পন্ন করবে না, যদি সে নিজের আকদ নিজে সম্পন্ন করে বাতিল বলে গণ্য হবে।

অন্য হাদীসে এসেছে- ‘অভিভাবক ব্যতীত নারীর কোনো বিয়ে নেই’।

এ দু’টি হাদীস ও এ জাতীয় অন্যান্য হাদীস প্রমাণ করে যে, অভিভাবক ব্যতীত নারীর বিয়ে বৈধ নয়।

2913 views Answered

Related Questions

Next steps