2 Answers
রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘সু-সংবাদ তার জন্য, যার আমলনামায় অধিক ইস্তেগফার পাওয়া যাবে।’ (ইবনে মাজাহ : ৩৮০৮)।
ইস্তেগফারের রয়েছে বহুমুখী ফজিলত। যথা :
- ইস্তেগফার নির্ভেজাল একটি ইবাদত।
- গোনাহ মাপের মাধ্যম।
- বৃষ্টি বর্ষণের কারণ।
- সম্পদ ও সন্তান অর্জনে সহায়ক।
- জান্নাতে প্রবেশের সিঁড়ি।
- সার্বিক শক্তি অর্জনের মাধ্যম। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে আমার কওম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তেগফার করো অতঃপর তার কাছে তওবা করো, তাহলে তিনি তোমাদের ওপর মুষলধারে বৃষ্টি পাঠাবেন এবং তোমাদের শক্তির সঙ্গে আরও শক্তি বৃদ্ধি করবেন। আর তোমরা অপরাধী হয়ে বিমুখ হয়ো না।’ (সূরা হুদ : ৫২)।
- উত্তম ভোগ-উপকরণ অর্জনের চাবিকাঠি। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তেগফার করো। তারপর তার কাছে ফিরে যাও, (তাহলে) তিনি তোমাদের নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উত্তম ভোগ-উপকরণ দেবেন।’ (সূরা হুদ : ৩)
- বালা-মসিবত দূর করে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তাদের আজাব দানকারী নন এমতাবস্থায় যে, তারা ইস্তেগফার করছে।’ (সূরা আনফাল : ৩৩)।
- আল্লাহ তায়ালা ইস্তেগফারের মাধ্যমে, আনুগত্যশীল ব্যক্তিদের আনুগত্য অনুযায়ী প্রতিদান বৃদ্ধি করে দেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘(আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ইস্তেগফার করো। এরপর তার কাছে ফিরে যাও, তাহলে) অধিক আনুগত্যশীলকে তাঁর আনুগত্য মোতাবেক দান করবেন।’ (সূরা হুদ : ৩)।
- বান্দা ইস্তেগফারের প্রতি বেশি মুখাপেক্ষি। কারণ, দিনরাত শুধু গোনাহ আর গোনাহ করি আমরা। সুতরাং ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহর কাছ থেকে যাবতীয় গোনাহ ক্ষমা করে নিতে হবে।
- রহমত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার করছো না, যেন তোমাদের রহমত করা হয়?’ (সূরা নামল : ৪৬)।
- মজলিস তথা বৈঠকের সব সগিরা গোনাহের জন্য কাফফারা।
- সর্বোপরি এটা নবী (আ.) এর সুন্নতের অনুসরণ। কারণ, নবী (আ.) দৈনিক কমপক্ষে সত্তরবার ইস্তেগফার পাঠ করতেন।
আস্তাগফিরুল্লাহ যে কোন সময় পড়া যায়। মহানবী সাঃ প্রতি ফরজ নামাজের সামাল ফিরিয়ে তিনবার আস্তাগফিরুল্লাহ পড়তেন (-মুসনাদে আহমদ: ২২৪০৮)।
আল্লাহ্র প্রিয় হাবীব মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ
"আল্লাহর কসম, আমি দিনের মধ্যে ৭০ বারেরও বেশি ইস্তিগফার করি (আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা চাই) এবং তওবা করি।'
–--সহীহ বুখারি: ৫/২৩২৪

সুতরাং মহান আল্লাহ তায়ালার প্রিয় বান্দা হতে এবং রাসুলের প্রিয় উম্মত হতে হলে মুমিন মুসলমান এর আস্তাগফিরুল্লাহ জিকীর ও আস্তাগফিরুল্লাহ দোয়া নিয়মিত পড়তে হবে, আমল করতে হবে। আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ার নিয়ম এটাই।
"আস্তাগফিরুল্লাহ..." শব্দটা ছোট এবং বলতে সহজ। কিন্তু এক সেকেন্ডে অতিতের সমস্ত গুনাহ মুছে দিতে পারে।🌸.
Ref: Astaghfirullah পুরো দোয়া | আস্তাগফিরুল্লাহ এর উপকারিতা
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy