3 Answers
একজন পুরুষ দুইটির বেশি বিয়ে করতে
পারবে। কিন্তু চারের বেশি নয়।
যদি একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর সাথে ন্যায়ভাবে আচরণ করতে না পারে, তবে তার একজনকেই বিবাহ করা উচিত।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, বিবাহ কর নারীদের মধ্য হতে যাকে তোমাদের ভালো লাগে, দুই ,তিন আথবা চারটি। আর যদি আশঙ্কা কর যে (স্ত্রীদের মাঝে) সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে (মাত্র) একটি (বিবাহ কর)। (সুরা নিসাঃ ০৩:০৩)।
এই আয়াতে বোঝা যাচ্ছে যে কোনো মুসলমান ইচ্ছা করলে একের অধিক বিয়ে করতে পারে কিন্তু চারের বেশি নয়।
তাতে শর্ত হলো তাকে তার স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার অর্থাৎ একাই রকম ভালবাসা, খাদ্য, বস্ত্র দিতে হবে এবং তাদের একের উপর অপরকে প্রাধান্য দেওয়া চলবে না। আর যে একাধিক বিয়ে করতে ইচ্ছুক কিন্তু তার মনে হচ্ছে তার স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার বা সমতা রাখতে পারবে না তাহলে তাকে একটি বিয়েতেই সন্তুষ্ট থাকতে বলা হচ্ছে। স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার করা নিশ্চয় কঠিন কাজ।
আল্লাহ মানুষকে সাবধান করে বলেছেন, তোমরা যতই আগ্রহ রাখো না কেন, তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার করতে কখনো সক্ষম হবে না। (সুরা নিসাঃ ০৪:১২৭)।
উপরের দুটি আয়াত থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে ইসলামে চারটি বিবাহ করা বৈধ কিন্তু একটি বিবাহ করতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
যেমন আল্লাহ বলেন, তোমরা এক জনের প্রতি সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পর না ও অপরকে (অপর স্ত্রীকে) ঝুলন্ত অবস্তায় রেখে দিও না। (সুরা নিসাঃ ০৩:১২৭)
যদি একজন পুরুষ একের অধিক স্ত্রীর সাথে ন্যায়ভাবে আচরণ করতে না পারে, তবে তার একজনকেই বিবাহ করা উচিত।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, বিবাহ কর নারীদের মধ্য হতে যাকে তোমাদের ভালো লাগে, দুই ,তিন আথবা চারটি। আর যদি আশঙ্কা কর যে (স্ত্রীদের মাঝে) সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে (মাত্র) একটি (বিবাহ কর)। (সুরা নিসাঃ ০৩:০৩)।
এই আয়াতে বোঝা যাচ্ছে যে কোনো মুসলমান ইচ্ছা করলে একের অধিক বিয়ে করতে পারে কিন্তু চারের বেশি নয়।
তাতে শর্ত হলো তাকে তার স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার অর্থাৎ একাই রকম ভালবাসা, খাদ্য, বস্ত্র দিতে হবে এবং তাদের একের উপর অপরকে প্রাধান্য দেওয়া চলবে না। আর যে একাধিক বিয়ে করতে ইচ্ছুক কিন্তু তার মনে হচ্ছে তার স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার বা সমতা রাখতে পারবে না তাহলে তাকে একটি বিয়েতেই সন্তুষ্ট থাকতে বলা হচ্ছে। স্ত্রীদের মাঝে সুবিচার করা নিশ্চয় কঠিন কাজ।
আল্লাহ মানুষকে সাবধান করে বলেছেন, তোমরা যতই আগ্রহ রাখো না কেন, তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার করতে কখনো সক্ষম হবে না। (সুরা নিসাঃ ০৪:১২৭)।
উপরের দুটি আয়াত থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে ইসলামে চারটি বিবাহ করা বৈধ কিন্তু একটি বিবাহ করতে উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
যেমন আল্লাহ বলেন, তোমরা এক জনের প্রতি সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পর না ও অপরকে (অপর স্ত্রীকে) ঝুলন্ত অবস্তায় রেখে দিও না। (সুরা নিসাঃ ০৩:১২৭)
2727 views
Answered
বিশেষ কোন কারণ ছাড়া ২য় বিয়ে করাই তো উচিৎ না আর আপনি জানতে চাচ্ছেন দুইটির বেশী পারবে কিনা আমি বলব প্রথম দুইজনের অনুমতি স্বাপেক্ষে ৩য় জনকে ঘরে আনতে পারে কিন্তু তাতে তার কুরুচি ছাড়া আর কিছু প্রকাশ পাবেনা ।
2727 views
Answered