2 Answers

সেটা বলাটা অনেক কঠিন আবার সহজ। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে " মিয়ানমারের তুলনায় জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বেশ এগিয়ে থাকলেও সামরিক দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে।" ২০১৭ সালের গ্লোবাল ফায়ার ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বে সামরিক শক্তিতে মিয়ানমারের অবস্থান যেখানে ৩১তম, বাংলাদেশের অবস্থান সেখানে ৫৭।


 এই ইনডেক্স অনুযায়ী, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে নিয়মিত মোট কর্মীর সংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার, অন্যদিকে মিয়ানমারের বাহিনীতে রয়েছে চার লাখ ছয় হাজার। বাংলাদেশের সংরক্ষিত বাহিনীতে রয়েছে ৬৫ হাজার কর্মী, মিয়ানমারের রয়েছে এক লাখ ১০ হাজার।

 প্রতিরক্ষা বাজেটের দিকে দেখলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাজেট যেখানে ১৫৯ কোটি মার্কিন ডলার, সেখানে মিয়ানমারের প্রতিরক্ষা বাজেট ২৪০ কোটি ডলার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর মোট ট্যাংক রয়েছে ৫৩৪টি। অন্যদিকে মিয়ানমারের রয়েছে ৫৯২টি।

 সাঁজোয়া যান বাংলাদেশের রয়েছে ৯৪২টি আর মিয়ানমারের রয়েছে ১৩৫৮টি। ফ্রিগেটের সংখ্যায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। মিয়ানমারের পাঁচটি থাকলেও বাংলাদেশের রয়েছে ৬টি ফ্রিগেট। এছাড়া মাইন ওয়রফেয়ার ক্রাফট এবং বাণিজ্যিক নৌযানের দিক থেকে মিয়ানমারের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। 

মিয়ানমার সামরিক শক্তিতে ভালো  অবস্থান করায়, মিয়ানমারের জেতার সম্ভবনাই বেশি। তবে বাংলাদেশ যে নাই সেরকম নয়। অর্ধাংশ বাংলাদেশের জেতার সম্ভাবনা ও মিয়ানমারের অর্ধাংশ জেতার সম্ভাবনা আছে।
3018 views

'ইফতেখার নাইম' ভাইয়ের মতো আমিও বলব, বাংলাদেশ জেতার সম্ভাবনা বেশি আছে, যদি চীন মিয়ানমারকে সাহায্য না করে। জাতিসংঘের চুক্তিতে যদিও বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেছে যে, কখনো পারমাণবিক বোমা বানাতে পারবে না। কিন্তু গোপন সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে পারমাণবিক বোমা না থাকলেও ছোটখাটো অনেক বোমা বা সাব-পারমাণবিক অস্ত্র আছে। অন্যদিকে ১৯৮৯ সালে মায়ানমার চীন হতে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করে। এসব অস্ত্র বাংলাদেশেরও আছে। তাই যুদ্ধ লাগলে বাংলাদেশ জিতার সম্ভাবনা বেশি আছে।।

3018 views

Related Questions