2 Answers

নমুনা সংগ্রহ> বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষন> যথাসম্ভব আবর্জনা দুরীকরন বা বিশুদ্ধ করন> ফিজিক্যাল তথ্য লিপিবদ্ধকরণ > তাপ প্রয়োগ ও পর্যবেক্ষন।> দ্রবীভূত করন> ল্যাবের জানা বিভিন্ন লবন মেশানো)> বিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ, ফলাফল তৈরি, এসিডের সাথে বিক্রিয়া ঘটানো> ফলাফল তৈরি। > পুর্ব জানা পদার্থের বৈশিষ্ট্য এর সাথে মেলানো।> শনাক্তকরন> নতুন হলে নামকরন ও ভিন্ন ভিন্ন ধাপে একাধিক পরিক্ষা চালানো> বিভিন্ন বস্তুর সাথে প্রভাব। তাপ চাপ, বিদ্যুৎ, চুম্বক ইত্যাদির প্রভাব পর্যবেক্ষন। > নতুন আবিষ্কার এটি শুধু ধারনা। কারন এক এক বস্তুর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ধাপের কম বেশি, সহজ জটিল হতে পারে।

2914 views

ধাপগুলো নিচে দেওয়া হলোঃ-

  1. বিষয়বস্তু নির্ধারণ। 
  2. বিষয়বস্তু সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানার্জন।
  3. কাজের পরিকল্পনা প্রণয়ন। 
  4. ফলাফল সম্পর্কে আগাম ধারণাকরণ।
  5. পরীক্ষণ ও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ। 
  6. তথ্য-উপাত্ত এর সংগঠন ও বিশ্লেষণ। 
  7. বিজ্ঞান ও মানব কল্যাণে এর প্রভাব।
(সুত্রঃ- রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি, ১ম অধ্যায়) 
2914 views

Related Questions