2 Answers
নিম্নে যাকাতের হকদার কারা এসম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
কুরআন শরীফে "আট" শ্রেণীর লোকদেরকে যাকাত দেয়ার বর্ণনা রয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে:
إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ فَرِيضَةً مِنَ اللَّهِ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
অনুবাদ: যাকাত হল কেবল ফকির, মিসকীন, যাকাত আদায় কারী ও যাদের চিত্ত আকর্ষণ প্রয়োজন তাদের জন্য এবং দাস-মুক্তির জন্যে-ঋণ গ্রস্তদের জন্যে, আল্লাহর পথে জেহাদকারীদের জন্যে এবং মুসাফিরদের জন্যে, এই হল আল্লাহর নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।(সূরা তাওবা,আয়াত:৫৯)
তবে হযরত উমর রা. এর খেলাফতের জামানায় সাহাবায়ে কেরামের ইজমা অর্থাৎ সর্বসম্মত রায়ে হৃদয় আগ্রহীকরার খাতটা রহিত হয়েগেছে।
সুতরাং বাকী সাত শ্রেনীর লোকদেরকে যাকাত দেয়া যাবে।
১.ফকীর: যার মালিকানায় নেসাব পরিমান সম্পদ নেই।
২.মিসকীন : যার কোন সম্পদ নেই নিস্বয়।
৩.ইসলামী সরকার কতৃক নিয়োজিত যাকাত উসুলকারী।
৪.দাসত্ব থেকে মুক্তি হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা করা।
৫.ঋণগ্রস্থ ব্যক্তিকে তার ঋণ মুক্তির জন্য।
৬.আল্লাহর রাস্তায় যথা হজ্জ বা জিহাদের পথে সম্পদ শূণ্য হয়েগেছে এমন ব্যক্তি।
৭.মুসাফির : যার কাছে বাড়ী পৌছার খরচ নেই।
(তাতারখানিয়া ৩য়,১৯৮পৃ:, হিন্দিয়া ১ম,১৮৭পৃ:, বাদায়ে ২য়,১৫৭পৃ:)