3 Answers

http://mobile.facebook.com/notes/ahkaam-e-jindegi-দ্বীনি-আলোচনা/জ্বীন-জাতির-সংক্ষিপ্ত-ইতিহাস/1331690193561431/?_rdc=1&_rdr

3185 views

মূলত জিন তিন প্রকারের আওতায় বিদ্যমান, প্রথমত. জমিনের সাপ, বিচ্ছু, পোকা-মাকড়, ইত্যাদি; দ্বিতীয়ত. শূন্যে অবস্থান করে এবং শেষত সেই প্রকারের জিন, যাদের রয়েছে পরকালে হিসাব।

এরা সূক্ষ্ম, তাই স্থূল মানুষ বা পশু-পাখি জিনদের দেখতে পারে না। তবে কুকুর ও উট এদের হুবহু দেখতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে উল্লেখ্য যে, রাতে কোন অপরিচিত বস্তু বা জীব চোখে না দেখা গেলেও কুকুর কি যেন দেখে ছুটাছুটি ও ঘেউ ঘেউ করলে তাতে জ্বিনের আবির্ভাব হয়েছে বলে বুঝতে হবে।(গাধা’র কথা পাওয়া যায়নি)৷  জ্বীন বহুরূপী। এরা মানুষ, পশু-পাখি, ইত্যাদি যে কোন সুরত ধরতে পারে। সেই ক্ষণে উক্ত জীবের বৈশিষ্ট্যের আদলে তার ঘনত্ব কম-বেশি হয়ে থাকে এবং মানুষের দৃষ্টির মধ্যে আসে।

3185 views

বোবা প্রানীরা জীনদের দেখে কুকুর ও গাধা বলে কোন কথা নাই গরু ছাগলও আছে। তবে কুকুর ও গাধা দেখে না। কারণ জ্বীন অদৃশ্য থাকে হ্যা কুকুর ও গাঁধার ঘ্রান ইন্দ্রীয় অনেক বেশী, তারা দুর থেকেই ঘ্রান বুঝতে পারে। আর কুকুর ও গাঁধা হঠাত কোন শব্দ শুনলেই ভয় পায় তাই তার চিৎকার করে। ফজরের আজানের সময় জ্বীনের উৎপাত বেশি হয় তখন কুকুর তাদের অবস্থান দেখেই চিৎকার করে তেমন গরু ও গাধাও চিৎকার করে।  একটা হাদিস পড়েছিলাম নূহ আ: নৌকা তৈরি করে সব প্রানী উঠায় তখন সেখানে শেষে একটা গাধা উঠতে চাইলে শয়তান তার লেজ ধরে থাকে তখন নূহ নবী অজান্তেই বলে উঠ শয়তান। অমনি শয়তান তার নৌকাতে উঠে পরে। 

3185 views

Related Questions