আমার এক আপা বলেছিল যে , রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম পাশাপাশি থাকতেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অনেক অসম্পূর্ণ লেখাও নাকি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পূর্ণ করে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে । আসলে এটাই কি সত্য?
2755 views

1 Answers

রবীন্দ্রনাথের সার্ধশতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রবীন্দ্রনাথের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল এর মধ্যে সম্পর্ক ছিল শ্রদ্ধা ও ভালবাসার তা নিয়ে এই লেখা। নজরুলের “তীর্থ পথিক” কবিতা থেকে অংশ বিশেষ। যা রবীন্দ্রনাথকে পাঠিয়েছিলেন নজরুল।

কবিতাটির অংশ বিশেষ:
“তুমি স্রষ্টার শ্রেষ্ট সৃষ্টি বিশ্বের বিস্ময়,-
তব গুণ-গানে ভাষা-সুর যেন সব হয়ে যায় লয়।
তুমি স্মরিয়াছ ভক্তের তব, এই গৌরবখানি
রাখিব কোথায় ভেবে নাহি পাই, আনন্দে মূক বাণী।
কাব্যলোকের বাণী-বিতানের আমি কেহ নহি আর,
বিদায়ের পথে তুমি দিলে তবু কেন এ আশিস-হার?
প্রার্থনা মোর, যদি আরবার জন্মি এ ধরণীতে-
আসি যেন গাহন করিতে তোমার কাব্য-গীতে!!”

১৯২২ সালের ১১ আগষ্ট কলকাতা থেকে নজরুলের পরিচালনায় প্রকাশিত হয় অর্ধ-সাপ্তাহিক ‘ধুমকেতু’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধুমকেতর আর্শীবাণীতে লিখেন:

“কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু ,
আয় চলে আয়, রে ধুমকেত
আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু
দুর্দিনের এই দুর্গশিরে
উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন!
অলক্ষণের তিলক রেখা
রাতের ভালে হোক না লেখা,
জাগিয়ে দেরে চমক মেরে’
আছে য়ারা অর্ধ চেতন!
২৪ শে শ্রাবণ ১৩২৯
শ্রী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর”

এই আর্শীবাণী থেকে বুঝা যায়, নজরুল-প্রতিভার স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের উপলব্ধি

2755 views

Related Questions