মেয়েদের পর্দা সম্পর্কিত(বিস্তারিত ভিতরে)?
2 Answers
কোন ক্রমেই যায়েজ না, কারন বিভিন্ন তাফসীরের কিতাবে এসেছে দোলাভাই-শালি,ভাবি-দেবর এরা একে অপরকে এমন ভাবে পর্দা করবে (ভয় করবে) যেমন টা কবর কে ভয় পায়। কারন এই সম্পর্ক গুলাতে সবচেয়ে বেশি বেইমান, ঈমান হারানোর ভয় থাকে।।
সামাজিকতা রক্ষার্থে কোন মেয়ে তার দুলাভাই বা গাইরে মাহরামের সামনে পর্দা করা ছাড়া যেতে পারবেনা।তবে একান্ত প্রয়োজনে পূর্ণ পর্দা করে সামনে যেতে পারবে এবং কথাও বলতে পারবে।তবে কথা বলার ক্ষেত্রে নরম বা মিষ্টি সুর যেন প্রকাশ না পায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। পর্দা বিষয়ে পবিত্র কুরআনুল কারীমের বিধান গুলির প্রতি লক্ষ্য করলে এমনটাই প্রতিয়মান হয়। নিম্নে প্রদত্ত আয়াত সমূহ লক্ষ্য করুন! হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব আয়াতঃ৫৯) হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।(সূরা আহযাব আয়াতঃ৩২) তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে। (সূরা আহযাব আয়াতঃ৩৩) তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ।(সূরা আহযাব আয়াতঃ৫৩) উল্লেখ্য, সর্বোচ্চ তাকওয়া পূর্ণ পর্দা হল পুরুষদের সামনে না যাওয়া।যদি কেউ এবিষয়ে কঠোরতা করে, তাহলে আশা করা যায় অবশ্যই আল্লাহ পাক তাঁকে এবিষয়ে সহযোগিতা করবেন। আল্লাহ পাক সকলের জন্য যথেষ্ট হোন!